দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মসজিদের ইমামকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় কাইয়ুম হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে কোর্ট হাজতে চালান করা হয়। মো. কাইয়ুম হোসেন(৬০) পৌর এলাকার বড় আলমপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার হামিদ খলিফার বাড়ির প্রয়াত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি প্রবাস ফেরত এবং পেশায় একজন কৃষক।
দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড়আলমপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়া 'আল মদিনাতুল আকসা' মসজিদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং খুতবায় ইমামের রাজনৈতিক বক্তব্যকে ঘিরে প্রায় দেড়বছর পূর্ব থেকে এ বিরোধ চলে আসছে।
গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড়আলমপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়া 'আল মদিনাতুল আকসা' মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিনকে মসজিদের কাছে সড়কে পেয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জুতা পেটাসহ মারধরে শারেরীকভাবে লাঞ্ছিত করে।
ওই ঘটনায় অভিযুক্ত মো. কাইয়ুম হোসেনকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ইমাম ঐক্য পরিষদের পক্ষে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত দেড় বছর আগে জুম্মার খুৎবায় রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে বয়ান রাখায় স্থানীয় মুসল্লি আব্দুল কাইয়ূম মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিনকে এমন বক্তব্য না রাখতে বলেন। মসজিদ কমিটির সদস্য ও মসজিদের দাতা সদস্যরা গত রমজানের পর ইমামকে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে বলেন এবং ইমামকে দেখলে কাইয়ুম হুমকি ধমকি গালমন্দ করেন।
কিন্তু স্থানীয় মুসল্লিদের একাংশ ইমামের পক্ষে অবস্থান নেন। পরে এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ ও ইমামকে মসজিদের পাশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতে স্থানান্তর করেন। ফের গত ৭ এপ্রিল ইমামকে রাস্তায় পেয়ে গালমন্দের এক পর্যায়ে মারধর ও হেনস্তা করেন। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনায় মসজিদের মুসল্লিসহ উপজেলার ইমাম সমাজ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার মডেল মসজিদের ঈমাম মাওলানা মুফতি আহাদ, নিউ মার্কেট জামে মসজিদ এর ঈমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি মো. হাসান, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলার সাধারণ সম্পাদক
মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, জামিয়া ইব্রাহিমীয়া কারিমিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ডা. মহসিন আলম প্রমুখ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. আব্দুল কাইয়ুম হোসেন জানান, ইমাম সাহেব খুতবায় উস্কানিমূলক রাজনৈতিক বক্তব্যই নয়, সুরাকারাতেও যথেষ্ট ভুল করায় আমরা তাঁকে ইমামতির পদ থেকে সড়ে যেতে গত রমজানের পর পর্যন্ত সময় দেই। তারপরও একটি মহলের প্ররোচনায় স্বপদে বহাল রয়েছেন। তাছাড়া আবু হানিফ, মোস্তফার ৪ শতাংশ জমিতে মসজিদ নির্মাণাধীন, ওই জমি নিয়েও বিরোধ আছে।
আল মদিনাতুল আকসা মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিন বলেন, জুমার খুতবায় ন্যায়, ইনসাফ ও জুলুমের বিরুদ্ধে সঠিক কথা বলার কারণেই আমাকে মসজিদ বের করার চেষ্টাই নয়, আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
এ ব্যপারে দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা. মনিরুজ্জামান বলেন, মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় এক ব্যক্তির মধ্যে বিগত ১৮ মাস ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। গত ৭ এপ্রিল ইমামকে গালমন্দ ও লাঞ্ছিত করায় তাকে গ্রেপ্তার পূর্বক কোর্টে চালান করেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, তদন্তের পরই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে জানানো হবে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মসজিদের ইমামকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় কাইয়ুম হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে কোর্ট হাজতে চালান করা হয়। মো. কাইয়ুম হোসেন(৬০) পৌর এলাকার বড় আলমপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার হামিদ খলিফার বাড়ির প্রয়াত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি প্রবাস ফেরত এবং পেশায় একজন কৃষক।
দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড়আলমপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়া 'আল মদিনাতুল আকসা' মসজিদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং খুতবায় ইমামের রাজনৈতিক বক্তব্যকে ঘিরে প্রায় দেড়বছর পূর্ব থেকে এ বিরোধ চলে আসছে।
গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড়আলমপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়া 'আল মদিনাতুল আকসা' মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিনকে মসজিদের কাছে সড়কে পেয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জুতা পেটাসহ মারধরে শারেরীকভাবে লাঞ্ছিত করে।
ওই ঘটনায় অভিযুক্ত মো. কাইয়ুম হোসেনকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ইমাম ঐক্য পরিষদের পক্ষে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত দেড় বছর আগে জুম্মার খুৎবায় রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে বয়ান রাখায় স্থানীয় মুসল্লি আব্দুল কাইয়ূম মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিনকে এমন বক্তব্য না রাখতে বলেন। মসজিদ কমিটির সদস্য ও মসজিদের দাতা সদস্যরা গত রমজানের পর ইমামকে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে বলেন এবং ইমামকে দেখলে কাইয়ুম হুমকি ধমকি গালমন্দ করেন।
কিন্তু স্থানীয় মুসল্লিদের একাংশ ইমামের পক্ষে অবস্থান নেন। পরে এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ ও ইমামকে মসজিদের পাশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতে স্থানান্তর করেন। ফের গত ৭ এপ্রিল ইমামকে রাস্তায় পেয়ে গালমন্দের এক পর্যায়ে মারধর ও হেনস্তা করেন। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনায় মসজিদের মুসল্লিসহ উপজেলার ইমাম সমাজ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার মডেল মসজিদের ঈমাম মাওলানা মুফতি আহাদ, নিউ মার্কেট জামে মসজিদ এর ঈমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি মো. হাসান, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলার সাধারণ সম্পাদক
মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, জামিয়া ইব্রাহিমীয়া কারিমিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ডা. মহসিন আলম প্রমুখ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. আব্দুল কাইয়ুম হোসেন জানান, ইমাম সাহেব খুতবায় উস্কানিমূলক রাজনৈতিক বক্তব্যই নয়, সুরাকারাতেও যথেষ্ট ভুল করায় আমরা তাঁকে ইমামতির পদ থেকে সড়ে যেতে গত রমজানের পর পর্যন্ত সময় দেই। তারপরও একটি মহলের প্ররোচনায় স্বপদে বহাল রয়েছেন। তাছাড়া আবু হানিফ, মোস্তফার ৪ শতাংশ জমিতে মসজিদ নির্মাণাধীন, ওই জমি নিয়েও বিরোধ আছে।
আল মদিনাতুল আকসা মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিন বলেন, জুমার খুতবায় ন্যায়, ইনসাফ ও জুলুমের বিরুদ্ধে সঠিক কথা বলার কারণেই আমাকে মসজিদ বের করার চেষ্টাই নয়, আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
এ ব্যপারে দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা. মনিরুজ্জামান বলেন, মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় এক ব্যক্তির মধ্যে বিগত ১৮ মাস ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। গত ৭ এপ্রিল ইমামকে গালমন্দ ও লাঞ্ছিত করায় তাকে গ্রেপ্তার পূর্বক কোর্টে চালান করেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, তদন্তের পরই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে জানানো হবে।