দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নিহত আঃ রাজ্জাক রুবেল হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা ইউনুছ মিয়া সরকার (৪৭)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে দেবীদ্বার উপজেলার নুরপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপর দিকে ৬ নং ফতেহাবাদ ইউনিয়ন’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মো. রুহুল আমিন জানান, আমার ইউপি সদস্য ইউনুছ মেম্বারকে নিয়ে বিশেষ প্রয়োজনে গত রাতে থানায় যাই। এ সময় থানার এক দারোগা ইউনুছ মেম্বারকে আটক করে হাজতে ঢুকিয়ে দেয়। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, উপরের নির্দেশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার ৪ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
গ্রেফতারকৃত ইউনুছ মিয়া সরকার উপজেলার নুরপুর গ্রামের সরকার বাড়ির মৃত সিরাজুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি দেবীদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি এবং একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য (মেম্বার) বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও বাসচালক আঃ রাজ্জাক রুবেল (৩৫)। এ ঘটনায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, তার ভাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মামুনসহ ৭০ জনকে এজহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০সহ ২৭০ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
যুবলীগ নেতা ইউনুছ মিয়া সরকার এ মামলার এজাহারনামীয় আসামি না হলেও তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরজ্জামান বলেন, “রুবেল হত্যা মামলার তদন্তে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ইউনুছ মেম্বারের জড়িত থাকার তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নিহত আঃ রাজ্জাক রুবেল হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা ইউনুছ মিয়া সরকার (৪৭)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে দেবীদ্বার উপজেলার নুরপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপর দিকে ৬ নং ফতেহাবাদ ইউনিয়ন’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মো. রুহুল আমিন জানান, আমার ইউপি সদস্য ইউনুছ মেম্বারকে নিয়ে বিশেষ প্রয়োজনে গত রাতে থানায় যাই। এ সময় থানার এক দারোগা ইউনুছ মেম্বারকে আটক করে হাজতে ঢুকিয়ে দেয়। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, উপরের নির্দেশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার ৪ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
গ্রেফতারকৃত ইউনুছ মিয়া সরকার উপজেলার নুরপুর গ্রামের সরকার বাড়ির মৃত সিরাজুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি দেবীদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি এবং একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য (মেম্বার) বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও বাসচালক আঃ রাজ্জাক রুবেল (৩৫)। এ ঘটনায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, তার ভাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মামুনসহ ৭০ জনকে এজহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০সহ ২৭০ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
যুবলীগ নেতা ইউনুছ মিয়া সরকার এ মামলার এজাহারনামীয় আসামি না হলেও তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরজ্জামান বলেন, “রুবেল হত্যা মামলার তদন্তে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ইউনুছ মেম্বারের জড়িত থাকার তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”