দেবীদ্বার প্রতিনিধি

তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলমকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁকে কুমিল্লার আদালতে নেওয়া হয়। আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এরপর তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযোগ ওঠা ওই শিক্ষককে উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম দেবীদ্বার উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামের প্রয়াত শব্দর আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই দুপুরে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের ব্রাহ্মনখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির পাঠদানকালে এক শিক্ষার্থী (১০)’র স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে। পরে ওই শিক্ষার্থী ঘটনাটি তার মায়ের কাছে খুলে বলে।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ওই দিন বিকেলে শিক্ষক খোরশেদ আলমকে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে বেধক মারধর করেন এলাকাবাসী। সন্ধ্যার পর দ্বিতীয় দফায় আবারও বাক্ষণখাড়া বটতলা বাজারে মারধর করে হাত বেঁধে ফনিন্দ্র চক্রবর্তীর চা দোকানে আটকে রাখে। বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষক খোরশেদ আলমের অনৈতিক কাজের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।
সংবাদ পেয়ে ওইদিন রাত ১১টায় দেবীদ্বার থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষককে উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
ওই ঘটনায় খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামী করে থানায় অভিযোগ দেয়। শিক্ষক খোরশেদ আলমের উপর হামলার প্রতিবাদে উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতাদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।
অপরদিকে ভিক্টিমের দাদা বাদী হয়ে একই দিন খোরশেদ আলমকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতনের দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় ।
অপর দিকে হামলা, মারধর ও টাকা লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ কর্তৃক দায়ের করা মামলার সকল আসামি গত ৯ আগস্ট আদালত থেকে জামিনে আসেন।
এ দিকে শিক্ষক খোরশেদ আলমকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমি আর কখনো এমনটা করব না। এমন কি জুয়া খেলব না।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ভিক্টিম শিক্ষার্থীর পক্ষে দায়ের করা মামলার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক খোরশেদ আলম পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলমকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁকে কুমিল্লার আদালতে নেওয়া হয়। আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এরপর তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযোগ ওঠা ওই শিক্ষককে উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম দেবীদ্বার উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামের প্রয়াত শব্দর আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই দুপুরে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের ব্রাহ্মনখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির পাঠদানকালে এক শিক্ষার্থী (১০)’র স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে। পরে ওই শিক্ষার্থী ঘটনাটি তার মায়ের কাছে খুলে বলে।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ওই দিন বিকেলে শিক্ষক খোরশেদ আলমকে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে বেধক মারধর করেন এলাকাবাসী। সন্ধ্যার পর দ্বিতীয় দফায় আবারও বাক্ষণখাড়া বটতলা বাজারে মারধর করে হাত বেঁধে ফনিন্দ্র চক্রবর্তীর চা দোকানে আটকে রাখে। বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষক খোরশেদ আলমের অনৈতিক কাজের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।
সংবাদ পেয়ে ওইদিন রাত ১১টায় দেবীদ্বার থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষককে উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
ওই ঘটনায় খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামী করে থানায় অভিযোগ দেয়। শিক্ষক খোরশেদ আলমের উপর হামলার প্রতিবাদে উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতাদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।
অপরদিকে ভিক্টিমের দাদা বাদী হয়ে একই দিন খোরশেদ আলমকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতনের দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় ।
অপর দিকে হামলা, মারধর ও টাকা লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ কর্তৃক দায়ের করা মামলার সকল আসামি গত ৯ আগস্ট আদালত থেকে জামিনে আসেন।
এ দিকে শিক্ষক খোরশেদ আলমকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমি আর কখনো এমনটা করব না। এমন কি জুয়া খেলব না।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ভিক্টিম শিক্ষার্থীর পক্ষে দায়ের করা মামলার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক খোরশেদ আলম পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।