হোমনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনায় এক গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তরকান্দিগামী রাস্তার নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হোমনা থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর স্বামী হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁরা একটি অটোরিকশাযোগে তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান (২৪) ও তার আরও ৬-৭ জন সহযোগী দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁদের পথরোধ করে।
অভিযুক্তরা দম্পতিসহ অটোরিকশাটিকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে মোড় থেকে পশ্চিমে একটি নির্জন ইটের রাস্তার ওপর নিয়ে যায়। সেখানে আশিকুর রহমান ও তাঁর দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখে। বাকিরা তাঁর স্বামী ও অটোরিকশা চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই সুযোগে আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তাঁরা হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আমরা তাঁকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, প্রধান অভিযুক্ত আশিকুর রহমানসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনিস উদ্দিন জানান, জড়িতদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শহিদ উল্লাহ জানান, রাত তিনটার দিকে হাসপাতালে এসেছেন। শারীরিক ও মানসিকভাবে মোটামুটি স্বাভাবিক ছিলেন, ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, লজ্জাস্থানে কিছুটা ব্যথা অনভব করছেন। ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার হোমনায় এক গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তরকান্দিগামী রাস্তার নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হোমনা থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর স্বামী হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁরা একটি অটোরিকশাযোগে তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান (২৪) ও তার আরও ৬-৭ জন সহযোগী দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁদের পথরোধ করে।
অভিযুক্তরা দম্পতিসহ অটোরিকশাটিকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে মোড় থেকে পশ্চিমে একটি নির্জন ইটের রাস্তার ওপর নিয়ে যায়। সেখানে আশিকুর রহমান ও তাঁর দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখে। বাকিরা তাঁর স্বামী ও অটোরিকশা চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই সুযোগে আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তাঁরা হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আমরা তাঁকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, প্রধান অভিযুক্ত আশিকুর রহমানসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনিস উদ্দিন জানান, জড়িতদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শহিদ উল্লাহ জানান, রাত তিনটার দিকে হাসপাতালে এসেছেন। শারীরিক ও মানসিকভাবে মোটামুটি স্বাভাবিক ছিলেন, ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, লজ্জাস্থানে কিছুটা ব্যথা অনভব করছেন। ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।