হোমনা প্রতিনিধি

কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মতিনের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কুপিয়ে জখম করাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান সমর্থক হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। প্রচারণার প্রথম দিনেই হোমনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এ ঘটনার জন্য এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দায়ী করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রচারণার প্রথম দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মতিন কর্মীসমর্থকদের নিয়ে প্রথমে মরহুম এমকে আনোয়ার সাহেবের কবর জিয়ারত করেন। এরপর পৌরসভার শ্রীমদ্দি এলাকায় প্রয়াত প্রকৌশলী আবদুল জলিলের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন।
যাওয়ার পথে হোমনা ওভারব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। এ সময় গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান একটি মোবাইল দোকানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। আহতদের হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। আহত কয়েকজনের মাথায় ও পিঠে জখমের চিহ্ন রয়েছে। হোমনা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মতিন বলেন, নির্বাচনে নিশ্চিত ভরাডুবি হবে জেনে বহিরাগত প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার অনুসারীরা আমাদের ওপর হামলা করে। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করব।
বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, দল থেকে বহিস্কার হওয়ার পর আবদুল মতিন সমর্থকহীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের লোকজন আমাদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেয়। আমাদের কর্মীদেরকে মন্দ কথা বলে। আমাকেও বলেছে। নিজেরা আলোচনায় আসার জন্য এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
হোমনা থানার ওসি মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে যৌথবাহিনী এলাকা টহল দিচ্ছে। কিন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মতিনের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কুপিয়ে জখম করাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান সমর্থক হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। প্রচারণার প্রথম দিনেই হোমনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এ ঘটনার জন্য এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দায়ী করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রচারণার প্রথম দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মতিন কর্মীসমর্থকদের নিয়ে প্রথমে মরহুম এমকে আনোয়ার সাহেবের কবর জিয়ারত করেন। এরপর পৌরসভার শ্রীমদ্দি এলাকায় প্রয়াত প্রকৌশলী আবদুল জলিলের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন।
যাওয়ার পথে হোমনা ওভারব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। এ সময় গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান একটি মোবাইল দোকানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। আহতদের হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। আহত কয়েকজনের মাথায় ও পিঠে জখমের চিহ্ন রয়েছে। হোমনা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মতিন বলেন, নির্বাচনে নিশ্চিত ভরাডুবি হবে জেনে বহিরাগত প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার অনুসারীরা আমাদের ওপর হামলা করে। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করব।
বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, দল থেকে বহিস্কার হওয়ার পর আবদুল মতিন সমর্থকহীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের লোকজন আমাদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেয়। আমাদের কর্মীদেরকে মন্দ কথা বলে। আমাকেও বলেছে। নিজেরা আলোচনায় আসার জন্য এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
হোমনা থানার ওসি মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে যৌথবাহিনী এলাকা টহল দিচ্ছে। কিন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।