হোমনা প্রতিনিধি

নির্বাচনী জেরে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ভাষানিয়া ইউনিয়নের ডহর গোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে মারধরের জেরে ফলাফল পরবর্তী ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো প্রতিকার চেয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। ভাংচুর ও লুটপাটে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে।
আজ শনিবার সরেজমিন ঘুরে ভাংচুরের দৃশ্য দেখা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্তরা লুটপাটের তথ্য তুলে ধরেছেন। তবে এই গ্রামের বহু পুরুষ হুমকি ও মিথ্যা মামলার ভয়ে অন্যত্র চলে গেছে বলে বাড়িতে অবস্থানরত মহিলারা জানিয়েছে।
হামলার শিকার নসু মিয়া, জসিম ও শাহ আলম জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাতুয়াকান্দির লোকজন জাল ভোট দিতে এলে কেন্দ্রের মূল সীমানায় তাদের সাথে প্রথমে বাকবিতণ্ডা পরে তিনজনেই হামলার শিকার হয়।এই ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে কর্তব্যরত ম্যাজিষ্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়। উল্লেখ্য কেন্দ্রটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন খানের তালা মার্কা ২১ ভোটে জয়ী হয়। সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ও মোহনপুর আবুল খায়েরের সহ কয়েকটি বসতঘর হামলার শিকার হয়েছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন। এরপরে বিএনপির প্রার্থী জয়ের খবর পেয়ে রাতেই আরেক দফা হামলায় প্রায় ২০টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। উভয়পক্ষের ক্ষতিগ্রস্তরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়েছে।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশিদ আলম চৌধুরী জানান, হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে তিনি শুনেছেন কিন্তু লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে স্থানীয় ভাবে মিমাংসার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো মোহনপুরের ডা. আবুল খায়ের, ডহর গোপের কামরুজ্জামান, ডহরগোপের ভোটার ও পাশ্ববর্তী আলীরচরের নসু মিয়া, ডহর গোপের সৃষ্টি মিয়া, নুর জাহান, মানিক, শেফালী, তাহের, সামছুল হক, শাহজালাল, জসিম, হবি, ফারুক, রিপন, শাহীন, আলাউদ্দিন, রনি, সেলিম, ভুট্টু, নজরুল, মহিউদ্দিন, মানিক নসু, জুলাস, হানিফ, ইনু, সবুজ , আমির হোসেন ও শফিক।

নির্বাচনী জেরে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ভাষানিয়া ইউনিয়নের ডহর গোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে মারধরের জেরে ফলাফল পরবর্তী ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো প্রতিকার চেয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। ভাংচুর ও লুটপাটে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে।
আজ শনিবার সরেজমিন ঘুরে ভাংচুরের দৃশ্য দেখা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্তরা লুটপাটের তথ্য তুলে ধরেছেন। তবে এই গ্রামের বহু পুরুষ হুমকি ও মিথ্যা মামলার ভয়ে অন্যত্র চলে গেছে বলে বাড়িতে অবস্থানরত মহিলারা জানিয়েছে।
হামলার শিকার নসু মিয়া, জসিম ও শাহ আলম জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাতুয়াকান্দির লোকজন জাল ভোট দিতে এলে কেন্দ্রের মূল সীমানায় তাদের সাথে প্রথমে বাকবিতণ্ডা পরে তিনজনেই হামলার শিকার হয়।এই ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে কর্তব্যরত ম্যাজিষ্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়। উল্লেখ্য কেন্দ্রটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন খানের তালা মার্কা ২১ ভোটে জয়ী হয়। সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ও মোহনপুর আবুল খায়েরের সহ কয়েকটি বসতঘর হামলার শিকার হয়েছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন। এরপরে বিএনপির প্রার্থী জয়ের খবর পেয়ে রাতেই আরেক দফা হামলায় প্রায় ২০টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। উভয়পক্ষের ক্ষতিগ্রস্তরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়েছে।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশিদ আলম চৌধুরী জানান, হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে তিনি শুনেছেন কিন্তু লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে স্থানীয় ভাবে মিমাংসার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো মোহনপুরের ডা. আবুল খায়ের, ডহর গোপের কামরুজ্জামান, ডহরগোপের ভোটার ও পাশ্ববর্তী আলীরচরের নসু মিয়া, ডহর গোপের সৃষ্টি মিয়া, নুর জাহান, মানিক, শেফালী, তাহের, সামছুল হক, শাহজালাল, জসিম, হবি, ফারুক, রিপন, শাহীন, আলাউদ্দিন, রনি, সেলিম, ভুট্টু, নজরুল, মহিউদ্দিন, মানিক নসু, জুলাস, হানিফ, ইনু, সবুজ , আমির হোসেন ও শফিক।