লাকসাম প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়া সংসদ সদস্য আবুল কালামকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ দুই উপজেলাবাসী। নির্বাচনে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৪ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম ৫৪ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এ ফলাফলে লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলার পুরো এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মতে, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান,সন্ত্রাস চাঁদাবাজি নির্মুল, মাদক মুক্ত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির জন্য শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। তাই তারা মনে করছেন,আবুল কালাম মন্ত্রী হলে এ অঞ্চলের শান্তি সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই অঞ্চলে কৃষি, যোগাযোগ ও স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন।
রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আবদুল খালেক বলেন, আমরা ধান চাষ করে বাঁচি। কিন্তু ভালো রাস্তা না থাকায় ন্যায্য দাম পাই না। আমাদের এলাকার উন্নয়নের জন্য শক্ত অবস্থান দরকার। তাই আমরা চাই যেন আবুল কালাম ভাই আমাদের মন্ত্রী হোন।
রুস্তম আলী বলেন, আমরা মনোহরগঞ্জ উওর ঝলমে জলা অঞ্চলে থাকি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে আছি। এলাকায় শিল্প-কারখানা নেই, কর্মসংস্থানের সুযোগও কম। তাই আমরা চাই যেন আবুল কালাম ভাই আমাদের মন্ত্রী হন, তাহলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার পুরো দেশ এগিয়ে যাবে।
লাকসাম উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক জহির উদ্দিন সবুজ বলেন, জনগণের বিপুল সমর্থন প্রমাণ করে আবুল কালাম ভাইয়ের প্রতি মানুষের আস্থা কতটা দৃঢ়। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন।আমরা আশা করি, তাকে মন্ত্রী করা হলে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বলেন, এত বড় ব্যবধানে জয়লাভ করা মানে জনগণের প্রত্যাশাও অনেক বড়। লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে উন্নয়নের জন্য আলাদা নজর দেওয়া প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি মন্ত্রী হলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এলাকার সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জিল্লুর রহমান ফারুক বলেন, আবুল কালাম একজন পরীক্ষিত নেতা। তিনি এলাকায় কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করছেন এছাড়াও কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে খানে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন।এ লাকসাম ও মনোহরগঞ্জবাসী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আবুল কালাম ভাই মন্ত্রী হলে এসব খাতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।
মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরোয়ার জাহান দোলন বলেন, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের মানুষ তাদের ভোটের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। নারী পুরুষ সকল সম্প্রদায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছেন। আমরা দলীয়ভাবে আশা করছি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করবে। এতে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
এদিকে সাধারণ জনগণও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আবুল কালামকে মন্ত্রী করার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার অর্জিত জনসমর্থনের প্রতিফলন সরকারিভাবেও মূল্যায়িত হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়া সংসদ সদস্য আবুল কালামকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ দুই উপজেলাবাসী। নির্বাচনে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৪ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম ৫৪ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এ ফলাফলে লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলার পুরো এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মতে, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান,সন্ত্রাস চাঁদাবাজি নির্মুল, মাদক মুক্ত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির জন্য শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। তাই তারা মনে করছেন,আবুল কালাম মন্ত্রী হলে এ অঞ্চলের শান্তি সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই অঞ্চলে কৃষি, যোগাযোগ ও স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন।
রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আবদুল খালেক বলেন, আমরা ধান চাষ করে বাঁচি। কিন্তু ভালো রাস্তা না থাকায় ন্যায্য দাম পাই না। আমাদের এলাকার উন্নয়নের জন্য শক্ত অবস্থান দরকার। তাই আমরা চাই যেন আবুল কালাম ভাই আমাদের মন্ত্রী হোন।
রুস্তম আলী বলেন, আমরা মনোহরগঞ্জ উওর ঝলমে জলা অঞ্চলে থাকি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে আছি। এলাকায় শিল্প-কারখানা নেই, কর্মসংস্থানের সুযোগও কম। তাই আমরা চাই যেন আবুল কালাম ভাই আমাদের মন্ত্রী হন, তাহলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার পুরো দেশ এগিয়ে যাবে।
লাকসাম উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক জহির উদ্দিন সবুজ বলেন, জনগণের বিপুল সমর্থন প্রমাণ করে আবুল কালাম ভাইয়ের প্রতি মানুষের আস্থা কতটা দৃঢ়। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন।আমরা আশা করি, তাকে মন্ত্রী করা হলে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বলেন, এত বড় ব্যবধানে জয়লাভ করা মানে জনগণের প্রত্যাশাও অনেক বড়। লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে উন্নয়নের জন্য আলাদা নজর দেওয়া প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি মন্ত্রী হলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এলাকার সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জিল্লুর রহমান ফারুক বলেন, আবুল কালাম একজন পরীক্ষিত নেতা। তিনি এলাকায় কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করছেন এছাড়াও কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে খানে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন।এ লাকসাম ও মনোহরগঞ্জবাসী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আবুল কালাম ভাই মন্ত্রী হলে এসব খাতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।
মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরোয়ার জাহান দোলন বলেন, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের মানুষ তাদের ভোটের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। নারী পুরুষ সকল সম্প্রদায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছেন। আমরা দলীয়ভাবে আশা করছি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করবে। এতে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
এদিকে সাধারণ জনগণও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আবুল কালামকে মন্ত্রী করার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার অর্জিত জনসমর্থনের প্রতিফলন সরকারিভাবেও মূল্যায়িত হবে।