নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বাণিজ্যিক এলাকা খ্যাত লাকসাম উপজেলার দৌলতগঞ্জ বাজার। বাজার লাগোয়া গ্রাম ফতেপুর। এই গ্রামের বাসিন্দা রাজনীতিবিদ হুমায়ুন কবির পারভেজ। তাঁরা পারিবারিকভাবে বিত্তশালী। গ্রামের পূর্ব দক্ষিণ কোনে বিশাল বাংলো বাড়ি। ফুলের বাগানে ঘেরা বাড়িটি সবার দৃষ্টি কাড়লেও এই বাড়ির কারও মনে শান্তি নেই। এবারের ঈদেও খুশি তাদের মনে দাগ কাটতে পারেনি। পারভেজ ২০১৩ সালে গুম হন। প্রায় ১৩ বছর ধরে তাঁর পরিবার এই কষ্ট বয়ে চলছেন। ঈদ এলে তাদের পরিবারের কষ্ট দ্বিগুণ হয়ে যায়।
পারভেজের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার রানু বলেন, পারভেজের স্মৃতি আমরা হাতড়ে বেড়াই। বাসার এখানে ওখানে তাকিয়ে দেখি-মনে হয় পারভেজ হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের ঢাকার বাসার একটি জানালা আছে সড়কের পাশে। ওপর থেকে মাঝ মাঝে তাকিয়ে থাকি। মনে হয় পারভেজ আসছে। তার গলার স্বর কানে বাজে। কথা বলতে গিয়ে এক সময় রানুর গলার ধরে আসে। তিনি চুপ হয়ে যান। টিস্যু দিয়ে চেখে মোছেন। আবার ধরা গলায় বলতে শুরু করেন-ঈদ এলে আমাদের কষ্ট দ্বিগুণ হয়ে যায়। রাজনৈতিক পরিবার। ঈদের দিন মানুষ দেখা করতে আসেন। সবাই পারভেজের খোঁজ জানতে চান। আমরা এখানে আশায় বুক বেঁধে আছি, পারভেজ একদিন ফিরে আসবে। আমি চাই পারভেজের গুমকারীদের যেন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয়। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আয়না ঘরে গিয়েও তার সন্ধান পাইনি।
তিনি বলেন, পারভেজের স্বপ্ন ছিল লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে। তার অবর্তমানে আমি তার স্বপ্ন পূরণে কাজ করতে চাই। আমি পৌর বিএনপির সহসভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে আসছি। লাকসাম পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করেছি, সেখানে আমাকে জোর করে হারানো হয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে সুযোগ পেলে মানুষের জন্য কাজ করতে পারব। আমি আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার কাজের মূল্যায়ন করবেন।
তাঁর বড় ছেলে শাহরিয়ার কবির রাতুল বলেন, ঈদে মানুষ তাঁর বাবার কবর জিয়ারত করতে যায়, কিন্তু আমি তা পারি না। সবাইকে একদিন মরতে হবে। বাবা বেঁচে আছেন না মরে আছেন তাও জানি না। আমাকে দুই দোয়া করতে হয়। বেঁচে থাকলে যেন ফিরে আসেন, মরে গেলে যেন আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করেন। পুরো দেশটাই মনে হয় আমার বাবার কবরস্থান। অসময়ে বাসার কলিং বেল বাজলে ভাবি-বাবার কোন খবর এলো হয়তো। বাইরে ভবঘুরে মানুষ দেখলে তাদের মধ্যে বাবার চেহারা খুঁজি।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম হিরু ও পৌর বিএনপির সভাপতি হুমাযুন কবির পারভেজকে গুম করা হয়। এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ মিলেনি। পারভেজের গুমের পর তার খোঁজে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছেন শাহনাজ আক্তার রানু।

কুমিল্লার বাণিজ্যিক এলাকা খ্যাত লাকসাম উপজেলার দৌলতগঞ্জ বাজার। বাজার লাগোয়া গ্রাম ফতেপুর। এই গ্রামের বাসিন্দা রাজনীতিবিদ হুমায়ুন কবির পারভেজ। তাঁরা পারিবারিকভাবে বিত্তশালী। গ্রামের পূর্ব দক্ষিণ কোনে বিশাল বাংলো বাড়ি। ফুলের বাগানে ঘেরা বাড়িটি সবার দৃষ্টি কাড়লেও এই বাড়ির কারও মনে শান্তি নেই। এবারের ঈদেও খুশি তাদের মনে দাগ কাটতে পারেনি। পারভেজ ২০১৩ সালে গুম হন। প্রায় ১৩ বছর ধরে তাঁর পরিবার এই কষ্ট বয়ে চলছেন। ঈদ এলে তাদের পরিবারের কষ্ট দ্বিগুণ হয়ে যায়।
পারভেজের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার রানু বলেন, পারভেজের স্মৃতি আমরা হাতড়ে বেড়াই। বাসার এখানে ওখানে তাকিয়ে দেখি-মনে হয় পারভেজ হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের ঢাকার বাসার একটি জানালা আছে সড়কের পাশে। ওপর থেকে মাঝ মাঝে তাকিয়ে থাকি। মনে হয় পারভেজ আসছে। তার গলার স্বর কানে বাজে। কথা বলতে গিয়ে এক সময় রানুর গলার ধরে আসে। তিনি চুপ হয়ে যান। টিস্যু দিয়ে চেখে মোছেন। আবার ধরা গলায় বলতে শুরু করেন-ঈদ এলে আমাদের কষ্ট দ্বিগুণ হয়ে যায়। রাজনৈতিক পরিবার। ঈদের দিন মানুষ দেখা করতে আসেন। সবাই পারভেজের খোঁজ জানতে চান। আমরা এখানে আশায় বুক বেঁধে আছি, পারভেজ একদিন ফিরে আসবে। আমি চাই পারভেজের গুমকারীদের যেন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয়। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আয়না ঘরে গিয়েও তার সন্ধান পাইনি।
তিনি বলেন, পারভেজের স্বপ্ন ছিল লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে। তার অবর্তমানে আমি তার স্বপ্ন পূরণে কাজ করতে চাই। আমি পৌর বিএনপির সহসভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে আসছি। লাকসাম পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করেছি, সেখানে আমাকে জোর করে হারানো হয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে সুযোগ পেলে মানুষের জন্য কাজ করতে পারব। আমি আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার কাজের মূল্যায়ন করবেন।
তাঁর বড় ছেলে শাহরিয়ার কবির রাতুল বলেন, ঈদে মানুষ তাঁর বাবার কবর জিয়ারত করতে যায়, কিন্তু আমি তা পারি না। সবাইকে একদিন মরতে হবে। বাবা বেঁচে আছেন না মরে আছেন তাও জানি না। আমাকে দুই দোয়া করতে হয়। বেঁচে থাকলে যেন ফিরে আসেন, মরে গেলে যেন আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করেন। পুরো দেশটাই মনে হয় আমার বাবার কবরস্থান। অসময়ে বাসার কলিং বেল বাজলে ভাবি-বাবার কোন খবর এলো হয়তো। বাইরে ভবঘুরে মানুষ দেখলে তাদের মধ্যে বাবার চেহারা খুঁজি।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম হিরু ও পৌর বিএনপির সভাপতি হুমাযুন কবির পারভেজকে গুম করা হয়। এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ মিলেনি। পারভেজের গুমের পর তার খোঁজে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছেন শাহনাজ আক্তার রানু।