লাকসাম প্রতিনিধি

লাকসাম পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও পাড়া-মহল্লায় বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত ভয়াবহ মাত্রায় বেড়েছে। এসব বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে জনজীবন আতঙ্কিত ও বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে পুরো উপজেলা ও পৌরশহরে। কখন বেওয়ারিশ কুকুর কামড় দেয় এ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন শিশু শিক্ষার্থী ও হাট-বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ এলাকাবাসী। দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব বেওয়ারিশ কুকুর। এক সময় কুকুরের উৎপাত বন্ধে পৌরসভা কিংবা স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিধন করত। কিন্তু উচ্চ আদালত ২০১২ সালে এ ধরনের প্রাণী মেরে ফেলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ও পৌর শহরের চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে এপ্রিল মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত অন্তত ১৮৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছেন বেওয়ারিশ কুকুর, বিড়াল ও বানরের কামড়ে। এরমধ্যে বেশিরভাগ রয়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত নারী, পুরুষ ও শিশু।
গত বুধবার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে ১২ জন। এতে ১১ শিশু ও একজন বৃদ্ধ মহিলা রয়েছেন।সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে কেউ বাড়ি ফিরে গেছেন,আবার কেউ গুরুতর আহত অবস্থায় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কান্দিরপাড়, হামিরাবাগ, সাতবাড়ীয়া, ইছাপুরা, মুহাম্মদপুর, উওরদা, আজকরা, মুদাফরগঞ্জ বাজার, মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন শ্রীয়াং, আউশপাড়া, ভাকড্যা, লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন নরপাটি, বাকই দক্ষিণ ইউনিয়ন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন গ্রামগুলো এবং পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিভিন্ন রঙের শতশত পাগলা কুকুড় বেপরোয়া আচরণ করে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়েছে।এভাবে সকাল থেকে সন্ধ্যায় পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন কুকুরের কামড়ে আহত হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদের সামনে দোকানদার মুখছেদ আলী বলেন, বুধবার বিকেলে মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তার কুমরে কুকুর কামড় দিয়ে মাংস নিয়ে রক্তাক্ত করে। সাথে সাথে তাকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দিনে রাতে এ এলাকায় ১২/১৫ টি করে কুকুর একত্রে দল বেঁধে ঘুরাফেরা করে। রাস্তাঘাটে কুকুরের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে পথচারীদের দেখে ঘেউ ঘেউ করে কামড়াতে আসে। যেখানে সেখানে কুকুরের অবাধ বিচরণ। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের জন্য এখন বেওয়ারিশ কুকুর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।পথচারী থেকে শুরু করে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও একই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
চিকিৎসক মোজ্জাকের হোসেন বলেন, বেওয়ারিশ কুকুর বিপজ্জনক হলেও সঠিক ব্যবস্থা থাকলে প্রাণহানি বা ক্ষতির শঙ্কা কমানো সম্ভব। কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি রোধে কুকুরের শরীরে টিকা দেওয়া যেতে পারে। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কুকুর নিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে প্রায় বছর ধরে নিধন কর্মসূচি আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লাকসাম পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও পাড়া-মহল্লায় বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত ভয়াবহ মাত্রায় বেড়েছে। এসব বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে জনজীবন আতঙ্কিত ও বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে পুরো উপজেলা ও পৌরশহরে। কখন বেওয়ারিশ কুকুর কামড় দেয় এ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন শিশু শিক্ষার্থী ও হাট-বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ এলাকাবাসী। দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব বেওয়ারিশ কুকুর। এক সময় কুকুরের উৎপাত বন্ধে পৌরসভা কিংবা স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিধন করত। কিন্তু উচ্চ আদালত ২০১২ সালে এ ধরনের প্রাণী মেরে ফেলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ও পৌর শহরের চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে এপ্রিল মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত অন্তত ১৮৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছেন বেওয়ারিশ কুকুর, বিড়াল ও বানরের কামড়ে। এরমধ্যে বেশিরভাগ রয়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত নারী, পুরুষ ও শিশু।
গত বুধবার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে ১২ জন। এতে ১১ শিশু ও একজন বৃদ্ধ মহিলা রয়েছেন।সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে কেউ বাড়ি ফিরে গেছেন,আবার কেউ গুরুতর আহত অবস্থায় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কান্দিরপাড়, হামিরাবাগ, সাতবাড়ীয়া, ইছাপুরা, মুহাম্মদপুর, উওরদা, আজকরা, মুদাফরগঞ্জ বাজার, মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন শ্রীয়াং, আউশপাড়া, ভাকড্যা, লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন নরপাটি, বাকই দক্ষিণ ইউনিয়ন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন গ্রামগুলো এবং পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিভিন্ন রঙের শতশত পাগলা কুকুড় বেপরোয়া আচরণ করে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়েছে।এভাবে সকাল থেকে সন্ধ্যায় পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন কুকুরের কামড়ে আহত হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদের সামনে দোকানদার মুখছেদ আলী বলেন, বুধবার বিকেলে মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তার কুমরে কুকুর কামড় দিয়ে মাংস নিয়ে রক্তাক্ত করে। সাথে সাথে তাকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দিনে রাতে এ এলাকায় ১২/১৫ টি করে কুকুর একত্রে দল বেঁধে ঘুরাফেরা করে। রাস্তাঘাটে কুকুরের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে পথচারীদের দেখে ঘেউ ঘেউ করে কামড়াতে আসে। যেখানে সেখানে কুকুরের অবাধ বিচরণ। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের জন্য এখন বেওয়ারিশ কুকুর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।পথচারী থেকে শুরু করে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও একই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
চিকিৎসক মোজ্জাকের হোসেন বলেন, বেওয়ারিশ কুকুর বিপজ্জনক হলেও সঠিক ব্যবস্থা থাকলে প্রাণহানি বা ক্ষতির শঙ্কা কমানো সম্ভব। কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি রোধে কুকুরের শরীরে টিকা দেওয়া যেতে পারে। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কুকুর নিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে প্রায় বছর ধরে নিধন কর্মসূচি আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।