নিজস্ব প্রতিবেদক

লাকসামে মইন উদ্দিন অন্তর (১৮) নামে এক কিশোর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, মইন উদ্দিন অন্তর লাকসাম থানাধীন গন্ডামারা এতিমখানা নামক স্থানে ভাঙারির দোকানে কাজ করত। একই সঙ্গে সে স্থানীয় খারাপ প্রকৃতির ছেলেদের সাথে চলাফেরা করত এবং চুরি ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার মতো অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা সকলেই চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম করার তাদের নেশা ও পেশা। ভিকটিমের সঙ্গে আসামিদের চুরি-ছিনতাইকৃত চোরাই মালের ভাগ বণ্টন ও মদক সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনার দিন অন্তর ও আসামিদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য লাকসাম গন্ডামার জবাইখানা সংলগ্ন রেল লাইনের পাশে লাশ ফেলে দেয়।
নিহত অন্তর লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে ধারাবাহিক অভিযানে র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকা হতে মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, মো. ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন, এমআই হাসানসহ (২২) মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় ৬ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম রেলওয়ে জেলার লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

লাকসামে মইন উদ্দিন অন্তর (১৮) নামে এক কিশোর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, মইন উদ্দিন অন্তর লাকসাম থানাধীন গন্ডামারা এতিমখানা নামক স্থানে ভাঙারির দোকানে কাজ করত। একই সঙ্গে সে স্থানীয় খারাপ প্রকৃতির ছেলেদের সাথে চলাফেরা করত এবং চুরি ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার মতো অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা সকলেই চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম করার তাদের নেশা ও পেশা। ভিকটিমের সঙ্গে আসামিদের চুরি-ছিনতাইকৃত চোরাই মালের ভাগ বণ্টন ও মদক সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনার দিন অন্তর ও আসামিদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য লাকসাম গন্ডামার জবাইখানা সংলগ্ন রেল লাইনের পাশে লাশ ফেলে দেয়।
নিহত অন্তর লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে ধারাবাহিক অভিযানে র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকা হতে মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, মো. ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন, এমআই হাসানসহ (২২) মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় ৬ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম রেলওয়ে জেলার লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।