লাকসাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার লাকসামে এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ওই ছাত্রীর নাম সিনথিয়া আক্তার (১৪)। সে লালমাই উপজেলার সিংঙ্গরিয়া গ্রামের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে। লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।
জানা যায়, বিদ্যালয়ের পাশে ‘চাচা-ভাতিজা ভিলা’ নামে একটি ভাড়া বাসার চতুর্থ তলায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করত সিনথিয়া। ঘটনার দিন সকালে ৮টার দিকে কক্ষের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকায় তার মা অনেক ডাকাডাকি করেন, কিন্তু কোনো সাড়া না পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেতে পান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়| ওই শিক্ষার্থীর হাতে ব্লেড দিয়ে কাটার ৮-১০টি ক্ষত চিহ্ন পাওয়া রয়েছে।
একটি সূত্রে জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় তার মা তাকে ঠিকভাবে পড়াশোনার তাগিদ দেন এবং অহেতুক বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডা না দেওয়ার জন্য একটু বকাঝকা করেন।
এদিকে সিনথিয়ার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে সহপাঠীরা তার বাসায় যায়। পরে মরদেহ নিজ বিদ্যাপীঠ লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আনা হয়।
লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিলিপ কুমার ভৌমিক জানান, বিদ্যালয়ে যতটুকু দেখেছি, সিনথিয়া অনেকটা চুপচাপ স্বভাবের মেয়ে ছিল। ঘটনাটি একদম অনাকাঙ্ক্ষিত।
সিনথিয়ার মা খালেদা আক্তার জানান, তার স্বামী প্রবাসে থাকেন। সিনথিয়া একমাত্র মেয়ে। তার একটি পুত্রসন্তান রয়েছ।| সন্তানদের পড়ালেখা ও নিজের চাকরির সুবাদে লাকসামে বাসা ভাড়া করে থাকেন তিনি।
এই ব্যাপারে লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহাম্মদ বলেন, আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে এটি আত্মহত্যা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কুমিল্লার লাকসামে এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ওই ছাত্রীর নাম সিনথিয়া আক্তার (১৪)। সে লালমাই উপজেলার সিংঙ্গরিয়া গ্রামের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে। লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।
জানা যায়, বিদ্যালয়ের পাশে ‘চাচা-ভাতিজা ভিলা’ নামে একটি ভাড়া বাসার চতুর্থ তলায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করত সিনথিয়া। ঘটনার দিন সকালে ৮টার দিকে কক্ষের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকায় তার মা অনেক ডাকাডাকি করেন, কিন্তু কোনো সাড়া না পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেতে পান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়| ওই শিক্ষার্থীর হাতে ব্লেড দিয়ে কাটার ৮-১০টি ক্ষত চিহ্ন পাওয়া রয়েছে।
একটি সূত্রে জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় তার মা তাকে ঠিকভাবে পড়াশোনার তাগিদ দেন এবং অহেতুক বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডা না দেওয়ার জন্য একটু বকাঝকা করেন।
এদিকে সিনথিয়ার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে সহপাঠীরা তার বাসায় যায়। পরে মরদেহ নিজ বিদ্যাপীঠ লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আনা হয়।
লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিলিপ কুমার ভৌমিক জানান, বিদ্যালয়ে যতটুকু দেখেছি, সিনথিয়া অনেকটা চুপচাপ স্বভাবের মেয়ে ছিল। ঘটনাটি একদম অনাকাঙ্ক্ষিত।
সিনথিয়ার মা খালেদা আক্তার জানান, তার স্বামী প্রবাসে থাকেন। সিনথিয়া একমাত্র মেয়ে। তার একটি পুত্রসন্তান রয়েছ।| সন্তানদের পড়ালেখা ও নিজের চাকরির সুবাদে লাকসামে বাসা ভাড়া করে থাকেন তিনি।
এই ব্যাপারে লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহাম্মদ বলেন, আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে এটি আত্মহত্যা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।