নিজস্ব প্রতিবেদক

কেন্দ্র ছাড়িয়ে সড়কে চলে গেছে ভোটারদের সারি। তারপরও যেন থামছে না স্রোত। কুমিল্লার লাকসামের ধামৈচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা গেছে এমন চিত্র।
ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ কেন্দ্রে আটটি বুথ, মোট ভোটার ৪ হাজার ৪ জন। পুরুষ ভোটার ২ হাজার ১১০ জন, নারী ভোটার ১ হাজার ৮৯৪ জন।
তিনি বলেন, এখন ভোটারের চাপ আছে। ধীরে ধীরে কমে যাবে। ।
ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা বয়োবৃদ্ধ নমিতা রানী পাল জানান, মেলা দিন পর ভোট দিছি। খুব ভালো লাগছে।
একই চিত্র দেখা গেছে নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মক্রবপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে।
ওই দুই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৭ হাজার ৮২৬ জন। পুরুষ ভোটার ৩ হাজার ৮৫৩ জন। নারী ভোটার ৩ হাজার ৯৭৩ জন।
ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা মক্রবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম ছুপু বলেন, দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারিনি। আজ ভোট দিতে পেরে ভালো রাখছে। জনগণ আজ তাদের রায় দিয়ে দিবে।

কেন্দ্র ছাড়িয়ে সড়কে চলে গেছে ভোটারদের সারি। তারপরও যেন থামছে না স্রোত। কুমিল্লার লাকসামের ধামৈচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা গেছে এমন চিত্র।
ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ কেন্দ্রে আটটি বুথ, মোট ভোটার ৪ হাজার ৪ জন। পুরুষ ভোটার ২ হাজার ১১০ জন, নারী ভোটার ১ হাজার ৮৯৪ জন।
তিনি বলেন, এখন ভোটারের চাপ আছে। ধীরে ধীরে কমে যাবে। ।
ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা বয়োবৃদ্ধ নমিতা রানী পাল জানান, মেলা দিন পর ভোট দিছি। খুব ভালো লাগছে।
একই চিত্র দেখা গেছে নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মক্রবপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে।
ওই দুই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৭ হাজার ৮২৬ জন। পুরুষ ভোটার ৩ হাজার ৮৫৩ জন। নারী ভোটার ৩ হাজার ৯৭৩ জন।
ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা মক্রবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম ছুপু বলেন, দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারিনি। আজ ভোট দিতে পেরে ভালো রাখছে। জনগণ আজ তাদের রায় দিয়ে দিবে।