মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি

মনোহরগঞ্জে অবৈধ দুটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ইটভাটার চিমনিসহ কাচা ইট ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুটি মালিককে অর্থদণ্ড ও বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে মিজি ব্রিকস ও বেতিয়াপাড়া অবস্থিত যমুনা ব্রিকসে দিনব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়।

জানা যায়, ওইসব ভাটাটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন লঙ্ঘন করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে দুটি ভাটার মালিক। সেই ইটভাটাগুলো উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়ন শ্রীপুরে মিজি ব্রিকস ও লক্ষণপুর ইউনিয়নে বেতিয়াপাড়া যমুনা ব্রিকস। মঙ্গলবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে মিজি ব্রিকস ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও মালিকে একমাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড প্রদান করে। অপরদিকে যমুনা ব্রিকসকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও মালিককে ২০ দিনের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাজালা পারভীন রুহি এবং জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রসিকিউশন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এলাকায় অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে। তাই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পুনরায় ভাটা চালু করা হলে পরিবেশ অধিদপ্তর চাইলে আবারো অভিযান পরিচালনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মনোহরগঞ্জে অবৈধ দুটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ইটভাটার চিমনিসহ কাচা ইট ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুটি মালিককে অর্থদণ্ড ও বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে মিজি ব্রিকস ও বেতিয়াপাড়া অবস্থিত যমুনা ব্রিকসে দিনব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়।

জানা যায়, ওইসব ভাটাটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন লঙ্ঘন করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে দুটি ভাটার মালিক। সেই ইটভাটাগুলো উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়ন শ্রীপুরে মিজি ব্রিকস ও লক্ষণপুর ইউনিয়নে বেতিয়াপাড়া যমুনা ব্রিকস। মঙ্গলবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে মিজি ব্রিকস ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও মালিকে একমাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড প্রদান করে। অপরদিকে যমুনা ব্রিকসকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও মালিককে ২০ দিনের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাজালা পারভীন রুহি এবং জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রসিকিউশন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এলাকায় অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে। তাই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পুনরায় ভাটা চালু করা হলে পরিবেশ অধিদপ্তর চাইলে আবারো অভিযান পরিচালনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।