মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ডাকাতিয়া নদী ও খাল ঘিরে আবারও ফিরে এলো গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার উৎসব। পলো হাতে শত শত মানুষের অংশগ্রহণে খালজুড়ে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার দিশাবন্দ, তাহিরপুর, ডুমুরিয়া, আমতলী, ঝলম, হাটিরপাড় এলাকায় ডাকাতিয়া নদী ও খালে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই পলো, জাল, দড়িসহ মাছ শিকারের নানা উপকরণ নিয়ে দলবদ্ধভাবে খালের পাড়ে জড়ো হতে থাকেন উৎসুক মানুষজন। দলে দলে পানিতে নেমে পলো দিয়ে একের পর এক ঝাঁপ, আর সেই সঙ্গে আনন্দের হই-হুল্লোড়—সব মিলিয়ে দৃশ্যটি ছিল সত্যিই চোখে পড়ার মতো। ছন্দের তালে তালে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া মাছ শিকারিদের পদচারণায় যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিল হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য। মাছ শিকারিদের অনেকেই বোয়াল, গজার, শোলসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ ধরতে সক্ষম হন। কেউ কেউ একাধিক মাছ পেলেও অনেকেই ফিরেছেন খালি হাতে। তবে মাছ পাওয়া না পাওয়ার চেয়ে উৎসবে অংশগ্রহণ করাটাই ছিল সবার কাছে বড় আনন্দ। একজন মাছ ধরতে পারলেই চারপাশে উল্লাস আর আনন্দধ্বনিতে সবাই সেই সুখ ভাগ করে নেন।

নাছির উদ্দীন নামে একজন মাছ শিকারি বলেন, মাছ ধরা শুধু মাছ পাওয়ার জন্য না ভাই, এটা আমাদের আনন্দ, আমাদের ঐতিহ্য। ছোটবেলা থেকে বাবার হাত ধরে এই ডাকাতিয়া খালে নামছি পলো নিয়ে। আজ মাছ পাই বা না পাই, তাতে কিছু যায় আসে না। আবুল কাশেম নামের আরো একজন মাছ শিকারি বলেন, শত মানুষের সঙ্গে একসাথে পানিতে নেমে হাসি-ঠাট্টা, হই-হুল্লোড়—এই আনন্দটাই আসল। এখন খালে আগের মতো মাছ নেই, তবু এই উৎসব আমাদের মনটাকে ভরিয়ে দেয়। যতদিন পারি, এই ঐতিহ্য আমরা ধরে রাখব। পলো ছাড়াও ফার জাল, ছিটকি জাল, ঝাঁকি জাল, পেলুনসহ বিভিন্ন ধরনের জাল ব্যবহার করে মাছ ধরতে দেখা যায় অংশগ্রহণকারীদের। একসময় ডাকাতিয়া খালে বছরজুড়েই প্রচুর দেশীয় সুস্বাদু মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু কালের বিবর্তনে খালটি সংকুচিত হওয়ায় বর্তমানে সেই প্রাচুর্য আর নেই। চলতি শীত মৌসুমে খালের বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে যাওয়ায় কোথাও কোথাও হাঁটু কিংবা কোমরসমান পানিতেই এই মাছ ধরার উৎসবের রূপ নেয়। এ বিষয়ে ১০-১৫ জন মাছ শিকারি জানান, মাছ পাওয়া না গেলেও এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবে অংশ নেওয়াটাই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলাম বলেন, ডাকাতিয়া নদী,খাল থেকে পলো দিয়ে মাছ ধরা মনোহরগঞ্জ উপজেলার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব। এতে দেশীয় মাছ ধরা পড়ে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। এই ঐতিহ্য ধরে রাখার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আমি সাধুবাদ জানাই।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ডাকাতিয়া নদী ও খাল ঘিরে আবারও ফিরে এলো গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার উৎসব। পলো হাতে শত শত মানুষের অংশগ্রহণে খালজুড়ে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার দিশাবন্দ, তাহিরপুর, ডুমুরিয়া, আমতলী, ঝলম, হাটিরপাড় এলাকায় ডাকাতিয়া নদী ও খালে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই পলো, জাল, দড়িসহ মাছ শিকারের নানা উপকরণ নিয়ে দলবদ্ধভাবে খালের পাড়ে জড়ো হতে থাকেন উৎসুক মানুষজন। দলে দলে পানিতে নেমে পলো দিয়ে একের পর এক ঝাঁপ, আর সেই সঙ্গে আনন্দের হই-হুল্লোড়—সব মিলিয়ে দৃশ্যটি ছিল সত্যিই চোখে পড়ার মতো। ছন্দের তালে তালে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া মাছ শিকারিদের পদচারণায় যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিল হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য। মাছ শিকারিদের অনেকেই বোয়াল, গজার, শোলসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ ধরতে সক্ষম হন। কেউ কেউ একাধিক মাছ পেলেও অনেকেই ফিরেছেন খালি হাতে। তবে মাছ পাওয়া না পাওয়ার চেয়ে উৎসবে অংশগ্রহণ করাটাই ছিল সবার কাছে বড় আনন্দ। একজন মাছ ধরতে পারলেই চারপাশে উল্লাস আর আনন্দধ্বনিতে সবাই সেই সুখ ভাগ করে নেন।

নাছির উদ্দীন নামে একজন মাছ শিকারি বলেন, মাছ ধরা শুধু মাছ পাওয়ার জন্য না ভাই, এটা আমাদের আনন্দ, আমাদের ঐতিহ্য। ছোটবেলা থেকে বাবার হাত ধরে এই ডাকাতিয়া খালে নামছি পলো নিয়ে। আজ মাছ পাই বা না পাই, তাতে কিছু যায় আসে না। আবুল কাশেম নামের আরো একজন মাছ শিকারি বলেন, শত মানুষের সঙ্গে একসাথে পানিতে নেমে হাসি-ঠাট্টা, হই-হুল্লোড়—এই আনন্দটাই আসল। এখন খালে আগের মতো মাছ নেই, তবু এই উৎসব আমাদের মনটাকে ভরিয়ে দেয়। যতদিন পারি, এই ঐতিহ্য আমরা ধরে রাখব। পলো ছাড়াও ফার জাল, ছিটকি জাল, ঝাঁকি জাল, পেলুনসহ বিভিন্ন ধরনের জাল ব্যবহার করে মাছ ধরতে দেখা যায় অংশগ্রহণকারীদের। একসময় ডাকাতিয়া খালে বছরজুড়েই প্রচুর দেশীয় সুস্বাদু মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু কালের বিবর্তনে খালটি সংকুচিত হওয়ায় বর্তমানে সেই প্রাচুর্য আর নেই। চলতি শীত মৌসুমে খালের বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে যাওয়ায় কোথাও কোথাও হাঁটু কিংবা কোমরসমান পানিতেই এই মাছ ধরার উৎসবের রূপ নেয়। এ বিষয়ে ১০-১৫ জন মাছ শিকারি জানান, মাছ পাওয়া না গেলেও এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবে অংশ নেওয়াটাই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলাম বলেন, ডাকাতিয়া নদী,খাল থেকে পলো দিয়ে মাছ ধরা মনোহরগঞ্জ উপজেলার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব। এতে দেশীয় মাছ ধরা পড়ে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। এই ঐতিহ্য ধরে রাখার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আমি সাধুবাদ জানাই।