নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার মুরাদনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাওলা সরকার (৪৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে| উপজেলার পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে| নিহত মাওলা সরকার ওই গ্রামের প্রয়াত হাশেম সরকারের ছেলে| বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের গতকাল বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন|
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল| সম্প্রতি সেচস্কিম সংক্রান্ত বিরোধ সেই দ্বন্দ্বকে আরও তীব্র করে তোলে| আব্দুর রহিম সরকারের পক্ষে ছিলেন মাওলা সরকার|
নিহতের স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাওলা সরকারকে লক্ষ্য করে আগে থেকেই ঝোপে লুকিয়ে থাকা ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র দল হামলা চালায়| ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়| তাকে প্রথমে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়| অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন|
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জানান, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে| লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে| জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে|

কুমিল্লার মুরাদনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাওলা সরকার (৪৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে| উপজেলার পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে| নিহত মাওলা সরকার ওই গ্রামের প্রয়াত হাশেম সরকারের ছেলে| বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের গতকাল বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন|
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল| সম্প্রতি সেচস্কিম সংক্রান্ত বিরোধ সেই দ্বন্দ্বকে আরও তীব্র করে তোলে| আব্দুর রহিম সরকারের পক্ষে ছিলেন মাওলা সরকার|
নিহতের স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাওলা সরকারকে লক্ষ্য করে আগে থেকেই ঝোপে লুকিয়ে থাকা ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র দল হামলা চালায়| ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়| তাকে প্রথমে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়| অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন|
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জানান, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে| লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে| জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে|