মুরাদনগর প্রতিনিধি

প্রেমের টানে পরিবারের অগোচরে বিয়ে করেন। দুই বছর পর সেই স্ত্রীকে সড়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের ভুবনঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে খুনের ৪দিন আগে নিরাপত্তা চেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছিলেন স্ত্রী। নিহত তানজিনা আক্তার ধামঘর ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামের তাজুল মাঝির মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী কুদ্দুস রুবেল নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের ইউনুস মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরিবারের অজান্তে বিয়ে করেন তানজিনা ও রুবেল। বিয়ের এক বছরের মাথায়ই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। চার লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তানজিনার ওপর নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতে থাকে রুবেল। ঘটনার চার দিন আগে নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুরাদনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তানজিনা।
মঙ্গলবার দুপুরে ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাবার বাড়িতে ফেরার পথে গোমতী নদীর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে পৌঁছালে রুবেল ছুরি দিয়ে তানজিনার ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। স্থানীয়রা তাকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অভিযুক্ত কুদ্দুস রুবেলকে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জামিল খান বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রেমের টানে পরিবারের অগোচরে বিয়ে করেন। দুই বছর পর সেই স্ত্রীকে সড়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের ভুবনঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে খুনের ৪দিন আগে নিরাপত্তা চেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছিলেন স্ত্রী। নিহত তানজিনা আক্তার ধামঘর ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামের তাজুল মাঝির মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী কুদ্দুস রুবেল নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের ইউনুস মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরিবারের অজান্তে বিয়ে করেন তানজিনা ও রুবেল। বিয়ের এক বছরের মাথায়ই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। চার লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তানজিনার ওপর নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতে থাকে রুবেল। ঘটনার চার দিন আগে নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুরাদনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তানজিনা।
মঙ্গলবার দুপুরে ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাবার বাড়িতে ফেরার পথে গোমতী নদীর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে পৌঁছালে রুবেল ছুরি দিয়ে তানজিনার ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। স্থানীয়রা তাকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অভিযুক্ত কুদ্দুস রুবেলকে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জামিল খান বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।