মুরাদনগর প্রতিনিধি

ঝুঁকিপূর্ণ মুরাদনগরের গোমতী নদীর বেইলি সেতু। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। মুরাদনগর উপজেলা সদরের দক্ষিণ দিকে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি সেতুটি এখন এলাকাবাসীর জন্য চরম আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেতুটির পাটাতন ভেঙে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত দিয়ে নিচে প্রবাহিত গোমতী নদীর পানি স্পষ্ট দেখা যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন এই সেতু পারাপার হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির ওপরের স্টিলের ডেক ভেঙে পড়ে মরিচা ধরা লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। কোথাও কোথাও পাটাতন সম্পূর্ণ ধসে কঙ্কালসার রূপ নিয়েছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই প্রতিদিন বাস, ট্রাক, অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। ভারী যানবাহন উঠলেই পুরো সেতুটি ভয়ংকরভাবে কেঁপে ওঠে। এরই মধ্যে একাধিকবার অটোরিকশা ও ভ্যানের চাকা গর্তে আটকে গিয়ে দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন শত শত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও মুমূর্ষু রোগী যাতায়াত করেন। বিশেষ করে রাতের বেলায় এই সেতু পার হওয়া যেন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার শামিল। কৃষকরা সময়মতো ফসল বাজারে নিতে পারছেন না, জরুরি রোগী পরিবহনেও দেখা দিচ্ছে মারাত্মক ভোগান্তি।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিয়মিত কর দেওয়ার পরও কেন এভাবে জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে হচ্ছে। তাদের প্রশ্ন- কোনো বড় দুর্ঘটনা বা প্রাণহানি ঘটার পরই কি প্রশাসনের টনক নড়বে? দ্রুত ভারী যান চলাচল বন্ধ করে স্থায়ী সংস্কার বা নতুন সেতু নির্মাণেরদাবি জানান তারা।
এলাকার সচেতন নাগরিকদের মতে, জোড়াতালি দিয়ে এই জরাজীর্ণ বেইলি সেতু আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। গোমতী নদীর এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি আধুনিক ও টেকসই স্থায়ী সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, বেইলি সেতুটির স্থলে নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দরপত্র আহ্বানে কিছুটা সময় লাগবে। আপাতত সেতুটি মেরামতের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ মুরাদনগরের গোমতী নদীর বেইলি সেতু। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। মুরাদনগর উপজেলা সদরের দক্ষিণ দিকে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি সেতুটি এখন এলাকাবাসীর জন্য চরম আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেতুটির পাটাতন ভেঙে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত দিয়ে নিচে প্রবাহিত গোমতী নদীর পানি স্পষ্ট দেখা যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন এই সেতু পারাপার হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির ওপরের স্টিলের ডেক ভেঙে পড়ে মরিচা ধরা লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। কোথাও কোথাও পাটাতন সম্পূর্ণ ধসে কঙ্কালসার রূপ নিয়েছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই প্রতিদিন বাস, ট্রাক, অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। ভারী যানবাহন উঠলেই পুরো সেতুটি ভয়ংকরভাবে কেঁপে ওঠে। এরই মধ্যে একাধিকবার অটোরিকশা ও ভ্যানের চাকা গর্তে আটকে গিয়ে দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন শত শত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও মুমূর্ষু রোগী যাতায়াত করেন। বিশেষ করে রাতের বেলায় এই সেতু পার হওয়া যেন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার শামিল। কৃষকরা সময়মতো ফসল বাজারে নিতে পারছেন না, জরুরি রোগী পরিবহনেও দেখা দিচ্ছে মারাত্মক ভোগান্তি।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিয়মিত কর দেওয়ার পরও কেন এভাবে জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে হচ্ছে। তাদের প্রশ্ন- কোনো বড় দুর্ঘটনা বা প্রাণহানি ঘটার পরই কি প্রশাসনের টনক নড়বে? দ্রুত ভারী যান চলাচল বন্ধ করে স্থায়ী সংস্কার বা নতুন সেতু নির্মাণেরদাবি জানান তারা।
এলাকার সচেতন নাগরিকদের মতে, জোড়াতালি দিয়ে এই জরাজীর্ণ বেইলি সেতু আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। গোমতী নদীর এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি আধুনিক ও টেকসই স্থায়ী সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, বেইলি সেতুটির স্থলে নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দরপত্র আহ্বানে কিছুটা সময় লাগবে। আপাতত সেতুটি মেরামতের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে।