নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার মুরাদনগরে পড়ালেখায় মনোযোগী করে তোলার কথা বলে ঝাড়ফুঁকের সময় চতুর্থ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে (১০) যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মাঈন উদ্দিন (৩৫) নামের এক কথিত কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁকে গতকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রাম থেকে কথিত ওই কবিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাঈন উদ্দিন মোচাগড়া গ্রামের প্রয়াত চাঁন খা মোল্লার ছেলে। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। সম্প্রতি পড়ালেখায় অমনোযোগী হয়ে পড়লে শিশুটির বাড়ির পাশের কথিত কবিরাজ মাঈন উদ্দিন তার মাকে জানান তেল পড়ানো ও ঝাড়ফুঁক করালে শিশুটি পড়ালেখায় মনোযোগী হবে।
শুক্রবার দুপুরে এ কথা বলে কৌশলে শিশুটির বসতঘর থেকে তার মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি। এরপর ঘরের ভেতরে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করে উঠলে অভিযুক্ত কবিরাজ দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
শিশুটিকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নির্যাতনের শিকার শিশুটির অভিভাবক মুরাদনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জামিল খান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কুমিল্লার মুরাদনগরে পড়ালেখায় মনোযোগী করে তোলার কথা বলে ঝাড়ফুঁকের সময় চতুর্থ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে (১০) যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মাঈন উদ্দিন (৩৫) নামের এক কথিত কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁকে গতকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রাম থেকে কথিত ওই কবিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাঈন উদ্দিন মোচাগড়া গ্রামের প্রয়াত চাঁন খা মোল্লার ছেলে। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। সম্প্রতি পড়ালেখায় অমনোযোগী হয়ে পড়লে শিশুটির বাড়ির পাশের কথিত কবিরাজ মাঈন উদ্দিন তার মাকে জানান তেল পড়ানো ও ঝাড়ফুঁক করালে শিশুটি পড়ালেখায় মনোযোগী হবে।
শুক্রবার দুপুরে এ কথা বলে কৌশলে শিশুটির বসতঘর থেকে তার মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি। এরপর ঘরের ভেতরে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করে উঠলে অভিযুক্ত কবিরাজ দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
শিশুটিকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নির্যাতনের শিকার শিশুটির অভিভাবক মুরাদনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জামিল খান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।