নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯০ সালে এরশাদের শাসনামলে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ৩৫ বছর পর আবার একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হলেন বিএনপি থেকে। তিনি এই আসনে সাতবার নির্বাচন করে ছয়বার জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে তিনবার বিএনপি থেকে, একবার স্বতন্ত্র ও দুইবার জাতীয় পার্টি থেকে। তিনি কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য। কায়কোবাদের মতো 'মজলুম' নেতাকে ধর্মমন্ত্রী করায় মুরাদনগরবাসী উচ্ছ্বসিত। তাঁদের প্রিয় 'দাদা' (মুরাদনগরবাসী তাঁকে দাদা নামে ডাকেন) মন্ত্রী হওয়ায় মহাখুশি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের জন্ম ১৯৫৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। কাজী নোমান আহমেদ ও ছৈয়দা রশিদা বেগমের বড় সন্তান কায়কোবাদ। তাঁর বাড়ি মুরাদনগর উপজেলা সদরে। থাকেন রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায়। জানা গেছে, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ১৯৮৬ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সর্বপ্রথম নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কায়কোবাদ। ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি ১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদ সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনেও লাঙ্গল প্রতীকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১, ২০০৮ ও ২০২৬ সালে তিনি বিএনপি থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার অভিযোগে মামলা হয়। ওই মামলায় ৫২ জনের নামে চার্জশিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে কায়কোবাদের নামও ছিল। তখন তিনি সংসদ থেকে ছুটি নিয়ে বিদেশে চলে যান। সৌদি আরব, দুবাই ও তুরস্কে থাকতেন। বিদেশে থাকাবস্থায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এই মামলার রায় হয়। এতে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হয়। ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর এই মামলার সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৫ ভোট।
কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট তৌহিদুর রহমান বলেন, 'দীর্ঘ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে দাদাভাই অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম করেছেন। এই মুরাদনগরে যত উন্নয়ন হয়েছে, তার প্রায় সবই কায়কোবাদের হাত ধরে হয়েছে। এলাকার মানুষকে তিনি কখনো ভুলে যাননি। যার কারণে মানুষও তাঁকে ভালোবেসে এখন পর্যন্ত ছয়বার নির্বাচিত করেছেন। এবার তিনি মন্ত্রী হচ্ছেন, এই খুশি এখন মুরাদন-গরের প্রতিটি ঘরে ঘরে। আমাদের বিশ্বাস দাদাভাই এবার সারা দেশেই আলো ছড়াবেন।'
মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ডাক পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, 'আমি মুরাদনগরের মানুষের খাদেম আমি নিজেকে তাঁদের কামলা মনে করি। ইনশা আল্লাহ আজীবন মানুষের খাদেম হিসেবেই থাকতে চাই। এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি সবাইকে নিয়ে আধুনিক মুরাদনগর গড়তে চাই। মন্ত্রী করায় দলের কাছে কৃতজ্ঞ।'

১৯৯০ সালে এরশাদের শাসনামলে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ৩৫ বছর পর আবার একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হলেন বিএনপি থেকে। তিনি এই আসনে সাতবার নির্বাচন করে ছয়বার জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে তিনবার বিএনপি থেকে, একবার স্বতন্ত্র ও দুইবার জাতীয় পার্টি থেকে। তিনি কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য। কায়কোবাদের মতো 'মজলুম' নেতাকে ধর্মমন্ত্রী করায় মুরাদনগরবাসী উচ্ছ্বসিত। তাঁদের প্রিয় 'দাদা' (মুরাদনগরবাসী তাঁকে দাদা নামে ডাকেন) মন্ত্রী হওয়ায় মহাখুশি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের জন্ম ১৯৫৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। কাজী নোমান আহমেদ ও ছৈয়দা রশিদা বেগমের বড় সন্তান কায়কোবাদ। তাঁর বাড়ি মুরাদনগর উপজেলা সদরে। থাকেন রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায়। জানা গেছে, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ১৯৮৬ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সর্বপ্রথম নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কায়কোবাদ। ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি ১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদ সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনেও লাঙ্গল প্রতীকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১, ২০০৮ ও ২০২৬ সালে তিনি বিএনপি থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার অভিযোগে মামলা হয়। ওই মামলায় ৫২ জনের নামে চার্জশিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে কায়কোবাদের নামও ছিল। তখন তিনি সংসদ থেকে ছুটি নিয়ে বিদেশে চলে যান। সৌদি আরব, দুবাই ও তুরস্কে থাকতেন। বিদেশে থাকাবস্থায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এই মামলার রায় হয়। এতে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হয়। ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর এই মামলার সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৫ ভোট।
কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট তৌহিদুর রহমান বলেন, 'দীর্ঘ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে দাদাভাই অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম করেছেন। এই মুরাদনগরে যত উন্নয়ন হয়েছে, তার প্রায় সবই কায়কোবাদের হাত ধরে হয়েছে। এলাকার মানুষকে তিনি কখনো ভুলে যাননি। যার কারণে মানুষও তাঁকে ভালোবেসে এখন পর্যন্ত ছয়বার নির্বাচিত করেছেন। এবার তিনি মন্ত্রী হচ্ছেন, এই খুশি এখন মুরাদন-গরের প্রতিটি ঘরে ঘরে। আমাদের বিশ্বাস দাদাভাই এবার সারা দেশেই আলো ছড়াবেন।'
মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ডাক পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, 'আমি মুরাদনগরের মানুষের খাদেম আমি নিজেকে তাঁদের কামলা মনে করি। ইনশা আল্লাহ আজীবন মানুষের খাদেম হিসেবেই থাকতে চাই। এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি সবাইকে নিয়ে আধুনিক মুরাদনগর গড়তে চাই। মন্ত্রী করায় দলের কাছে কৃতজ্ঞ।'