নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোটে সাজেদা ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওর বিরুদ্ধে কিস্তির টাকা দিতে না পারায় এক গৃহবধূকে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারজানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর নাম ফাতেমা বেগম (২৪)। তিনি চারজানিয়া গ্রামের মো. সাগরের স্ত্রী। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গৃহবধূর পরিবার।
ভুক্তভোগী ফাতেমা জানান, তিনি সাজেদা ফাউন্ডেশন থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের সমস্ত টাকা পরিশোধ করার পরও এনজিওর লোকজন তাঁর কাছে আরও ৩৫ হাজার টাকা পাওনা দাবি করে আসছিল। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এনজিওর লোকজন এসে তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই রাতে পুলিশ এনে তাঁকে ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাজেদা ফাউন্ডেশনের শাখা ম্যানেজার ইমরুল কায়েস বলেন, ওই গৃহবধূর কাছে প্রতিষ্ঠানের ৫০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। গত ৮-৯ মাস তিনি কোনো কিস্তি পরিশোধ না করায় নিয়মানুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আমি তাঁকে আগেই বলেছিলাম যে তাঁর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং টাকা পরিশোধ করতে হবে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানা তামিল করতে একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

নাঙ্গলকোটে সাজেদা ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওর বিরুদ্ধে কিস্তির টাকা দিতে না পারায় এক গৃহবধূকে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারজানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর নাম ফাতেমা বেগম (২৪)। তিনি চারজানিয়া গ্রামের মো. সাগরের স্ত্রী। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গৃহবধূর পরিবার।
ভুক্তভোগী ফাতেমা জানান, তিনি সাজেদা ফাউন্ডেশন থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের সমস্ত টাকা পরিশোধ করার পরও এনজিওর লোকজন তাঁর কাছে আরও ৩৫ হাজার টাকা পাওনা দাবি করে আসছিল। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এনজিওর লোকজন এসে তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই রাতে পুলিশ এনে তাঁকে ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাজেদা ফাউন্ডেশনের শাখা ম্যানেজার ইমরুল কায়েস বলেন, ওই গৃহবধূর কাছে প্রতিষ্ঠানের ৫০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। গত ৮-৯ মাস তিনি কোনো কিস্তি পরিশোধ না করায় নিয়মানুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আমি তাঁকে আগেই বলেছিলাম যে তাঁর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং টাকা পরিশোধ করতে হবে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানা তামিল করতে একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।