পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট

কুমিল্লা-১০(নাঙ্গলকোট ও লালমাই) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত গতকাল শুক্রবার দিনব্যাপী নাঙ্গলকোটের দৌলখাঁড়, নাঙ্গলকোট পৌরবাজার ও মক্রবপুর এলাকায় নির্বাচনী পথসভা ভোটারদের সাথে গণসংযোগ করেন। প্রচারণার সময় দৌলখাঁড় গ্রামের জুলাই যোদ্ধা শহীদ শহীদ মুনতাসির রহমান আলিফের কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি নাঙ্গলকোট পৌরসভার কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাঁও জামে মসজিদে সালাতুল জুমা‘র আলোচনা রাখেন। মক্রবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পথসভা এবং গণসংযোগ করেন।
নির্বাচনী পথসভায় মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই নির্বাচনী ঐক্যবদ্ধতা এদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যারা রাষ্ট্রের কর্তা , এমপি, মন্ত্রী হবেন তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চায়। জনগণের অর্থ জনগনের মাঝে সঠিকভাবে সুষমভাবে বন্টন করতে চায়। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা ও দূর্নীতি সবকিছু বাংলাদেশ থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে চায়। লালমাই এবং নাঙ্গলকোটের ৪৮৭ গ্রামের প্রতিটি গ্রামে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। দু‘টি উপজেলার ১১৮ টি বাজারের প্রত্যেকটি বাজারে গিয়েছি। যেখানে গিয়েছি জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। জনগণ বলেছে, আমরা এ পর্যন্ত বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছে। এবার ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন বলে তারা আশ্বাস প্রদান করেছে।

কুমিল্লা-১০(নাঙ্গলকোট ও লালমাই) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত গতকাল শুক্রবার দিনব্যাপী নাঙ্গলকোটের দৌলখাঁড়, নাঙ্গলকোট পৌরবাজার ও মক্রবপুর এলাকায় নির্বাচনী পথসভা ভোটারদের সাথে গণসংযোগ করেন। প্রচারণার সময় দৌলখাঁড় গ্রামের জুলাই যোদ্ধা শহীদ শহীদ মুনতাসির রহমান আলিফের কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি নাঙ্গলকোট পৌরসভার কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাঁও জামে মসজিদে সালাতুল জুমা‘র আলোচনা রাখেন। মক্রবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পথসভা এবং গণসংযোগ করেন।
নির্বাচনী পথসভায় মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই নির্বাচনী ঐক্যবদ্ধতা এদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যারা রাষ্ট্রের কর্তা , এমপি, মন্ত্রী হবেন তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চায়। জনগণের অর্থ জনগনের মাঝে সঠিকভাবে সুষমভাবে বন্টন করতে চায়। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা ও দূর্নীতি সবকিছু বাংলাদেশ থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে চায়। লালমাই এবং নাঙ্গলকোটের ৪৮৭ গ্রামের প্রতিটি গ্রামে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। দু‘টি উপজেলার ১১৮ টি বাজারের প্রত্যেকটি বাজারে গিয়েছি। যেখানে গিয়েছি জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। জনগণ বলেছে, আমরা এ পর্যন্ত বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছে। এবার ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন বলে তারা আশ্বাস প্রদান করেছে।