নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের পেরিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চাঁন্দপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়ি সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে আব্দুল মান্নান নামে এক ট্রাক চালকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এক নারী সড়কের পাশে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে পাশ্ববর্তী চাঁন্দপুর দিঘিরপাড় বাজার-সহ আশপাশের লোকজন এসে মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করে। নিহত আব্দুল মান্নানের বাড়ি একই উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের তুলাগাঁও গ্রামে হলেও তিনি পেরিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চাঁন্দপুর গ্রামের চতলিয়া পাড়ার আব্দুল মতিন মিস্ত্রির বড় মেয়ে রোকেয়া বেগমকে বিয়ে করে ঘরজামাই থাকতেন। আব্দুল মান্নান তুলাগাঁও গ্রামের মরহুম মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের মিম ও মাহি নামে ২ কিশোরী কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী রোকেয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী চট্টগ্রামে ট্রাক চালক হিসেবে চাকুরী করেন। আজ সকালে আমাকে ফোন করে জানায় তিনি বাড়িতে আসছেন। সর্বশেষ বিকাল ৪টায় পুনরায় ফোন করে বলে আমি কাছাকাছি চলে এসেছি, বাড়িতে এসে ভাত খাবো রেডি কর। এরপর আর কথা হয়নি। পরে সন্ধ্যায় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি তার লাশ পড়ে আছে রাস্তার পাশে।
প্রত্যক্ষদর্শী পূর্ব চাঁন্দপুর সরকারি আবাসনের বাসিন্দা নাছিমা বেগম বলেন, আমি দেখেছি ৩ জন পুরুষ ও ১জন নারী ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা থেকে লোকটিকে ফেলে দিয়ে দ্রুত পশ্চিম দিকে চলে যায়।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের পেরিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চাঁন্দপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়ি সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে আব্দুল মান্নান নামে এক ট্রাক চালকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এক নারী সড়কের পাশে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে পাশ্ববর্তী চাঁন্দপুর দিঘিরপাড় বাজার-সহ আশপাশের লোকজন এসে মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করে। নিহত আব্দুল মান্নানের বাড়ি একই উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের তুলাগাঁও গ্রামে হলেও তিনি পেরিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চাঁন্দপুর গ্রামের চতলিয়া পাড়ার আব্দুল মতিন মিস্ত্রির বড় মেয়ে রোকেয়া বেগমকে বিয়ে করে ঘরজামাই থাকতেন। আব্দুল মান্নান তুলাগাঁও গ্রামের মরহুম মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের মিম ও মাহি নামে ২ কিশোরী কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী রোকেয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী চট্টগ্রামে ট্রাক চালক হিসেবে চাকুরী করেন। আজ সকালে আমাকে ফোন করে জানায় তিনি বাড়িতে আসছেন। সর্বশেষ বিকাল ৪টায় পুনরায় ফোন করে বলে আমি কাছাকাছি চলে এসেছি, বাড়িতে এসে ভাত খাবো রেডি কর। এরপর আর কথা হয়নি। পরে সন্ধ্যায় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি তার লাশ পড়ে আছে রাস্তার পাশে।
প্রত্যক্ষদর্শী পূর্ব চাঁন্দপুর সরকারি আবাসনের বাসিন্দা নাছিমা বেগম বলেন, আমি দেখেছি ৩ জন পুরুষ ও ১জন নারী ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা থেকে লোকটিকে ফেলে দিয়ে দ্রুত পশ্চিম দিকে চলে যায়।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।