• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> সদর দক্ষিণ

৩৬ কোটি টাকার শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ১১
আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ১৪
logo

৩৬ কোটি টাকার শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ১১
Photo

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের বেলতলী এলাকায় ৩৬ কোটি টাকার কুমিল্লা শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে। সেখানে কোনো ধরনের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে না। অযত্ন অবহেলায় হাসপাতালটি পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে হাসপাতালটি চালু করতে হবে। কুমিল্লা বড় জেলা। এখানে জনসংখ্যা ও ঘনবসতি বেশি। রোগীর চাপও বেশি।

জানা গেছে, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের শয্যা ৪০টি। বিপরীতে প্রতিদিনই চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকে। রোগীর চাপ সামাল দিতে নির্মাণ করা হয় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল; কিন্তু ১০ মাস আগে নির্মাণ শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি। এমনকি কোনো দপ্তর ভবনটি বুঝেও নেয়নি।

কুমিল্লা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২০ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। সময় বাড়ানোর পর ২০২৪ সালের জুনে কাজ শেষ করে মেসার্স এম এন হুদা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।

কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, হাসপাতালের জন্য এখনো জনবল ঠিক হয়নি। আসবাব ও যন্ত্রপাতি কিছুই আসেনি। এ অবস্থায় এটি বুঝে নিলেও ফেলে রাখতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।’

আসবাব ও সরঞ্জামের বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের বলেন, নির্মাণকাজের সঙ্গে আসবাব বা সরঞ্জাম ধরা নেই। সেগুলোর জন্য আলাদা দরপত্র হবে পরবর্তী সময়ে।

মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় এই হাসপাতাল চালু হলে শুধু কুমিল্লা নয়, আশপাশের জেলাগুলোর মানুষও উপকৃত হবেন বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), কুমিল্লার সভাপতি অধ্যাপক নিখিল চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হলে অনেক আগেই হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হতে পারত; কিন্তু এখনো হাসপাতালটি হস্তান্তর না হওয়া দুঃখজনক। বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। এমন অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালটি চালু করা দরকার।

Thumbnail image

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের বেলতলী এলাকায় ৩৬ কোটি টাকার কুমিল্লা শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে। সেখানে কোনো ধরনের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে না। অযত্ন অবহেলায় হাসপাতালটি পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে হাসপাতালটি চালু করতে হবে। কুমিল্লা বড় জেলা। এখানে জনসংখ্যা ও ঘনবসতি বেশি। রোগীর চাপও বেশি।

জানা গেছে, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের শয্যা ৪০টি। বিপরীতে প্রতিদিনই চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকে। রোগীর চাপ সামাল দিতে নির্মাণ করা হয় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল; কিন্তু ১০ মাস আগে নির্মাণ শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি। এমনকি কোনো দপ্তর ভবনটি বুঝেও নেয়নি।

কুমিল্লা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২০ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। সময় বাড়ানোর পর ২০২৪ সালের জুনে কাজ শেষ করে মেসার্স এম এন হুদা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।

কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, হাসপাতালের জন্য এখনো জনবল ঠিক হয়নি। আসবাব ও যন্ত্রপাতি কিছুই আসেনি। এ অবস্থায় এটি বুঝে নিলেও ফেলে রাখতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।’

আসবাব ও সরঞ্জামের বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের বলেন, নির্মাণকাজের সঙ্গে আসবাব বা সরঞ্জাম ধরা নেই। সেগুলোর জন্য আলাদা দরপত্র হবে পরবর্তী সময়ে।

মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় এই হাসপাতাল চালু হলে শুধু কুমিল্লা নয়, আশপাশের জেলাগুলোর মানুষও উপকৃত হবেন বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), কুমিল্লার সভাপতি অধ্যাপক নিখিল চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হলে অনেক আগেই হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হতে পারত; কিন্তু এখনো হাসপাতালটি হস্তান্তর না হওয়া দুঃখজনক। বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। এমন অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালটি চালু করা দরকার।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বাঙ্গরা উপজেলায় ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

২

ধর্মমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিলের অনুদান পেল মুরাদনগরের ৪৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

৩

দাউদকান্দিতে ৯ আসামি গ্রেপ্তার

৪

বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ী হিরন মিয়া আর নেই

৫

চান্দিনায় প্রবাসীর ঘরে চুরি, স্বর্ণ লুট

সম্পর্কিত

বাঙ্গরা উপজেলায় ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

বাঙ্গরা উপজেলায় ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

৪ ঘণ্টা আগে
ধর্মমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিলের অনুদান পেল মুরাদনগরের ৪৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

ধর্মমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিলের অনুদান পেল মুরাদনগরের ৪৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

৪ ঘণ্টা আগে
দাউদকান্দিতে ৯ আসামি গ্রেপ্তার

দাউদকান্দিতে ৯ আসামি গ্রেপ্তার

৫ ঘণ্টা আগে
বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ী হিরন মিয়া আর নেই

বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ী হিরন মিয়া আর নেই

৫ ঘণ্টা আগে