তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছেন গ্রাহকরা। দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাসের চাপ কম থাকায় রান্নাবান্নাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গ্যাস না থাকায় বিকল্পভাবে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে গ্রাহকদের। তবে অবৈধ সংযোগ, নিম্নমানের পাইপ ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন স্থানে লিকেজ থাকায় অধিকাংশ গ্রাহক কাঙ্ক্ষিত চাপের গ্যাস পাচ্ছেন না বলে দাবি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার জিয়ারকান্দি থেকে আকালিয়া পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ও বাতাকান্দি থেকে মাছিমপুর পর্যন্ত ৪ কিলোমিটারসহ ১৪ কিলোমিটার গ্যাস সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এ লাইনের আওতায় বৈধ গ্রাহক প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন। গৌরিপুর-তিতাস-হোমনা পর্যন্ত ৭.২ মিলিয়ন কিউবিক ফিট পাইপ লাইন দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বাতাকান্দি থেকে মাছিমপুর পর্যন্ত লাইনটি পাইপ এর চেয়ে ছোট।
বাতাকান্দি ও কড়িকান্দি বাজারের একাধিক গ্রাহক জানান, এলাকার যেসব গ্রাহক বৈধ রয়েছে; তার চেয়ে বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, জিয়ারকান্দি, দড়িকান্দি, কড়িকান্দি, গাজীপুর, বাতাকান্দি বাজারসহ উত্তর ও দক্ষিণ আকালিয়া এবং কালাইগোবিন্দপুর এলাকায় অনেক অবৈধ লাইন রয়েছে। এইসব কারণে প্রকৃত গ্রাহক গ্যাস কম পাচ্ছে। অনেকের ভাষ্য, এই অভিযোগের সাথে গ্যাস লাইন সংক্রান্ত ব্যক্তিরা জড়িত।
বাতাকান্দি বাজারের ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, আগে একটা একতলা বিল্ডিং ছিল, সেখানে দুই চুলার একটি লাইন ছিল। সেই বিল্ডিং এখন পাঁচতলা ভবন হয়েছে। নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ। ওই ভবনের সবকক্ষে গ্যাস চলে কীভাবে?
কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের গৃহিণী রিয়া আক্তার বলেন, সকালে রান্না করতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাস না থাকার কারণে মাঝে মাঝে সিলিন্ডার দিয়ে রান্না করতে হয়।
জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. বিল্লাল মোল্লা জানান, আমাদের এখানে গ্যাস থাকে না বললেই চলে। দুপুরে পর ও বিকেলে কিছুটা গ্যাস পাওয়া যায় তবে বাকি সময় গ্যাস থাকে না, থাকলে অল্প অল্প যা দিয়ে রান্না কোনোভাবে সম্ভব হয় না। আমার এলাকার অনেকে গ্যাস সংযোগ থাকা সত্ত্বেও সিলিন্ডার বা মাটির চুলায় রান্না করতে হচ্ছে।
মাছিমপুর গ্রামের মিডিয়াকর্মী মো. জুয়েল রানা জানান, ১২ বছর যাবত আমাদের মাছিমপুর গ্রামে গ্যাসের সমস্যা চলছে। আমরা একাধিকবার গৌরীপুর আঞ্চলিক অফিসে বিষয়টি অবগত করেছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। ভোরে ফজরের ওয়াক্তে এক ঘণ্টা এবং রাত ১০টার পর একঘণ্টা গ্যাস স্বাভাবিক থাকে। তবে সারাদিন আমাদের এলাকায় কোনো গ্যাস থাকে না। অথচ মাস নির্দিষ্ট হারে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের গৌরীপুর অঞ্চলের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী অম্নান কুমার দত্ত বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, নিম্নমানের পাইপ ব্যবহারে কারণে লিকেজের কারণে গ্যাস অপচয় হচ্ছে এই কারণে এই সংকট। তবে তিতাসের ওপর দিয়ে ঢাকায় ৪২ ইঞ্চি সঞ্চালনের যে লাইনটি যাচ্ছে সেখান থেকে অত্রাঞ্চলে বিতরণে একটি লাইন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের গ্যাস সংকট অনেকাংশে দূর হবে।

কুমিল্লার তিতাসে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছেন গ্রাহকরা। দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাসের চাপ কম থাকায় রান্নাবান্নাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গ্যাস না থাকায় বিকল্পভাবে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে গ্রাহকদের। তবে অবৈধ সংযোগ, নিম্নমানের পাইপ ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন স্থানে লিকেজ থাকায় অধিকাংশ গ্রাহক কাঙ্ক্ষিত চাপের গ্যাস পাচ্ছেন না বলে দাবি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার জিয়ারকান্দি থেকে আকালিয়া পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ও বাতাকান্দি থেকে মাছিমপুর পর্যন্ত ৪ কিলোমিটারসহ ১৪ কিলোমিটার গ্যাস সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এ লাইনের আওতায় বৈধ গ্রাহক প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন। গৌরিপুর-তিতাস-হোমনা পর্যন্ত ৭.২ মিলিয়ন কিউবিক ফিট পাইপ লাইন দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বাতাকান্দি থেকে মাছিমপুর পর্যন্ত লাইনটি পাইপ এর চেয়ে ছোট।
বাতাকান্দি ও কড়িকান্দি বাজারের একাধিক গ্রাহক জানান, এলাকার যেসব গ্রাহক বৈধ রয়েছে; তার চেয়ে বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, জিয়ারকান্দি, দড়িকান্দি, কড়িকান্দি, গাজীপুর, বাতাকান্দি বাজারসহ উত্তর ও দক্ষিণ আকালিয়া এবং কালাইগোবিন্দপুর এলাকায় অনেক অবৈধ লাইন রয়েছে। এইসব কারণে প্রকৃত গ্রাহক গ্যাস কম পাচ্ছে। অনেকের ভাষ্য, এই অভিযোগের সাথে গ্যাস লাইন সংক্রান্ত ব্যক্তিরা জড়িত।
বাতাকান্দি বাজারের ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, আগে একটা একতলা বিল্ডিং ছিল, সেখানে দুই চুলার একটি লাইন ছিল। সেই বিল্ডিং এখন পাঁচতলা ভবন হয়েছে। নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ। ওই ভবনের সবকক্ষে গ্যাস চলে কীভাবে?
কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের গৃহিণী রিয়া আক্তার বলেন, সকালে রান্না করতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাস না থাকার কারণে মাঝে মাঝে সিলিন্ডার দিয়ে রান্না করতে হয়।
জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. বিল্লাল মোল্লা জানান, আমাদের এখানে গ্যাস থাকে না বললেই চলে। দুপুরে পর ও বিকেলে কিছুটা গ্যাস পাওয়া যায় তবে বাকি সময় গ্যাস থাকে না, থাকলে অল্প অল্প যা দিয়ে রান্না কোনোভাবে সম্ভব হয় না। আমার এলাকার অনেকে গ্যাস সংযোগ থাকা সত্ত্বেও সিলিন্ডার বা মাটির চুলায় রান্না করতে হচ্ছে।
মাছিমপুর গ্রামের মিডিয়াকর্মী মো. জুয়েল রানা জানান, ১২ বছর যাবত আমাদের মাছিমপুর গ্রামে গ্যাসের সমস্যা চলছে। আমরা একাধিকবার গৌরীপুর আঞ্চলিক অফিসে বিষয়টি অবগত করেছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। ভোরে ফজরের ওয়াক্তে এক ঘণ্টা এবং রাত ১০টার পর একঘণ্টা গ্যাস স্বাভাবিক থাকে। তবে সারাদিন আমাদের এলাকায় কোনো গ্যাস থাকে না। অথচ মাস নির্দিষ্ট হারে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের গৌরীপুর অঞ্চলের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী অম্নান কুমার দত্ত বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, নিম্নমানের পাইপ ব্যবহারে কারণে লিকেজের কারণে গ্যাস অপচয় হচ্ছে এই কারণে এই সংকট। তবে তিতাসের ওপর দিয়ে ঢাকায় ৪২ ইঞ্চি সঞ্চালনের যে লাইনটি যাচ্ছে সেখান থেকে অত্রাঞ্চলে বিতরণে একটি লাইন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের গ্যাস সংকট অনেকাংশে দূর হবে।