চর নিয়ে সংঘর্ষ
তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসের চরভাটেরা ও মেঘনার আলীপুর গ্রামবাসীর মধ্যে ফের চর দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন গৃহিণীর টেঁটাবিদ্ধ লাশ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০জন আহত হয়েছেন। আহত অধিকাংশ ব্যক্তি টেঁটাবিদ্ধ। নিহত নারী মেঘনার আলীপুর গ্রামের ট্রলার চালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৩৫)।
স্থানীয় ও উভয় থানা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার দুপুরে তিতাসের চরভাটেরা গ্রামের প্রবাসী মো. শাহবাজ ও মজনু মিয়া ব্যক্তিগত কাজে মেঘনা উপজেলা গেলে সেখানে চর বিনতপুর আলী আকবর ও তার লোকজন তাদের মারধর করে আটকিয়ে রাখে। বিষয়টি জানার পর মেঘনা নদীর এপারের তিতাসের চরভাটেরার লোকজন সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ ঘটনার জের ধরে বিকেলে মেঘনার আলীপুর ও চর বিনতপুর গ্রামের লোকজনের সঙ্গে তিতাসের চরভাটেরাবাসীর টেঁটাযুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০জন আহত হন। এদের মধ্যে তিতাসের ১৫জন এবং মেঘনার ২৫জন রয়েছেন। চরভাটেরার আহতদের তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং আলীপুর ও বিনতপুরের আহতদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিনতপুর গ্রামের স্বপন (২৭) ও সাগর (৪০ এবং চরভাটেরা গ্রামের জসিম উদ্দিনকে (৩৫) জরুরি অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পরপর আলীপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে টেঁটাবিদ্ধ একজন নারীর ভাসমান লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন নিশ্চিত হয় এটি আলীপুর গ্রামের ট্রলার চালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক জানান, ঘটনার পরপর তিতাস থানা থেকে ২৫জন পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার পর তিতাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। আর যেন কোন অঘটন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, মেঘনার নদীর এক পারে তিতাস উপজেলা এবং অন্যপারে মেঘনা উপজেলা। তিতাসের মানচিত্র অনুযায়ী মেঘনার নদীর ওপারে তিতাসের কিছু অংশ এবং তিতাসের এ অংশে মেঘনার উপজেলার কিছু অংশ রয়েছে। এইগুলো মূলত চর। এই চর নিয়ে বছরের পর বছর দুই উপজেলাবাসীর মধ্যে দ্ব›দ্ব চলে আসছে। এর আগে গত ১৫ জুন উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইসময় দুই গ্রামের প্রায় ২০জন আহত হয়েছিল এবং বহু বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল।

কুমিল্লার তিতাসের চরভাটেরা ও মেঘনার আলীপুর গ্রামবাসীর মধ্যে ফের চর দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন গৃহিণীর টেঁটাবিদ্ধ লাশ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০জন আহত হয়েছেন। আহত অধিকাংশ ব্যক্তি টেঁটাবিদ্ধ। নিহত নারী মেঘনার আলীপুর গ্রামের ট্রলার চালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৩৫)।
স্থানীয় ও উভয় থানা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার দুপুরে তিতাসের চরভাটেরা গ্রামের প্রবাসী মো. শাহবাজ ও মজনু মিয়া ব্যক্তিগত কাজে মেঘনা উপজেলা গেলে সেখানে চর বিনতপুর আলী আকবর ও তার লোকজন তাদের মারধর করে আটকিয়ে রাখে। বিষয়টি জানার পর মেঘনা নদীর এপারের তিতাসের চরভাটেরার লোকজন সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ ঘটনার জের ধরে বিকেলে মেঘনার আলীপুর ও চর বিনতপুর গ্রামের লোকজনের সঙ্গে তিতাসের চরভাটেরাবাসীর টেঁটাযুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০জন আহত হন। এদের মধ্যে তিতাসের ১৫জন এবং মেঘনার ২৫জন রয়েছেন। চরভাটেরার আহতদের তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং আলীপুর ও বিনতপুরের আহতদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিনতপুর গ্রামের স্বপন (২৭) ও সাগর (৪০ এবং চরভাটেরা গ্রামের জসিম উদ্দিনকে (৩৫) জরুরি অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পরপর আলীপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে টেঁটাবিদ্ধ একজন নারীর ভাসমান লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন নিশ্চিত হয় এটি আলীপুর গ্রামের ট্রলার চালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক জানান, ঘটনার পরপর তিতাস থানা থেকে ২৫জন পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার পর তিতাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। আর যেন কোন অঘটন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, মেঘনার নদীর এক পারে তিতাস উপজেলা এবং অন্যপারে মেঘনা উপজেলা। তিতাসের মানচিত্র অনুযায়ী মেঘনার নদীর ওপারে তিতাসের কিছু অংশ এবং তিতাসের এ অংশে মেঘনার উপজেলার কিছু অংশ রয়েছে। এইগুলো মূলত চর। এই চর নিয়ে বছরের পর বছর দুই উপজেলাবাসীর মধ্যে দ্ব›দ্ব চলে আসছে। এর আগে গত ১৫ জুন উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইসময় দুই গ্রামের প্রায় ২০জন আহত হয়েছিল এবং বহু বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল।