অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২০ এপ্রিল ২৪ ঘন্টায় আরো ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি ৩ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ১ হাজার ২৭০ শিশু। এদের মধ্যে ১১৪ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩৮ জনের শরীরে। মারা যাওয়া তিন শিশুর মধ্যে ঢাকায় ১ জন এবং ২ জন বরিশালের ছিল। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, সিলেট ও খুলনায় একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে হামে মোট ৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪০১ শিশু। গত বুধবার ঢাকায় ইউনিসেফ কার্যালয়ে ‘হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি ও চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম’ বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।
সংবাদ সম্মেলন প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী চলে। সেখানে টিকা সংকটের কারণ, টিকা সংকট কাটিয়ে উঠতে ইউনিসেফ কি করেছে এবং ভবিষ্যতে এ সংকট যাতে আর না হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, হামে এত শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। টিকা কেনায় বিলম্বের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, গত বছরের আগষ্টে বাংলাদেশ সফরকারী ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড চাইবানও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে টিকার সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। টিকার ঘাটতি বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব ডেকে আনতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সরকারকে বারবার চিঠি দেয়া হয়েছে এবং অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে জানানো হয়েছে যে এটি একটি গুরুতর সমস্যা এবং দ্রæত টিকার অর্ডার দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু সময়মত তা করা হয়নি।
রানা ফ্লাওয়ার্সের ভাষায়, টিকার অর্ডার দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণ অর্থের অভাব ছিল না। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়েছিল এবং বাজেটেও অর্থ ছিল। কিন্তু কিভাবে টিকা সংগ্রহ করা হবে সে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। গত দুই বছর দেশে টিকা সংকট ছিল কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ২০২৫ সালের আগষ্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ইউনিসেফের প্রি-ফিনান্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ১৭ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টিকা দেশে আনা হয়। তবে এটি ছিল মোট চাহিদার এক তৃতীয়াংশ। বছরে মোট টিকা সংগ্রহের বাজেট প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডলার। তিনি বলেন, ইউনিসেফ ২০২৪ সালেই টিকার সংকটের বিষয়ে সরকারকে সর্তক করেছিল। কারণ এ সংকট পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন রোগের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে হামের নির্দিষ্ট প্রাদুর্ভাবের পূর্বাভাস তারা দেয়নি। কারণ রোগের পূর্বাভাস সাধারণত বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা গবেষণা ও নজরদারির ভিত্তিতে দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগকে ইউনিসেফ স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, ২০২৪ এর আগষ্ট থেকে ২০২৬ এর ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত পাঁচ-ছয়টি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। নতুন সরকার দায়িত্বের আগেও সর্বশেষ চিঠি পাঠানো হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের হামের প্রাদুর্ভাব থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর ‘আফটার একশন রিভিউ’ অত্যন্ত জরুরী। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে প্রতিবছর পাঁচ লক্ষ শিশু টিকাদান কর্মসূচীর বাইরে থেকে যাচ্ছে। কেন এমন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
রানা ফ্লাওয়ার্স তার বক্তব্যে আরো বলেন, দেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে ৫৮টি জেলায় হাম ছড়িয়েছে। আক্রান্তদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজনের (৮০ শতাংশ) বয়স পাঁচ বছরের নিচে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকাদান ও বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে এক সপ্তাহ বিলম্ব হলে সংক্রমণ আটগুণ বেড়ে যেতে পারত। এ পর্যন্ত ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। এটি একটি বড় অর্জন। অনেক দেশে এত মানুষই নাই বলে উল্লেখ করেন রানা ফ্লাওয়ার্স। তিনি বলেন, হাম নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো (গ্যাভি, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্সের অর্থায়ন) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে। ইউনিসেফ বহু বছর ধরে বাংলাদেশকে টিকা সরবরাহ করে আসছে। ইউনিসেফ বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিকা আনে। টিকা শুধু আনলেই হবে না, কোল্ড চেন বজায় রেখে টিকা সংরক্ষণ, টিকা সরবরাহ করা গুরুত্বপূর্ণ। টিকা থেকে ইউনিসেফ কোন লাভ করে না। টিকার কোন টাকা ইউনিসেফ অফিসে আসে না। সাংবাদিকদের রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, সরকার চাইলে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা ক্রয় করতে পারে। মনে রাখতে হবে, টিকার মজুদ নিশ্চিত থাকা জরুরি। উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা সংগ্রহ করতে এক বছরের মত সময় লাগে। ফিলিপাইন উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা কিনতে চেয়েছিল, তাদের এক বছরের বেশি বিলম্ব হয়েছিল।
ইউনিসেফ বলেছে, টিকার ঘাটতির কারণে একটি প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে-এমন সতর্কবার্তা অন্তর্বতী সরকারকে দেয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়কে লেখা সংস্থাটির অন্তত পাঁচটি চিঠিতে সম্ভাব্য টিকার সংকটের কথা ছিল। তারা ১০ টি বৈঠকে সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে একই কথা জানিয়েছিল। ইউনিসেফ মনে করে অন্তর্বতী সরকার টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনায় দেশে সময়মত টিকা আসেনি। তবে টিকার জন্য বাজেট ছিল পর্যাপ্ত। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সারাবছর বিভিন্ন ধরনের টিকাদান শিশুরোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ কার্যকর।
অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২০ এপ্রিল ২৪ ঘন্টায় আরো ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি ৩ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ১ হাজার ২৭০ শিশু। এদের মধ্যে ১১৪ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩৮ জনের শরীরে। মারা যাওয়া তিন শিশুর মধ্যে ঢাকায় ১ জন এবং ২ জন বরিশালের ছিল। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, সিলেট ও খুলনায় একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে হামে মোট ৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪০১ শিশু। গত বুধবার ঢাকায় ইউনিসেফ কার্যালয়ে ‘হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি ও চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম’ বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।
সংবাদ সম্মেলন প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী চলে। সেখানে টিকা সংকটের কারণ, টিকা সংকট কাটিয়ে উঠতে ইউনিসেফ কি করেছে এবং ভবিষ্যতে এ সংকট যাতে আর না হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, হামে এত শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। টিকা কেনায় বিলম্বের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, গত বছরের আগষ্টে বাংলাদেশ সফরকারী ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড চাইবানও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে টিকার সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। টিকার ঘাটতি বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব ডেকে আনতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সরকারকে বারবার চিঠি দেয়া হয়েছে এবং অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে জানানো হয়েছে যে এটি একটি গুরুতর সমস্যা এবং দ্রæত টিকার অর্ডার দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু সময়মত তা করা হয়নি।
রানা ফ্লাওয়ার্সের ভাষায়, টিকার অর্ডার দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণ অর্থের অভাব ছিল না। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়েছিল এবং বাজেটেও অর্থ ছিল। কিন্তু কিভাবে টিকা সংগ্রহ করা হবে সে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। গত দুই বছর দেশে টিকা সংকট ছিল কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ২০২৫ সালের আগষ্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ইউনিসেফের প্রি-ফিনান্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ১৭ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টিকা দেশে আনা হয়। তবে এটি ছিল মোট চাহিদার এক তৃতীয়াংশ। বছরে মোট টিকা সংগ্রহের বাজেট প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডলার। তিনি বলেন, ইউনিসেফ ২০২৪ সালেই টিকার সংকটের বিষয়ে সরকারকে সর্তক করেছিল। কারণ এ সংকট পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন রোগের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে হামের নির্দিষ্ট প্রাদুর্ভাবের পূর্বাভাস তারা দেয়নি। কারণ রোগের পূর্বাভাস সাধারণত বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা গবেষণা ও নজরদারির ভিত্তিতে দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগকে ইউনিসেফ স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, ২০২৪ এর আগষ্ট থেকে ২০২৬ এর ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত পাঁচ-ছয়টি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। নতুন সরকার দায়িত্বের আগেও সর্বশেষ চিঠি পাঠানো হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের হামের প্রাদুর্ভাব থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর ‘আফটার একশন রিভিউ’ অত্যন্ত জরুরী। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে প্রতিবছর পাঁচ লক্ষ শিশু টিকাদান কর্মসূচীর বাইরে থেকে যাচ্ছে। কেন এমন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
রানা ফ্লাওয়ার্স তার বক্তব্যে আরো বলেন, দেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে ৫৮টি জেলায় হাম ছড়িয়েছে। আক্রান্তদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজনের (৮০ শতাংশ) বয়স পাঁচ বছরের নিচে। হাম অত্যন্ত সংক্রামক উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকাদান ও বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে এক সপ্তাহ বিলম্ব হলে সংক্রমণ আটগুণ বেড়ে যেতে পারত। এ পর্যন্ত ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। এটি একটি বড় অর্জন। অনেক দেশে এত মানুষই নাই বলে উল্লেখ করেন রানা ফ্লাওয়ার্স। তিনি বলেন, হাম নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো (গ্যাভি, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্সের অর্থায়ন) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে। ইউনিসেফ বহু বছর ধরে বাংলাদেশকে টিকা সরবরাহ করে আসছে। ইউনিসেফ বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিকা আনে। টিকা শুধু আনলেই হবে না, কোল্ড চেন বজায় রেখে টিকা সংরক্ষণ, টিকা সরবরাহ করা গুরুত্বপূর্ণ। টিকা থেকে ইউনিসেফ কোন লাভ করে না। টিকার কোন টাকা ইউনিসেফ অফিসে আসে না। সাংবাদিকদের রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, সরকার চাইলে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা ক্রয় করতে পারে। মনে রাখতে হবে, টিকার মজুদ নিশ্চিত থাকা জরুরি। উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা সংগ্রহ করতে এক বছরের মত সময় লাগে। ফিলিপাইন উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা কিনতে চেয়েছিল, তাদের এক বছরের বেশি বিলম্ব হয়েছিল।
ইউনিসেফ বলেছে, টিকার ঘাটতির কারণে একটি প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে-এমন সতর্কবার্তা অন্তর্বতী সরকারকে দেয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়কে লেখা সংস্থাটির অন্তত পাঁচটি চিঠিতে সম্ভাব্য টিকার সংকটের কথা ছিল। তারা ১০ টি বৈঠকে সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে একই কথা জানিয়েছিল। ইউনিসেফ মনে করে অন্তর্বতী সরকার টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনায় দেশে সময়মত টিকা আসেনি। তবে টিকার জন্য বাজেট ছিল পর্যাপ্ত। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সারাবছর বিভিন্ন ধরনের টিকাদান শিশুরোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ কার্যকর।
অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ