• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> মতামত

জেলার চেহারা বদলে যাচ্ছে

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২: ২২
logo

জেলার চেহারা বদলে যাচ্ছে

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২: ২২
Photo

ছোট নদী, রাস্তা আর জনপথ নিয়েই কুমিল্লা জেলার প্রকৃতির এক বিরাট অংশ গঠিত। নদীপথ বলতে দাউদকান্দি, তিতাস, মেঘনা ও হোমনার নদী, খাল ও বন্দর। আর বর্ষাকালে সামান্য কিছু দেবীদ্বার, মুরাদনগর ও ব্রাক্ষণপাড়ার কিছু নদী ও খালের প্রবাহ। তবে অপরিকল্পিত রাস্তা, দখল-দূষণ ও সময়মতো খনন না করায় এর বেশির ভাগ অংশ ভরাট হয়ে চরাঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

অনেক স্থানে চলছে চাষাবাদ এবং অনেক স্থানে হয়েছে স্থায়ীনিবাস। পদক্ষেপ না নিলে পাল্টে যাবে জেলার মানচিত্র। মেঘনা, গোমতী, তিতাস, ডাকাতিয়া, বুড়ি, কাকড়ি, সালদা ও কালাডুমুরই জেলার বিখ্যাত নদীসমূহ। মিয়াবাজার, সিদলাই, কুটি, রামচন্দ্রপুর, কোম্পানিগঞ্জ, দাউদকান্দি, হোমনা, বাতাকান্দি নদীবন্দর আছে কোনোরকম বা বন্ধ হওয়ার পথে। এই বন্দরগুলো থেকে একসময় লঞ্চ, নৌকা দেশ বিদেশে চলাচল করত। শুধু মেঘনা ছাড়া এখন এসব নদী থাকে পানিশূন্য। নদীতে পানি না থাকায় দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও বেকার। নদী মরে যাওয়ায় কৃষিতেও সেচ কাজ জোরালোভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গোমতী, তিতাস, কাকড়ি, বুড়ি ও ডাকাতিয়ার বুকজুড়ে ধান, শাকসবজি চাষ হচ্ছে থোকায় থোকায়। আবার এসব জায়গায় পাল্লা দিয়ে চলছে মাটি ও বালুর রমরমা ব্যবসা। কালাডুমুর একসময় দাউদকান্দির জনপথের প্রধান নদীপথ ছিল, যা দিয়ে এলাকাবাসী যাতায়াত করত আত্মীয়ের বাড়িতে, নাইয়র যাইত বাপ-মা ভাইবোনদের দেখতে।

এখন তা সুদিনকালে প্রায় অচল। তিতাস নদীটি বিভিন্ন স্থানে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। ডাকাতিয়া কোতোয়ালির বর্ডার এলাকা থেকে লাকসাম, হাজীগঞ্জ হয়ে চাঁদপুরে মেঘনায় পতিত। বিভিন্ন জনপদের বর্জ্য ও কারখানার আবর্জনায় তা সকল জনগণের জন্য একটি অপ্রতুল পানির ভাগাড়ে পরিণত। বুড়িনদীর অস্তিত্ব প্রায় নদীখেকোরা দেবীদ্বার ও মুরাদনগরের অংশে নিশ্চিহ্ন করার পথে। একসময় এ নদী ছিল বিখ্যাত নৌবন্দর রামচন্দ্রপুরে যাওয়ার একমাত্র ভরসা। কাকড়ী নদীটি দখলে দূষণে চৌদ্দগ্রামের জনসংকটে রূপান্তরিত। সালদার ভারতীয় অংশে বাঁধের কারণে বর্ষাতে পরিমিত পানি মিলছে না ব্রাক্ষণপাড়ার লোকজনের কপালে। গোমতী নদীটি বিবিরবাজার বর্ডার থেকে কোতোয়ালি, বুড়িচং, দেবীদ্বার, মুরাদনগর, বৃহত্তর দাউদকান্দি হয়ে মেঘনায় মিশেছে। একসময় ত্রিপুরার সঙ্গে কুমিল্লার যোগাযোগের মাধ্যম ছিল এ গোমতী।

কুমিল্লা অংশের রাজগঞ্জে যা এখন শুভপুর নামে চিহ্নিত, এখানে ছিল নদীবন্দর। লঞ্চে চড়ে এ শুভপুর ও আগরতলায় লঞ্চ সার্ভিস ছিল। এখন প্রবাহিত গোমতীর ভারতীয় অংশে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় এ যোগাযোগ এখন ইচ্ছা করলেও সম্ভব নয়। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে দাউদকান্দি থেকে একটি ইঞ্জিনবোট ত্রিপুরার সোনামুড়া বন্দরে রওয়ানা হয়ে ১১টি স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হয় যা উতরিয়ে শেষ পর্যন্ত ইঞ্জিনবোটটি সিমেন্ট নিয়ে সোনামুড়ায় পৌঁছে। সোনামুড়া না গেলেও ইট, সিমেন্ট, বালু, সিলেট সেন্ড ও পাথর কুচি কুমিল্লা আনতেও এ পথটি খোলা যেতে পাড়ে।

নদীর দুধারে মাটি কেটে মাটিখেকোরা ভূমিকে এবড়োথেবড়ো আকৃতি দেয়ার ফলে আসল নদী কোনটি তা বুঝে উঠা মুশকিল। তাই অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ করে জনবান্ধব কৃষিকাজ চালু করে নদীর সৌন্দর্য ও উৎপাদন বর্ধিত করা হোক। পুরাতন গোমতীটি এখন শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত একটি হ্রদ। দুটি ওয়াকওয়ে করে নয়নাভিরাম বৃক্ষরাজি সন্নিবেশিত করে নগরীর লোকজনের জন্য বুকভরা বিশুদ্ধ বাতাসের ব্যবস্থা করা যায়। দেশের বৃহত্তম জনপথ ঢাকা অংশ থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে কুমিল্লা অংশে প্রত্যেকটি বাজার ও জনবহুল অংশে আবর্জনা ও ময়লার ভাগাড় বিশেষ করে নিমসার অংশে রাস্তার পাশে বাজারের সমস্ত আবর্জনা ও বর্জ্য ফেলে রেখেছে যা জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার জন্য হুমকি।

প্রত্যেকটি উপজেলা কুমিল্লার সঙ্গে সড়ক ও জনপথের রাস্তা দিয়ে সংযুক্ত। প্রত্যেকটি রাস্তার বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রাস্তার দুপাশে আবর্জনার ভাগাড়। প্রত্যেকটি বাজার কমিটি ও পৌরসভার ভাগাড় বা ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো ভূমি না থাকায় তা রাস্তায় পরিবেশিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও সড়ক জনপথ বিভাগ থেকে প্রত্যেকটি বাজার কমিটি বা পৌরসভাকে রাস্তার পাশ ছাড়া ভিন্ন একটি ভূমি নির্ধারণ করে দেয়া উচিত যেখানে আবর্জনা ও ময়লা জমা রাখবে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে সার উৎপাদনের প্রকল্প তৈরি করে তা সারাদেশে বাস্তবায়ন করে একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ তৈরি করা দেশের মানুষের প্রথম চাহিদা বলেই পরিবেশবিদগণ ও বিজ্ঞজনেরা মনে করেন।

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

Thumbnail image

ছোট নদী, রাস্তা আর জনপথ নিয়েই কুমিল্লা জেলার প্রকৃতির এক বিরাট অংশ গঠিত। নদীপথ বলতে দাউদকান্দি, তিতাস, মেঘনা ও হোমনার নদী, খাল ও বন্দর। আর বর্ষাকালে সামান্য কিছু দেবীদ্বার, মুরাদনগর ও ব্রাক্ষণপাড়ার কিছু নদী ও খালের প্রবাহ। তবে অপরিকল্পিত রাস্তা, দখল-দূষণ ও সময়মতো খনন না করায় এর বেশির ভাগ অংশ ভরাট হয়ে চরাঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

অনেক স্থানে চলছে চাষাবাদ এবং অনেক স্থানে হয়েছে স্থায়ীনিবাস। পদক্ষেপ না নিলে পাল্টে যাবে জেলার মানচিত্র। মেঘনা, গোমতী, তিতাস, ডাকাতিয়া, বুড়ি, কাকড়ি, সালদা ও কালাডুমুরই জেলার বিখ্যাত নদীসমূহ। মিয়াবাজার, সিদলাই, কুটি, রামচন্দ্রপুর, কোম্পানিগঞ্জ, দাউদকান্দি, হোমনা, বাতাকান্দি নদীবন্দর আছে কোনোরকম বা বন্ধ হওয়ার পথে। এই বন্দরগুলো থেকে একসময় লঞ্চ, নৌকা দেশ বিদেশে চলাচল করত। শুধু মেঘনা ছাড়া এখন এসব নদী থাকে পানিশূন্য। নদীতে পানি না থাকায় দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও বেকার। নদী মরে যাওয়ায় কৃষিতেও সেচ কাজ জোরালোভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গোমতী, তিতাস, কাকড়ি, বুড়ি ও ডাকাতিয়ার বুকজুড়ে ধান, শাকসবজি চাষ হচ্ছে থোকায় থোকায়। আবার এসব জায়গায় পাল্লা দিয়ে চলছে মাটি ও বালুর রমরমা ব্যবসা। কালাডুমুর একসময় দাউদকান্দির জনপথের প্রধান নদীপথ ছিল, যা দিয়ে এলাকাবাসী যাতায়াত করত আত্মীয়ের বাড়িতে, নাইয়র যাইত বাপ-মা ভাইবোনদের দেখতে।

এখন তা সুদিনকালে প্রায় অচল। তিতাস নদীটি বিভিন্ন স্থানে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। ডাকাতিয়া কোতোয়ালির বর্ডার এলাকা থেকে লাকসাম, হাজীগঞ্জ হয়ে চাঁদপুরে মেঘনায় পতিত। বিভিন্ন জনপদের বর্জ্য ও কারখানার আবর্জনায় তা সকল জনগণের জন্য একটি অপ্রতুল পানির ভাগাড়ে পরিণত। বুড়িনদীর অস্তিত্ব প্রায় নদীখেকোরা দেবীদ্বার ও মুরাদনগরের অংশে নিশ্চিহ্ন করার পথে। একসময় এ নদী ছিল বিখ্যাত নৌবন্দর রামচন্দ্রপুরে যাওয়ার একমাত্র ভরসা। কাকড়ী নদীটি দখলে দূষণে চৌদ্দগ্রামের জনসংকটে রূপান্তরিত। সালদার ভারতীয় অংশে বাঁধের কারণে বর্ষাতে পরিমিত পানি মিলছে না ব্রাক্ষণপাড়ার লোকজনের কপালে। গোমতী নদীটি বিবিরবাজার বর্ডার থেকে কোতোয়ালি, বুড়িচং, দেবীদ্বার, মুরাদনগর, বৃহত্তর দাউদকান্দি হয়ে মেঘনায় মিশেছে। একসময় ত্রিপুরার সঙ্গে কুমিল্লার যোগাযোগের মাধ্যম ছিল এ গোমতী।

কুমিল্লা অংশের রাজগঞ্জে যা এখন শুভপুর নামে চিহ্নিত, এখানে ছিল নদীবন্দর। লঞ্চে চড়ে এ শুভপুর ও আগরতলায় লঞ্চ সার্ভিস ছিল। এখন প্রবাহিত গোমতীর ভারতীয় অংশে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় এ যোগাযোগ এখন ইচ্ছা করলেও সম্ভব নয়। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে দাউদকান্দি থেকে একটি ইঞ্জিনবোট ত্রিপুরার সোনামুড়া বন্দরে রওয়ানা হয়ে ১১টি স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হয় যা উতরিয়ে শেষ পর্যন্ত ইঞ্জিনবোটটি সিমেন্ট নিয়ে সোনামুড়ায় পৌঁছে। সোনামুড়া না গেলেও ইট, সিমেন্ট, বালু, সিলেট সেন্ড ও পাথর কুচি কুমিল্লা আনতেও এ পথটি খোলা যেতে পাড়ে।

নদীর দুধারে মাটি কেটে মাটিখেকোরা ভূমিকে এবড়োথেবড়ো আকৃতি দেয়ার ফলে আসল নদী কোনটি তা বুঝে উঠা মুশকিল। তাই অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ করে জনবান্ধব কৃষিকাজ চালু করে নদীর সৌন্দর্য ও উৎপাদন বর্ধিত করা হোক। পুরাতন গোমতীটি এখন শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত একটি হ্রদ। দুটি ওয়াকওয়ে করে নয়নাভিরাম বৃক্ষরাজি সন্নিবেশিত করে নগরীর লোকজনের জন্য বুকভরা বিশুদ্ধ বাতাসের ব্যবস্থা করা যায়। দেশের বৃহত্তম জনপথ ঢাকা অংশ থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে কুমিল্লা অংশে প্রত্যেকটি বাজার ও জনবহুল অংশে আবর্জনা ও ময়লার ভাগাড় বিশেষ করে নিমসার অংশে রাস্তার পাশে বাজারের সমস্ত আবর্জনা ও বর্জ্য ফেলে রেখেছে যা জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার জন্য হুমকি।

প্রত্যেকটি উপজেলা কুমিল্লার সঙ্গে সড়ক ও জনপথের রাস্তা দিয়ে সংযুক্ত। প্রত্যেকটি রাস্তার বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রাস্তার দুপাশে আবর্জনার ভাগাড়। প্রত্যেকটি বাজার কমিটি ও পৌরসভার ভাগাড় বা ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো ভূমি না থাকায় তা রাস্তায় পরিবেশিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও সড়ক জনপথ বিভাগ থেকে প্রত্যেকটি বাজার কমিটি বা পৌরসভাকে রাস্তার পাশ ছাড়া ভিন্ন একটি ভূমি নির্ধারণ করে দেয়া উচিত যেখানে আবর্জনা ও ময়লা জমা রাখবে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে সার উৎপাদনের প্রকল্প তৈরি করে তা সারাদেশে বাস্তবায়ন করে একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ তৈরি করা দেশের মানুষের প্রথম চাহিদা বলেই পরিবেশবিদগণ ও বিজ্ঞজনেরা মনে করেন।

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

জেলার চেহারা বদলে যাচ্ছে

২

দেশে বনভূমির প্রয়োজনীয়তা

৩

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬: ভিন্ন পরিস্থিতিতে কাক্সিক্ষত ফলাফল নিশ্চিতে শিক্ষার্থীদের করণীয়

৪

প্রেমময় নিঃস্বার্থ নির্মল বন্ধুত্ব অমলিন, মায়া মমতা ভালোবাসায় বেঁচে থাক চিরদিন

৫

মিথ্যা, মাদক, বেয়াদবি ও না বুঝে মুখস্থ করাকে ‘না’ বলি

সম্পর্কিত

দেশে বনভূমির প্রয়োজনীয়তা

দেশে বনভূমির প্রয়োজনীয়তা

১২ দিন আগে
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬: ভিন্ন পরিস্থিতিতে কাক্সিক্ষত ফলাফল নিশ্চিতে শিক্ষার্থীদের করণীয়

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬: ভিন্ন পরিস্থিতিতে কাক্সিক্ষত ফলাফল নিশ্চিতে শিক্ষার্থীদের করণীয়

১৪ দিন আগে
প্রেমময় নিঃস্বার্থ নির্মল বন্ধুত্ব অমলিন, 
মায়া মমতা ভালোবাসায় বেঁচে থাক চিরদিন

প্রেমময় নিঃস্বার্থ নির্মল বন্ধুত্ব অমলিন, মায়া মমতা ভালোবাসায় বেঁচে থাক চিরদিন

১৯ দিন আগে
মিথ্যা, মাদক, বেয়াদবি ও না বুঝে মুখস্থ করাকে ‘না’ বলি

মিথ্যা, মাদক, বেয়াদবি ও না বুঝে মুখস্থ করাকে ‘না’ বলি

১৫ জুন ২০২৬