• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> মতামত

শিশু অধিকার বাস্তবায়ন করুন

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ০০
logo

শিশু অধিকার বাস্তবায়ন করুন

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ০০
Photo

কোমলমতি শিশুদের জন্য যেখানে সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার কথা, সেখানে তাদের দিন কাটছে উল্টো ভয় ও অজানা আতঙ্কে। দেশে প্রায় দিনই শিশু নিখোঁজের ঘটনা সামনে আসছে। আবার অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদান কর্মসূচীর অব্যবস্থাপনার মাশুল দিতে হচ্ছে ছোট শিশুদের। হামের প্রাদুর্ভাবে একের পর এক মা-বাবার কোল খালি হচ্ছে। সব মিলিয়ে শিশুদের নিরাপদ রাখাটাও এখন দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কন্যা শিশুদের প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্তের শিকার হতে হচ্ছে। আর অবুঝ শিশুরা ধর্ষনের শিকার হচ্ছে।

বস্তিগুলোতে কন্যা শিশুদের কোন সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে না। সেখানে কোন কন্যা শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে তাদের পরিবার তা ধামাচাপা দিতে চায়, এসব শিশুদের জন্য ভিকটিম সপোর্ট সেন্টারসহ বিভিন্ন এনজিও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করলেও বেশির ভাগ শিশুই দুই সপ্তাহের বেশি সেখানে থাকতে চায় না। তারা বাড়িতে চলে যেতে চায়। আর বাড়িতে গেলেই আসামিপক্ষের সঙ্গে আপোস হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে গৃহকর্মী বা ছোট কারখানায় কর্মরত শিশুরা এ ধরনের নির্যাতনের শিকার বেশি হয়। শিশুরা হচ্ছে ফুলের মত। ফুল যেভাবে সুরক্ষা করতে হয়, পানি দিয়ে যত্ন করতে হয়, এভাবে শিশুদেরও সুরক্ষা দিতে হবে। আমাদের দেশে শিশুবান্ধব বিচারকের অভাব আছে আর শিশু নির্যাতনের ব্যাপারে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না গেলে এসব নির্যাতনের ক্ষেত্রে সব আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে। ৬ই সেপ্টেম্বর পালিত হয়েছে শিশু অধিকার দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়েছেন।

এবার তিনদিনব্যাপী শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুর্বণজয়ন্তী উৎসব পালন করা হচ্ছে। নানা কর্মসূচী ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জনের এখনও সন্ধান মেলেনি। এ সময়ে নিখোর্জ ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয় বা পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয় হয়েছে। কিন্তু নিখোঁজ শিশুদের ১৩ শতাংশের সন্ধান এখনো মেলেনি। পুলিশের তথ্য, জানুয়ারী থেকে জুলাই পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছরের শিশু নিখোঁজের বিষয়ে ৪৭৪টি জিডি হয়েছে। এদের মধ্যে ৪০৬ জন উদ্ধার ও ৬৮ জন এখনও নিখোঁজ। আর ১০ থেকে ১৭ বছরের শিশু নিখোঁজ জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩ টি। এদের মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। এখনো উদ্ধার হয়নি ১ হাজার ৯৭০ জন।

পুলিশের ভাষ্যে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের নিখোঁজ হওয়ার পিছনে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জায় ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীন জীবনযাপনের আকাঙ্খা, পরিবার থেকে অর্থ আদায়ের কৌশল, পারিবারিক কলহ অন্যতম কারণ। আইন ও শালিশ কেন্দ্রের তথ্যে চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে আগষ্ট পর্যন্ত আট মাসে মোট ৩২৯ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। এদের মধ্যে ৫২ টি ছেলে শিশু আর কন্যা শিশু ২৭৭ জন। ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, গৃহকর্মী নির্যাতন, আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন কারণে মোট ২৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে ৫৩ শিশুকে শিক্ষক নির্যাতন করে। ৩৮ শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়। শারীরিক সহিংসতার শিকার ৩৫ শিশু। ২৪ জন শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ৩৬ জন নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ছোট ছোট শিশুরা কোথাও নির্যাতিত হলে তারা অভিভাবকদের সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়।

এজন্য যখন কোন শিশু বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয় তখন তারা ঘটনাটি বলে দিতে পারে এ আশংকায় অপরাধীরা তাদের মেরে ফেলে। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তিরা শিশুদের ওপর বিকৃত যৌন নির্যাতন চালায়। শিশুরা এখন ঘরে বাহিরে কোথাও নিরাপদ নয়। শিশু পর্নো দেখে সমাজে বিকৃত রুচি তৈরি হয়েছে। যার শিকার হচ্ছে অবলা শিশুরা।

এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, আমাদের সামনে এখনও শিশুশ্রম, সামাজিক সহিংসতা, বাল্যবিয়ে ও বৈষম্য বিদ্যমান। এসব সামাজিকব্যাধি দূরীকরণে সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ এখন জাতীয় জনগুরুত্ব সম্পন্ন ব্যাপার। সমাজ বিনির্মানে শিশুদের সার্বিক বিকাশ একান্ত প্রয়োজনীয়। গোটা দেশের শিশুদের নিরাপদ শৈশব, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সামাজের দায়িত্ব। তাদের মেধা, মনন ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে আগামীতে এ শিশুরাই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল করে তুলতে সক্ষম হবে। দেশ গড়ার কারিগর এ শিশুরাই।

জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ সমর্থনকারী হিসাবে শিশুর জীবনগড়া ও সুরক্ষাায় জাতি মনযোগী হতে হবে। তবে অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রকৃত উদ্যোগে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এ শিশুরাই। পথশিশু পূণর্বাসন, প্রতিবন্ধীদের মাঝে শিক্ষা সম্প্রসারণ, আর্থিক সহায়তা ও উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলাই সামাজিক দায়িত্ব। সুবিধাবঞ্চিত, সক্ষম অথবা প্রতিবন্ধী, প্রতিটি শিশুর সমান মর্যাদা ও সুযোগ দিয়ে সাবলীলভাবে সুনাগরিক গড়ে তুলাই আজকের চাহিদা।

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

Thumbnail image

কোমলমতি শিশুদের জন্য যেখানে সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার কথা, সেখানে তাদের দিন কাটছে উল্টো ভয় ও অজানা আতঙ্কে। দেশে প্রায় দিনই শিশু নিখোঁজের ঘটনা সামনে আসছে। আবার অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদান কর্মসূচীর অব্যবস্থাপনার মাশুল দিতে হচ্ছে ছোট শিশুদের। হামের প্রাদুর্ভাবে একের পর এক মা-বাবার কোল খালি হচ্ছে। সব মিলিয়ে শিশুদের নিরাপদ রাখাটাও এখন দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কন্যা শিশুদের প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্তের শিকার হতে হচ্ছে। আর অবুঝ শিশুরা ধর্ষনের শিকার হচ্ছে।

বস্তিগুলোতে কন্যা শিশুদের কোন সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে না। সেখানে কোন কন্যা শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে তাদের পরিবার তা ধামাচাপা দিতে চায়, এসব শিশুদের জন্য ভিকটিম সপোর্ট সেন্টারসহ বিভিন্ন এনজিও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করলেও বেশির ভাগ শিশুই দুই সপ্তাহের বেশি সেখানে থাকতে চায় না। তারা বাড়িতে চলে যেতে চায়। আর বাড়িতে গেলেই আসামিপক্ষের সঙ্গে আপোস হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে গৃহকর্মী বা ছোট কারখানায় কর্মরত শিশুরা এ ধরনের নির্যাতনের শিকার বেশি হয়। শিশুরা হচ্ছে ফুলের মত। ফুল যেভাবে সুরক্ষা করতে হয়, পানি দিয়ে যত্ন করতে হয়, এভাবে শিশুদেরও সুরক্ষা দিতে হবে। আমাদের দেশে শিশুবান্ধব বিচারকের অভাব আছে আর শিশু নির্যাতনের ব্যাপারে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না গেলে এসব নির্যাতনের ক্ষেত্রে সব আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে। ৬ই সেপ্টেম্বর পালিত হয়েছে শিশু অধিকার দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়েছেন।

এবার তিনদিনব্যাপী শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুর্বণজয়ন্তী উৎসব পালন করা হচ্ছে। নানা কর্মসূচী ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জনের এখনও সন্ধান মেলেনি। এ সময়ে নিখোর্জ ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয় বা পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয় হয়েছে। কিন্তু নিখোঁজ শিশুদের ১৩ শতাংশের সন্ধান এখনো মেলেনি। পুলিশের তথ্য, জানুয়ারী থেকে জুলাই পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছরের শিশু নিখোঁজের বিষয়ে ৪৭৪টি জিডি হয়েছে। এদের মধ্যে ৪০৬ জন উদ্ধার ও ৬৮ জন এখনও নিখোঁজ। আর ১০ থেকে ১৭ বছরের শিশু নিখোঁজ জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩ টি। এদের মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। এখনো উদ্ধার হয়নি ১ হাজার ৯৭০ জন।

পুলিশের ভাষ্যে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের নিখোঁজ হওয়ার পিছনে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জায় ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীন জীবনযাপনের আকাঙ্খা, পরিবার থেকে অর্থ আদায়ের কৌশল, পারিবারিক কলহ অন্যতম কারণ। আইন ও শালিশ কেন্দ্রের তথ্যে চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে আগষ্ট পর্যন্ত আট মাসে মোট ৩২৯ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। এদের মধ্যে ৫২ টি ছেলে শিশু আর কন্যা শিশু ২৭৭ জন। ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, গৃহকর্মী নির্যাতন, আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন কারণে মোট ২৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে ৫৩ শিশুকে শিক্ষক নির্যাতন করে। ৩৮ শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়। শারীরিক সহিংসতার শিকার ৩৫ শিশু। ২৪ জন শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ৩৬ জন নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ছোট ছোট শিশুরা কোথাও নির্যাতিত হলে তারা অভিভাবকদের সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়।

এজন্য যখন কোন শিশু বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয় তখন তারা ঘটনাটি বলে দিতে পারে এ আশংকায় অপরাধীরা তাদের মেরে ফেলে। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তিরা শিশুদের ওপর বিকৃত যৌন নির্যাতন চালায়। শিশুরা এখন ঘরে বাহিরে কোথাও নিরাপদ নয়। শিশু পর্নো দেখে সমাজে বিকৃত রুচি তৈরি হয়েছে। যার শিকার হচ্ছে অবলা শিশুরা।

এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, আমাদের সামনে এখনও শিশুশ্রম, সামাজিক সহিংসতা, বাল্যবিয়ে ও বৈষম্য বিদ্যমান। এসব সামাজিকব্যাধি দূরীকরণে সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ এখন জাতীয় জনগুরুত্ব সম্পন্ন ব্যাপার। সমাজ বিনির্মানে শিশুদের সার্বিক বিকাশ একান্ত প্রয়োজনীয়। গোটা দেশের শিশুদের নিরাপদ শৈশব, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সামাজের দায়িত্ব। তাদের মেধা, মনন ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে আগামীতে এ শিশুরাই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল করে তুলতে সক্ষম হবে। দেশ গড়ার কারিগর এ শিশুরাই।

জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ সমর্থনকারী হিসাবে শিশুর জীবনগড়া ও সুরক্ষাায় জাতি মনযোগী হতে হবে। তবে অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রকৃত উদ্যোগে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এ শিশুরাই। পথশিশু পূণর্বাসন, প্রতিবন্ধীদের মাঝে শিক্ষা সম্প্রসারণ, আর্থিক সহায়তা ও উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলাই সামাজিক দায়িত্ব। সুবিধাবঞ্চিত, সক্ষম অথবা প্রতিবন্ধী, প্রতিটি শিশুর সমান মর্যাদা ও সুযোগ দিয়ে সাবলীলভাবে সুনাগরিক গড়ে তুলাই আজকের চাহিদা।

অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ: সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

আশা আছে, ভালোবাসা আছে

২

তাজমিনের চলে যাওয়া, জেন জি এবং আমাদের অচেনা এক পৃথিবী

৩

মাঠ হারানো শহর, পথ হারানো কিশোর

৪

কুমিল্লার মাটি থেকে বিশ্বে: আখতার হামিদ খানের গ্রাম উন্নয়নের দর্শন

৫

শিশু অধিকার বাস্তবায়ন করুন

সম্পর্কিত

আশা আছে, ভালোবাসা আছে

আশা আছে, ভালোবাসা আছে

৩ ঘণ্টা আগে
তাজমিনের চলে যাওয়া, জেন জি এবং আমাদের অচেনা এক পৃথিবী

তাজমিনের চলে যাওয়া, জেন জি এবং আমাদের অচেনা এক পৃথিবী

১২ ঘণ্টা আগে
মাঠ হারানো শহর, পথ হারানো কিশোর

মাঠ হারানো শহর, পথ হারানো কিশোর

২ দিন আগে
কুমিল্লার মাটি থেকে বিশ্বে: আখতার হামিদ খানের গ্রাম উন্নয়নের দর্শন

কুমিল্লার মাটি থেকে বিশ্বে: আখতার হামিদ খানের গ্রাম উন্নয়নের দর্শন

৩ দিন আগে