• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> মতামত

অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

সম্পাদকীয়
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ৩৭
logo

অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

সম্পাদকীয়

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ৩৭
Photo

কোনো গুরুতর অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স সেবাটা অনেক সময় বড় একটা আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। রাজধানী থেকে শুরু করে বিভাগীয় শহরগুলোর বড় বড় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের গেইটগুলো অদৃশ্য দুর্গের মতো একদল অসাধু চক্রের দখলে। এই চক্রগুলো অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগী ও তাদের অসহায় পরিবারগুলোকে গলাকাটা ভাড়া, বিলম্বিত এবং নিম্নমানের সেবার মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে শোষণ করে আসছে। নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়হীনতা এবং সুস্পষ্ট নীতিমালার অভাবে গড়ে ওঠা এই ‘অ্যাম্বুলেন্স মাফিয়া’ চক্র একটি জীবনরক্ষাকারী সেবাকে এক শোষণমূলক ব্যবসায় পরিণত করেছে। প্রচলিত নিয়মে এ দেশে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য আলাদা কোনো লেন নেই। যান অনুযায়ী পৃথক লেনের ব্যবস্থা থাকলেও তা কোনো চালক মানেন না। ট্রাফিক পুলিশও হিমশিম খায় এত এত যানবাহন সামাল দিতে। তাই যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা খবরে পরিণত হওয়াকে বন্ধ করা যায় না। কিন্তু রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স যাত্রা শুরু করার আগেই যদি কেউ তা আটকে দেয় এবং রোগী মারা যায়, সেটা নিছক দুর্ঘটনা হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে যানজটে আটকে থাকা তো দূরের প্রশ্ন। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটে জড়িত দুইটি সমিতি, যেইগুলির নাম ‘বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি’ ও ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি’। প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের আশেপাশে থাকে তাদের শক্ত নেটওয়ার্ক। অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক হাসপাতালের কর্মী, প্রভাবশালী রাজনীতিক কিংবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এসব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে, স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সেবার মান নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারকে স্বাস্থ্যখাতে চলমান সকল অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমরা যদি সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চাই, তবে হাসপাতালগুলোর প্রবেশ মুখে ঘাঁটি গেড়ে বসা এই শোষণমূলক বাজার শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো বিকল্প নেই।

Thumbnail image

কোনো গুরুতর অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স সেবাটা অনেক সময় বড় একটা আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। রাজধানী থেকে শুরু করে বিভাগীয় শহরগুলোর বড় বড় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের গেইটগুলো অদৃশ্য দুর্গের মতো একদল অসাধু চক্রের দখলে। এই চক্রগুলো অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগী ও তাদের অসহায় পরিবারগুলোকে গলাকাটা ভাড়া, বিলম্বিত এবং নিম্নমানের সেবার মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে শোষণ করে আসছে। নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়হীনতা এবং সুস্পষ্ট নীতিমালার অভাবে গড়ে ওঠা এই ‘অ্যাম্বুলেন্স মাফিয়া’ চক্র একটি জীবনরক্ষাকারী সেবাকে এক শোষণমূলক ব্যবসায় পরিণত করেছে। প্রচলিত নিয়মে এ দেশে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য আলাদা কোনো লেন নেই। যান অনুযায়ী পৃথক লেনের ব্যবস্থা থাকলেও তা কোনো চালক মানেন না। ট্রাফিক পুলিশও হিমশিম খায় এত এত যানবাহন সামাল দিতে। তাই যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা খবরে পরিণত হওয়াকে বন্ধ করা যায় না। কিন্তু রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স যাত্রা শুরু করার আগেই যদি কেউ তা আটকে দেয় এবং রোগী মারা যায়, সেটা নিছক দুর্ঘটনা হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে যানজটে আটকে থাকা তো দূরের প্রশ্ন। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটে জড়িত দুইটি সমিতি, যেইগুলির নাম ‘বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি’ ও ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি’। প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের আশেপাশে থাকে তাদের শক্ত নেটওয়ার্ক। অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক হাসপাতালের কর্মী, প্রভাবশালী রাজনীতিক কিংবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এসব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে, স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সেবার মান নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারকে স্বাস্থ্যখাতে চলমান সকল অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমরা যদি সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চাই, তবে হাসপাতালগুলোর প্রবেশ মুখে ঘাঁটি গেড়ে বসা এই শোষণমূলক বাজার শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো বিকল্প নেই।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

উপমহাদেশের দলীয় রাজনীতির ১৪০ বছর

২

অভিভাবক হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলাম

৩

হাসপাতালই জীবাণুর বাসা

৪

পথে পথে চাঁদাবাজি- কঠোরভাবে দমন করতে হবে

৫

মানবসেবার এক দৃষ্টান্ত দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

সম্পর্কিত

উপমহাদেশের দলীয় রাজনীতির ১৪০ বছর

উপমহাদেশের দলীয় রাজনীতির ১৪০ বছর

৬ দিন আগে
অভিভাবক হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলাম

অভিভাবক হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলাম

১০ ডিসেম্বর ২০২৫
হাসপাতালই জীবাণুর বাসা

হাসপাতালই জীবাণুর বাসা

০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
পথে পথে চাঁদাবাজি-
কঠোরভাবে দমন করতে হবে

পথে পথে চাঁদাবাজি- কঠোরভাবে দমন করতে হবে

০৩ ডিসেম্বর ২০২৫