অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

বায়ুদূষণ, নদী ও জলাশয় দখল ও দূষণ, কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা, জলাবদ্ধতা, উপকূল সুরক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর, বনাঞ্চল রক্ষা, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং গণপরিবহনভিত্তিক উন্নয়নকে নির্বাচনী ইশতেহারের মূল অঙ্গীকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান পরিবেশকর্মীরা।
সংক্ষিপ্ত দাবিসমূহ ঃ
১। বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ : ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণখাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও দূষণমুক্ত সিমেন্ট উৎপাদন।
২। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : প্লাষ্টিকসহ বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার ও নিরাপদ নিষ্কাশন।
৩। তরল বর্জ্য ও জলাশয় দূষণ রোধ : শিল্পকারখানায় ইটিপি বাধ্যতামূলক ও নদীতে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলা বন্ধ।
৪। নদ-নদী দখল ও অবক্ষয় রোধ : বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেটের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত।
৫। জলাবদ্ধতা নিরসন : নদীপথ উন্মুক্ত ও সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা।
৬। উপকূল রক্ষা : পোল্ডার বাঁধকে অষ্টমাসী বাঁধে রূপান্তর ও পলিপতন পুনরুদ্ধার।
৭। ন্যায্য পানি হিস্যা : আন্তর্জাতিক আইন (জাতিসংঘ ১৯৯৭ সনদ) কার্যকর প্রয়োগ।
৮। তিস্তা রক্ষা : বিদেশি পরিকল্পনার পরিবর্তে দেশীয় ও টেকসই রূপরেখা বাস্তবায়ন।
৯। নবায়নযোগ্য জ্বালানি : কয়লার বদলে সৌরসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং রামপাল প্রকল্প গ্যাসে রূপান্তর।
১০। বনাঞ্চল সংরক্ষণ : বন উজাড় বন্ধ, বন পুনরুদ্ধার ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভূমি অধিকার নিশ্চিত।
১১। পরিকল্পিত নগরায়ন : জাতীয় ভৌত পরিকল্পনা ও ‘স্বস্থানে নগরায়ন’ মডেল বাস্তবায়ন। শুধু কুমিল্লা রিজিওনের জন্য পুরাতন গোমতির দুপার বাঁধাই করে ওয়াকওয়ে নির্মানের পর সবুজায়নের মাধ্যমে জনসাধারণের প্রাত ও বৈকালিক ভ্রমণের আয়োজন।
১২। যানজট নিরসন : ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন, রেল ও নৌপথ উন্নয়ন।
অধ্যাপক ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

বায়ুদূষণ, নদী ও জলাশয় দখল ও দূষণ, কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা, জলাবদ্ধতা, উপকূল সুরক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর, বনাঞ্চল রক্ষা, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং গণপরিবহনভিত্তিক উন্নয়নকে নির্বাচনী ইশতেহারের মূল অঙ্গীকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান পরিবেশকর্মীরা।
সংক্ষিপ্ত দাবিসমূহ ঃ
১। বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ : ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণখাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও দূষণমুক্ত সিমেন্ট উৎপাদন।
২। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : প্লাষ্টিকসহ বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার ও নিরাপদ নিষ্কাশন।
৩। তরল বর্জ্য ও জলাশয় দূষণ রোধ : শিল্পকারখানায় ইটিপি বাধ্যতামূলক ও নদীতে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলা বন্ধ।
৪। নদ-নদী দখল ও অবক্ষয় রোধ : বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেটের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত।
৫। জলাবদ্ধতা নিরসন : নদীপথ উন্মুক্ত ও সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা।
৬। উপকূল রক্ষা : পোল্ডার বাঁধকে অষ্টমাসী বাঁধে রূপান্তর ও পলিপতন পুনরুদ্ধার।
৭। ন্যায্য পানি হিস্যা : আন্তর্জাতিক আইন (জাতিসংঘ ১৯৯৭ সনদ) কার্যকর প্রয়োগ।
৮। তিস্তা রক্ষা : বিদেশি পরিকল্পনার পরিবর্তে দেশীয় ও টেকসই রূপরেখা বাস্তবায়ন।
৯। নবায়নযোগ্য জ্বালানি : কয়লার বদলে সৌরসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং রামপাল প্রকল্প গ্যাসে রূপান্তর।
১০। বনাঞ্চল সংরক্ষণ : বন উজাড় বন্ধ, বন পুনরুদ্ধার ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভূমি অধিকার নিশ্চিত।
১১। পরিকল্পিত নগরায়ন : জাতীয় ভৌত পরিকল্পনা ও ‘স্বস্থানে নগরায়ন’ মডেল বাস্তবায়ন। শুধু কুমিল্লা রিজিওনের জন্য পুরাতন গোমতির দুপার বাঁধাই করে ওয়াকওয়ে নির্মানের পর সবুজায়নের মাধ্যমে জনসাধারণের প্রাত ও বৈকালিক ভ্রমণের আয়োজন।
১২। যানজট নিরসন : ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন, রেল ও নৌপথ উন্নয়ন।
অধ্যাপক ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
সাবেক অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ