ড. কামরুন নাহার

কোনো একটা ঘটনা ঘটলেই যারা ভুক্তভোগীকে জুলাইয়ের সাথে যুক্ত করে গালিগালাজ করছেন, জুলাইয়ে যখন এমন নৃশংস গণহত্যা হচ্ছিল তখন তারা কী করছিলেন? কেন তখন চুপটি মেরে ছিলেন; কোন সুবিধা পাওয়ার আশায় আর কোন সুবিধা হারানোর আশঙ্কায়?
ওই সময় আওয়ামী সুবিধাপ্রাপ্ত এবং চাকরি হারানোর ভয় আছে এমন মানুষ ছাড়া কম-বেশি সকলেই কথা বলেছেন। আর এখন জুলাইয়ের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলা মানুষগুলোর বিরুদ্ধে আপনারা খুব যে মজা নিতে পারছে, কেন নিতে পারছেন জানেন? কারণ, সেই দিন আপনার কোনো স্বজন হারায়নি। 'স্বজন হারানোর বেদনা' আর ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’কে কেউ যখন কুক্ষিগত করে রেখে বাকিদের স্বজন হারানোর বেদনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে চায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারকদের যখন রাজাকার বানাতে চায়, তখনই মানুষ বলে 'স্বজন হারানোর বেদনা চু.দি.না', তখনই স্লোগান আসে, 'তুমি কে, আমি কে, রাজাকার, রাজাকার!'
অনেককে দেখলাম, জুলাইয়ে নাহিদা ম্যাডামের অবস্থান নিয়ে ট্রল করছে।
আমার খালি একটাই প্রশ্ন, ওইসময় কোনো বিবেকবান মানুষ কি চুপ করে থাকতে পেরেছিল?
ট্রল করা মানুষগুলোর উদ্দেশে বলছি,
ভাই/বোন
জুলাইয়ে এই গণহত্যার সময় আপনি কেন একটা কথাও বললেন না? আপনার স্বজন আর আপনার নেত্রীর স্বজনই কেবল স্বজন? আমাদের স্বজনদের কোনো দাম নাই?
এতগুলো মানুষের তাজা রক্তের উপর বসে আপনি যখন ৫০ বছর আগের স্বজন হারানোর বেদনার রেকর্ড বাজিয়ে আপনার কর্তৃক সংগঠিত গণহত্যাকে হালাল করতে যাবেন, তখন মানুষের কেন আপনার বেদনার প্রতি সমবেদনা থাকবে?
আর আপনারা যারা ম্যাডামের এমন দুঃসময়ে এই ধরনের মজা নিতে পারছেন, মনে রাখবেন 'এই দিন দিন নয়, আরও দিন আছে।'
পাপের শাস্তি যেমন শেখ হাসিনা পেয়েছে, এমন করে ক্ষমতার দাপট দেখানো সবাই এমন শান্তি পাবে- বাংলাদেশের অতীত ইতিহাস তা-ই বলে। আজ হোক, কাল হোক, নিশ্চিত পাবে!
তারপরও কামনা, আপনি যেন স্বজন হারানোর বেদনার ঊর্ধ্বে থাকেন।
আপনার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।
ড. কামরুন নাহার: সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কোনো একটা ঘটনা ঘটলেই যারা ভুক্তভোগীকে জুলাইয়ের সাথে যুক্ত করে গালিগালাজ করছেন, জুলাইয়ে যখন এমন নৃশংস গণহত্যা হচ্ছিল তখন তারা কী করছিলেন? কেন তখন চুপটি মেরে ছিলেন; কোন সুবিধা পাওয়ার আশায় আর কোন সুবিধা হারানোর আশঙ্কায়?
ওই সময় আওয়ামী সুবিধাপ্রাপ্ত এবং চাকরি হারানোর ভয় আছে এমন মানুষ ছাড়া কম-বেশি সকলেই কথা বলেছেন। আর এখন জুলাইয়ের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলা মানুষগুলোর বিরুদ্ধে আপনারা খুব যে মজা নিতে পারছে, কেন নিতে পারছেন জানেন? কারণ, সেই দিন আপনার কোনো স্বজন হারায়নি। 'স্বজন হারানোর বেদনা' আর ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’কে কেউ যখন কুক্ষিগত করে রেখে বাকিদের স্বজন হারানোর বেদনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে চায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারকদের যখন রাজাকার বানাতে চায়, তখনই মানুষ বলে 'স্বজন হারানোর বেদনা চু.দি.না', তখনই স্লোগান আসে, 'তুমি কে, আমি কে, রাজাকার, রাজাকার!'
অনেককে দেখলাম, জুলাইয়ে নাহিদা ম্যাডামের অবস্থান নিয়ে ট্রল করছে।
আমার খালি একটাই প্রশ্ন, ওইসময় কোনো বিবেকবান মানুষ কি চুপ করে থাকতে পেরেছিল?
ট্রল করা মানুষগুলোর উদ্দেশে বলছি,
ভাই/বোন
জুলাইয়ে এই গণহত্যার সময় আপনি কেন একটা কথাও বললেন না? আপনার স্বজন আর আপনার নেত্রীর স্বজনই কেবল স্বজন? আমাদের স্বজনদের কোনো দাম নাই?
এতগুলো মানুষের তাজা রক্তের উপর বসে আপনি যখন ৫০ বছর আগের স্বজন হারানোর বেদনার রেকর্ড বাজিয়ে আপনার কর্তৃক সংগঠিত গণহত্যাকে হালাল করতে যাবেন, তখন মানুষের কেন আপনার বেদনার প্রতি সমবেদনা থাকবে?
আর আপনারা যারা ম্যাডামের এমন দুঃসময়ে এই ধরনের মজা নিতে পারছেন, মনে রাখবেন 'এই দিন দিন নয়, আরও দিন আছে।'
পাপের শাস্তি যেমন শেখ হাসিনা পেয়েছে, এমন করে ক্ষমতার দাপট দেখানো সবাই এমন শান্তি পাবে- বাংলাদেশের অতীত ইতিহাস তা-ই বলে। আজ হোক, কাল হোক, নিশ্চিত পাবে!
তারপরও কামনা, আপনি যেন স্বজন হারানোর বেদনার ঊর্ধ্বে থাকেন।
আপনার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।
ড. কামরুন নাহার: সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়