প্রিয় বাংলাদেশের কোলে তারেক রহমান
লাখো লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত, ১৭ বছর পর রাজসিক প্রত্যাবর্তন, সব জল্পনা কল্পনার অবসান, লিডার এসেছে, ৩০০ ফিটে উড়েছে লাল সবুজের পতাকা, ৩০০ ফিটে বাসে করে গণসংবর্ধনায় অংশ নেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছয় হাজার ৩১৪ দিন পর দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমান থেকে অবতরণের পর হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় জুতা খুলে খালি পায়ে কিছুক্ষণ মাটিতে দাঁড়ান। সেখানে হাতে এক মুঠো মাটি নেন। এরপর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা লাল সবুজ রঙের বাসে করে পূর্বাচল ৩০০ ফিট ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যান। এই সময়ে সড়কের দুইপাশে লাখো লাখো জনতা তাঁকে অভিবাদন জানান। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি দেশে আসতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শোকরিয়া জ্ঞাপন করেন। প্রিয় বাংলাদেশ বলে বক্তৃতা শুরু করেন। তার আগমনকে ঐতিহাসিক করে তুলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। নিবার্সিত জীবন শেষে প্রিয় বাংলাদেশের কোলে তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশবাসী এক অভূতপূর্ব রাজসিক প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠান দেখেছে। দেশের সব পথ মিলিত হয়েছে ৩০০ ফিটে।
কুয়াশায় মোড়ানো পৌষের বিকেলে তিনি দেশবাসীর কাছে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, প্রিয় বাংলাদেশ। সবাই মিলে একটি নিরাপদ দেশ গড়ার সময় এসেছে।
এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এই দেশে একইভাবে সমতলের মানুষ আছে, এই দেশে মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, আমরা যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি, একজন মা দেখেন, অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তীতে ১৯৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট এ দেশের ছাত্রুজনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমতুনির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে সকল মানুষ সেদিন এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’
তিনি বলেন, ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। আজ ২৪ এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ওসমান হাদিসহ, ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে খুন-গুমের শিকার হয়েছেন, এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো- যেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করব, যেখানে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলবো।
তারেক রহমান বলেন, এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী ৪ কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য পাঁচ কোটির মতন শিশু, ৪০ লক্ষের মতন প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন, কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে। এই মানুষগুলোর একটি আকাঙ্ক্ষা আছে এই দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই। আজ আমরা যদি সকলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই- তাহলে আমরা এই লক্ষ কোটি মানুষের সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাআল্লাহ।
সংবর্ধনা মঞ্চে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ত্র্যানি।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা ৩৯ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। দুপুর ১২ টা ৩৫ মিনিটে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসে করে বরণ অনুষ্ঠানে যান। তাঁর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। গতকালের অনুষ্ঠানে ১০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছিল বলে বিএনপি জানিয়েছে।
এর আগে সকাল নয়টা ৫৬ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিমান পূণ্যভূমি সিলেটে এসে নামে। এরপর তিনি সিলেট হয়ে ঢাকায় আসেন। লন্ডন থেকে তিনি গত বুধবার রাত ১২ টা ২৩ মিনিটে বিমানে উঠেন।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি লন্ডনে রাজনৈতিক নির্বাচনে যান।

ছয় হাজার ৩১৪ দিন পর দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমান থেকে অবতরণের পর হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় জুতা খুলে খালি পায়ে কিছুক্ষণ মাটিতে দাঁড়ান। সেখানে হাতে এক মুঠো মাটি নেন। এরপর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা লাল সবুজ রঙের বাসে করে পূর্বাচল ৩০০ ফিট ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যান। এই সময়ে সড়কের দুইপাশে লাখো লাখো জনতা তাঁকে অভিবাদন জানান। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি দেশে আসতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শোকরিয়া জ্ঞাপন করেন। প্রিয় বাংলাদেশ বলে বক্তৃতা শুরু করেন। তার আগমনকে ঐতিহাসিক করে তুলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। নিবার্সিত জীবন শেষে প্রিয় বাংলাদেশের কোলে তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশবাসী এক অভূতপূর্ব রাজসিক প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠান দেখেছে। দেশের সব পথ মিলিত হয়েছে ৩০০ ফিটে।
কুয়াশায় মোড়ানো পৌষের বিকেলে তিনি দেশবাসীর কাছে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, প্রিয় বাংলাদেশ। সবাই মিলে একটি নিরাপদ দেশ গড়ার সময় এসেছে।
এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এই দেশে একইভাবে সমতলের মানুষ আছে, এই দেশে মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, আমরা যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি, একজন মা দেখেন, অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তীতে ১৯৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট এ দেশের ছাত্রুজনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমতুনির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে সকল মানুষ সেদিন এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’
তিনি বলেন, ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। আজ ২৪ এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ওসমান হাদিসহ, ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে খুন-গুমের শিকার হয়েছেন, এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো- যেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করব, যেখানে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলবো।
তারেক রহমান বলেন, এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী ৪ কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য পাঁচ কোটির মতন শিশু, ৪০ লক্ষের মতন প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন, কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে। এই মানুষগুলোর একটি আকাঙ্ক্ষা আছে এই দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই। আজ আমরা যদি সকলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই- তাহলে আমরা এই লক্ষ কোটি মানুষের সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাআল্লাহ।
সংবর্ধনা মঞ্চে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ত্র্যানি।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা ৩৯ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। দুপুর ১২ টা ৩৫ মিনিটে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসে করে বরণ অনুষ্ঠানে যান। তাঁর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও আছেন। গতকালের অনুষ্ঠানে ১০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছিল বলে বিএনপি জানিয়েছে।
এর আগে সকাল নয়টা ৫৬ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিমান পূণ্যভূমি সিলেটে এসে নামে। এরপর তিনি সিলেট হয়ে ঢাকায় আসেন। লন্ডন থেকে তিনি গত বুধবার রাত ১২ টা ২৩ মিনিটে বিমানে উঠেন।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি লন্ডনে রাজনৈতিক নির্বাচনে যান।