জামায়াতের সঙ্গে আসন ভাগাভাগিতে কর্ণেল অলি

Thumbnail image

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন ভাগাভাগিতে গেলেন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব:) অলি আহমেদ বীর বিক্রম। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কথা বলায় সবসময়ই সোচ্চার ছিলেন অলি আহমেদ।

জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে। এই সমঝোতায় কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিও (এলডিপি) যুক্ত হয়েছে।

আজ রোববার বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আট দল একসঙ্গে ছিল। আর দুটি দল তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। সেগুলো হলো এনসিপি ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি।

জামায়াতের আমির বলেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন আসনে সমঝোতা হয়েছে। আরও দল তাদের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

গণ-অভ্যুত্থানুপরবর্তী সময়ে জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)—এই ছয়টি দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে সব আসনে একক প্রার্থী দেওয়ার আলোচনা শুরু করে। পরে এতে যোগ দেয় বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি। জামায়াতসহ এই আটটি দল বিভিন্ন দাবিতে অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে টানা অনেক দিন মাঠে ছিল।

নতুন করে এনসিপি ও এলডিপি নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত হওয়ায় এখানে দলের সঙ্গে সংখ্যা দাঁড়াল ১০টিতে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত