রাতে ফ্লাইট, দুপুরে হৃদরোগে মৃত্যু রাসেলের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদির চাকরি শেষে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মো. রাসেল মিয়া। স্ত্রী-সন্তানদের জন্য কেনাকাটাও শেষ করেছিলেন। আজ রাত নয়টায় প্লেনে উঠবেন। তাই কেনাকাটা করা মালপত্র গোছানোর কাজ করছিলেন। এ সময় বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মো. রাসেল মিয়া কুমিল্লা সদর উপজেলার বানাশুয়া গ্রামের উত্তরপাড়ার প্রয়াত সুন্দর আলী ছেলে। রাসেলের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। রাসেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানাশুয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল হাকিম।
তিনি জানান, রাসেল ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে চাকরি করতেন। প্রায় সাত মাস আগে তিনি একবার দেশে এসেছিলেন। এবার স্ত্রী-সন্তানদের আগ্রহে আবারও দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দেশে ফেরার জন্য স্ত্রী-সন্তানদের পছন্দের বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনেছিলেন তিনি। শনিবার দুপুরে সেই কেনাকাটা করা মালপত্র গোছানোর সময় বুকে তীব্র ব্যথা ওঠে। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটা শেষ হলেও সেই উপহার নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না রাসেলের। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সৌদির চাকরি শেষে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মো. রাসেল মিয়া। স্ত্রী-সন্তানদের জন্য কেনাকাটাও শেষ করেছিলেন। আজ রাত নয়টায় প্লেনে উঠবেন। তাই কেনাকাটা করা মালপত্র গোছানোর কাজ করছিলেন। এ সময় বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মো. রাসেল মিয়া কুমিল্লা সদর উপজেলার বানাশুয়া গ্রামের উত্তরপাড়ার প্রয়াত সুন্দর আলী ছেলে। রাসেলের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। রাসেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানাশুয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল হাকিম।
তিনি জানান, রাসেল ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে চাকরি করতেন। প্রায় সাত মাস আগে তিনি একবার দেশে এসেছিলেন। এবার স্ত্রী-সন্তানদের আগ্রহে আবারও দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দেশে ফেরার জন্য স্ত্রী-সন্তানদের পছন্দের বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনেছিলেন তিনি। শনিবার দুপুরে সেই কেনাকাটা করা মালপত্র গোছানোর সময় বুকে তীব্র ব্যথা ওঠে। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটা শেষ হলেও সেই উপহার নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না রাসেলের। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।