স্বপ্ন রায়

হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা আজ রোববার। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দেবী শ্যামা বা মা কালীর আরাধনা করা হয়। এ উপলক্ষে সন্ধ্যায় প্রদীপের আলো ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে মন্দির, পূজামণ্ডপ ও ঘরবাড়ি। উৎসবকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা।
দুর্গাপূজার মতো কালীপূজাতেও গৃহে বা মন্ডপে মৃন্মময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়।
হিন্দু পূরাণ মতে, কালী দেবী দূর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালী পূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়। তাই ভক্তরা এদিন নিষ্ঠা ও ভক্তিভরে দেবীর আরাধনা করেন। বিভিন্ন মন্দিরে পূজা, অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও প্রদীপ প্রজ্বালনের আয়োজন করেন। অন্ধকার দূর করে আলো ও কল্যাণের প্রত্যাশায় ভক্তরা উদ্যাপন করেন শ্যামাপূজা বা কালীপূজা।
কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী ও দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।
কালী পূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায় সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলী।
মধ্যরাত্রে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত অতান্ত্রিক ব্রাহ্মণ্যমতে আদ্যাশক্তি কালীর রূপে কালীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী— কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এই কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামের মধ্যে দিয়ে শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
কালীপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন উৎসবে অংশ নেওয়া মানুষজন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, পূজা-অর্চনা ও আলোর উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্যাপন করবেন ভক্তরা।

হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা আজ রোববার। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দেবী শ্যামা বা মা কালীর আরাধনা করা হয়। এ উপলক্ষে সন্ধ্যায় প্রদীপের আলো ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে মন্দির, পূজামণ্ডপ ও ঘরবাড়ি। উৎসবকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা।
দুর্গাপূজার মতো কালীপূজাতেও গৃহে বা মন্ডপে মৃন্মময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়।
হিন্দু পূরাণ মতে, কালী দেবী দূর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালী পূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়। তাই ভক্তরা এদিন নিষ্ঠা ও ভক্তিভরে দেবীর আরাধনা করেন। বিভিন্ন মন্দিরে পূজা, অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও প্রদীপ প্রজ্বালনের আয়োজন করেন। অন্ধকার দূর করে আলো ও কল্যাণের প্রত্যাশায় ভক্তরা উদ্যাপন করেন শ্যামাপূজা বা কালীপূজা।
কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী ও দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।
কালী পূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায় সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলী।
মধ্যরাত্রে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত অতান্ত্রিক ব্রাহ্মণ্যমতে আদ্যাশক্তি কালীর রূপে কালীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী— কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এই কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামের মধ্যে দিয়ে শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
কালীপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন উৎসবে অংশ নেওয়া মানুষজন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, পূজা-অর্চনা ও আলোর উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্যাপন করবেন ভক্তরা।