আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

২০১১-১২ মৌসুমের পর স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ের দেখা পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। অবশেষে জার্মান জায়ান্টদের সেই অপেক্ষার অবসান হলো।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-১ গোলে রিয়ালকে হারিয়েছে বায়ার্ন।
এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।
ম্যাচে বল দখলে সামান্য এগিয়ে ছিল বায়ার্ন, তাদের দখলে ছিল ৫২ শতাংশ সময়। অন্যদিকে, রিয়ালের দখলে ছিল ৪৮ শতাংশ। বায়ার্ন মোট ২৩টি শট নেয়, যার মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্যে এবং সেখান থেকেই আসে দুটি গোল। বিপরীতে রিয়াল ৩১টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারে ১০টি, কিন্তু তাতে মাত্র একটি গোলের দেখা পায়।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বায়ার্ন। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় তারা। ৪১তম মিনিটে সার্জে গ্যানাব্রির পাস থেকে লুইস দিয়াজ বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ব্যবধান বাড়ান বায়ার্নের ফরওয়াড হ্যারি কেইন। মাইকেল অলিসের পাস পেয়ে বক্সের কোণা থেকে দারুণ শটে গোল করেন তিনি। এটি চলতি মৌসুমে তার ৪৯তম গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১তম।
পিছিয়ে পড়ে আক্রমণে মরিয়া হয়ে ওঠে রিয়াল মাদ্রিদ, কিন্তু বারবার তাদের রুখে দেন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। তবে ৭৪তম মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে এমবাপ্পে একটি গোল জালে জড়ায় , তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-১।
এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচ শেষে হ্যারি কেইন বলেন, তাদের দল দারুণ খেলেছে, যদিও আরও বেশি গোল করা সম্ভব ছিল। তবুও এই জয় নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট।

২০১১-১২ মৌসুমের পর স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ের দেখা পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। অবশেষে জার্মান জায়ান্টদের সেই অপেক্ষার অবসান হলো।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-১ গোলে রিয়ালকে হারিয়েছে বায়ার্ন।
এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।
ম্যাচে বল দখলে সামান্য এগিয়ে ছিল বায়ার্ন, তাদের দখলে ছিল ৫২ শতাংশ সময়। অন্যদিকে, রিয়ালের দখলে ছিল ৪৮ শতাংশ। বায়ার্ন মোট ২৩টি শট নেয়, যার মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্যে এবং সেখান থেকেই আসে দুটি গোল। বিপরীতে রিয়াল ৩১টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারে ১০টি, কিন্তু তাতে মাত্র একটি গোলের দেখা পায়।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বায়ার্ন। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় তারা। ৪১তম মিনিটে সার্জে গ্যানাব্রির পাস থেকে লুইস দিয়াজ বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ব্যবধান বাড়ান বায়ার্নের ফরওয়াড হ্যারি কেইন। মাইকেল অলিসের পাস পেয়ে বক্সের কোণা থেকে দারুণ শটে গোল করেন তিনি। এটি চলতি মৌসুমে তার ৪৯তম গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১তম।
পিছিয়ে পড়ে আক্রমণে মরিয়া হয়ে ওঠে রিয়াল মাদ্রিদ, কিন্তু বারবার তাদের রুখে দেন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। তবে ৭৪তম মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে এমবাপ্পে একটি গোল জালে জড়ায় , তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-১।
এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচ শেষে হ্যারি কেইন বলেন, তাদের দল দারুণ খেলেছে, যদিও আরও বেশি গোল করা সম্ভব ছিল। তবুও এই জয় নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট।