ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

মরক্কো ম্যাচে ড্রয়ের পর হাইতির বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্টের খোঁজে নেমেছিল ব্রাজিল। হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায় ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৮৭তম দল হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ পেয়েছিলেন রাফিনিয়া। হাইতির রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষককে চিপ করতে গিয়ে বল পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে মেরে দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ আগে রাফিনিয়ার আরেকটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
২৩ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ভিনি জুনিয়রের শট প্রথমে ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিদে। তবে ফিরতি বলে গোল করেন মাতেউস কুনিয়া।
৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনিয়া। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ভিনি জুনিয়র বল বাড়ান কুনিয়াকে। বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে জড়ান তিনি।
এর কিছুক্ষণ আগে চোটের শঙ্কায় মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। তার বদলে মাঠে নামেন রায়ান।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল করেন ভিনি জুনিয়র নিজেও। পাকেতার পাস থেকে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান তিনি। এবার আর ভুল করেননি, দারুণ ফিনিশে দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এর আগের দুই গোলেও সহায়তা ছিল ভিনির। প্রথমার্ধ শেষ হয় ৩-০ ব্যবধানে ব্রাজিলের এগিয়ে থাকা দিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেছিল হাইতি। বল প্রায় জালে ঢুকেই যাচ্ছিল, তবে গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে দলকে রক্ষা করেন দানিলো।
এরপর বদলি নামা এনদ্রিক দারুণ এক ফিনিশে বল জালে জড়ান। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোলও বাতিল হয়।
ম্যাচের শেষ দিকে চতুর্থ গোলের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল ব্রাজিল। এনদ্রিকের শট এবার গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে হাইতির রক্ষণ। ফলে চতুর্থ গোলের দেখা পায়নি সেলেসাওরা।
শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের তিন গোলই যথেষ্ট হয়। ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।

মরক্কো ম্যাচে ড্রয়ের পর হাইতির বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্টের খোঁজে নেমেছিল ব্রাজিল। হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায় ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৮৭তম দল হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ পেয়েছিলেন রাফিনিয়া। হাইতির রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষককে চিপ করতে গিয়ে বল পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে মেরে দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ আগে রাফিনিয়ার আরেকটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
২৩ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ভিনি জুনিয়রের শট প্রথমে ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিদে। তবে ফিরতি বলে গোল করেন মাতেউস কুনিয়া।
৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনিয়া। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ভিনি জুনিয়র বল বাড়ান কুনিয়াকে। বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে জড়ান তিনি।
এর কিছুক্ষণ আগে চোটের শঙ্কায় মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। তার বদলে মাঠে নামেন রায়ান।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল করেন ভিনি জুনিয়র নিজেও। পাকেতার পাস থেকে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান তিনি। এবার আর ভুল করেননি, দারুণ ফিনিশে দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এর আগের দুই গোলেও সহায়তা ছিল ভিনির। প্রথমার্ধ শেষ হয় ৩-০ ব্যবধানে ব্রাজিলের এগিয়ে থাকা দিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেছিল হাইতি। বল প্রায় জালে ঢুকেই যাচ্ছিল, তবে গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে দলকে রক্ষা করেন দানিলো।
এরপর বদলি নামা এনদ্রিক দারুণ এক ফিনিশে বল জালে জড়ান। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোলও বাতিল হয়।
ম্যাচের শেষ দিকে চতুর্থ গোলের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল ব্রাজিল। এনদ্রিকের শট এবার গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে হাইতির রক্ষণ। ফলে চতুর্থ গোলের দেখা পায়নি সেলেসাওরা।
শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের তিন গোলই যথেষ্ট হয়। ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।