ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। টানা দুই জয়ে সবার আগে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছিল মেক্সিকো। এবার সেই একই কীর্তি গড়ল যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের সুবাদে দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিল মার্কিনিরা।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে দর্শকদের বাঁধভাঙা উল্লাসের মাঝে দাপুটে ফুটবল খেলে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ডি’-এর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মরিসিও পত্তেচিনোর শিষ্যরা। অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেসের এই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুন করেন অ্যালেক্স ফ্রিম্যান।
২ ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। সমান ম্যাচে এক জয় ও এক হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া তুরস্ক ও প্যারাগুয়ে রয়েছে টেবিলের তিন ও চার নম্বরে।
পুরো ম্যাচে ৬২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছিল ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ১৩ নম্বরে থাকা যুক্তরাষ্ট্র। তাদের নেওয়া ১০টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ২টি। র্যাঙ্কিংয়ের ২৫ নম্বরে থাকা অস্ট্রেলিয়ার দখলে ছিল ৩৮ শতাংশ বল পজেশন। সকারুজদের নেওয়া ৫টি শটের মধ্যে গোলমুখে ছিল ২টি শট।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে প্রায় ৬৭ হাজার দর্শকের সামনে শুরু থেকেই দাপট দেখায় যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের নবম মিনিটে ওয়েস্টন ম্যাককেনির আক্রমণ থেকে বল পান সার্জিনো ডেস্ট। তবে তাঁর নেওয়া জোরালো শটটি অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার রুখে দিলে সে যাত্রায় গোলবঞ্চিত হয় স্বাগতিকরা।
অবশ্য লিড পেতে বেশি সময় লাগেনি যুক্তরাষ্ট্রের। ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে বল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ফোলারিন বালোগুন। ডি বক্সের ছয় গজ সীমানায় তাঁর বাড়ানো লো-ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস।
এই গোলের মাধ্যমে নতুন এক রেকর্ড গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলের সুবিধা পাওয়া প্রথম দল এখন তারা। এর আগে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচেও সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলেই এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ৪৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে সার্জিনো ডেস্টের নেওয়া শট প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে শূন্যে ভেসে গোলপোস্টের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই একদম কাছ থেকে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান অ্যালেক্স ফ্রিম্যান। শুরুতে রেফারি অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করেন। তবে ভিএআর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
বিরতির পর ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ৫১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একাই প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের দিকে ছুটে যান বালোগুন। শট নেওয়ার মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো চিরকাতি সেটি রুখে দিলে গোলবঞ্চিত হয় যুক্তরাষ্ট্র।
৬১ মিনিটে ম্যাথু লেকিকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে ক্রিস্টিয়ান ভলপাটোকে মাঠে নামায় অস্ট্রেলিয়া। মাঠে নেমেই ব্যবধান কমানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন এই ফরোয়ার্ড। ডান প্রান্ত থেকে নেস্টোরি ইরানকুন্ডার বাড়িয়ে দেওয়া বল গোলপোস্টের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে মারেন ভলপাটো।
৬৫ মিনিটে কনর মেটকাফের নেওয়া নিচু শট দারুণ দক্ষতায় নিজের গ্লাভসবন্দী করেন যুক্তরাষ্ট্রের গোলকিপার ম্যাট ফ্রিস। শেষদিকে আরও বেশকিছু সুযোগ তৈরি করে অস্ট্রেলিয়া। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি সকারুজরা।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘ ৯৬ বছর পর এই প্রথম বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল তারা।

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। টানা দুই জয়ে সবার আগে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছিল মেক্সিকো। এবার সেই একই কীর্তি গড়ল যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের সুবাদে দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিল মার্কিনিরা।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে দর্শকদের বাঁধভাঙা উল্লাসের মাঝে দাপুটে ফুটবল খেলে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ডি’-এর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মরিসিও পত্তেচিনোর শিষ্যরা। অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেসের এই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুন করেন অ্যালেক্স ফ্রিম্যান।
২ ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। সমান ম্যাচে এক জয় ও এক হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া তুরস্ক ও প্যারাগুয়ে রয়েছে টেবিলের তিন ও চার নম্বরে।
পুরো ম্যাচে ৬২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছিল ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ১৩ নম্বরে থাকা যুক্তরাষ্ট্র। তাদের নেওয়া ১০টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ২টি। র্যাঙ্কিংয়ের ২৫ নম্বরে থাকা অস্ট্রেলিয়ার দখলে ছিল ৩৮ শতাংশ বল পজেশন। সকারুজদের নেওয়া ৫টি শটের মধ্যে গোলমুখে ছিল ২টি শট।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে প্রায় ৬৭ হাজার দর্শকের সামনে শুরু থেকেই দাপট দেখায় যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের নবম মিনিটে ওয়েস্টন ম্যাককেনির আক্রমণ থেকে বল পান সার্জিনো ডেস্ট। তবে তাঁর নেওয়া জোরালো শটটি অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার রুখে দিলে সে যাত্রায় গোলবঞ্চিত হয় স্বাগতিকরা।
অবশ্য লিড পেতে বেশি সময় লাগেনি যুক্তরাষ্ট্রের। ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে বল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ফোলারিন বালোগুন। ডি বক্সের ছয় গজ সীমানায় তাঁর বাড়ানো লো-ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস।
এই গোলের মাধ্যমে নতুন এক রেকর্ড গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলের সুবিধা পাওয়া প্রথম দল এখন তারা। এর আগে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচেও সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলেই এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ৪৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে সার্জিনো ডেস্টের নেওয়া শট প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে শূন্যে ভেসে গোলপোস্টের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই একদম কাছ থেকে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান অ্যালেক্স ফ্রিম্যান। শুরুতে রেফারি অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করেন। তবে ভিএআর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
বিরতির পর ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ৫১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একাই প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের দিকে ছুটে যান বালোগুন। শট নেওয়ার মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো চিরকাতি সেটি রুখে দিলে গোলবঞ্চিত হয় যুক্তরাষ্ট্র।
৬১ মিনিটে ম্যাথু লেকিকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে ক্রিস্টিয়ান ভলপাটোকে মাঠে নামায় অস্ট্রেলিয়া। মাঠে নেমেই ব্যবধান কমানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন এই ফরোয়ার্ড। ডান প্রান্ত থেকে নেস্টোরি ইরানকুন্ডার বাড়িয়ে দেওয়া বল গোলপোস্টের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে মারেন ভলপাটো।
৬৫ মিনিটে কনর মেটকাফের নেওয়া নিচু শট দারুণ দক্ষতায় নিজের গ্লাভসবন্দী করেন যুক্তরাষ্ট্রের গোলকিপার ম্যাট ফ্রিস। শেষদিকে আরও বেশকিছু সুযোগ তৈরি করে অস্ট্রেলিয়া। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি সকারুজরা।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘ ৯৬ বছর পর এই প্রথম বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল তারা।