ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর ডেস্ক

একের পর এক আক্রমণ। ম্যাচজুরে বেশিরভাগ সময় বল ঘোরাফেরা করল প্যারাগুয়ের গোলপোস্টের পাশেপাশে। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের একের পর এক গোল মিসের মহড়ায় আর সমতা ফেরাতে পারল না তুরস্ক। ম্যাচের ৬৪ সেকেন্ডে মাতিয়াস গোলারজার ডি-বক্সের বাইরে থেকে করা গোলটিই গড়ে দিল ম্যাচের ব্যবধান। ১০ জনের প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল তারকাসমৃদ্ধ তুরস্কের।
আজ শনিবার সান ফ্রান্সিসকোর বে অ্যারেনায় তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে।
শুরুর গোলের পর দারুণ জমে ওঠে লড়াই। গোলের জন্য মরিয়া তুরস্ককে সে সময় সুযোগ তৈরি করতে দিচ্ছিল না প্যারাগুয়ে।
৩৫তম মিনিটে আসে সুযোগ। হাকান চালহানোলুর ফ্রি কিকে মেয়ার্ত মুলদুরের হেড ক্রসবারে লেগে পোস্ট ছুঁয়ে মাঠে ফেরে!
৩৭তম মিনিটে প্যারাগুয়ের হুয়ান হোসে কাসেরাসের গতিময় শট ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি তুরস্ক গোলরক্ষক।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন। এই ম্যাচটি জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। মাঠে মুখ ঢেকে কথা বলতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেছেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন। ফিফার নতুন এই আইনে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লাল কার্ড দেখলেন প্যারাগুয়ের এই মিডফিল্ডার।
এক জন বেশি থাকার সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে প্যারাগুয়েকে বেশ চেপে ধরে তুরস্ক। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ইউরোপের দেশটি। সুযোগও আসতে থাকে।
৫৮তম মিনিটে একটুর জন্য শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি চালহানোলু।
পরের মিনিটে মেরিথ দেমিরালের শট হেড করে গোলরক্ষককে দিতে গিয়ে প্রায় নিজেদের জালেই পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন প্যারাগুয়ের একজন। বেরিয়ে এসে বল ধরতে গিয়ে তালগোল পাকান গোলরক্ষক, ওই সুযোগে শট নেন ওরালান্দো গিল। কিন্তু জটলার মধ্যে জালের দেখা পাননি তিনি।
৬১তম মিনিটে হুলিও এন্সিসকোর দারুণ গতিতে কাট করে ভেতরে ঢুকে যান। পায়ের কারিকুরিতে চমৎকার সুযোগ তৈরি করলেও শট লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি প্যারাগুয়ের এই ফরোয়ার্ড।
পরের মিনিটে গিলের চমৎকার ক্রসে সুযোগ পান দেনিস গুল। কিন্তু বদলি নামা তুরস্কের তরুণ ফরোয়ার্ডের হেডে ছিল না জোর।
শেষের দিকে যেন প্রতি মিনিটেই সুযোগ তৈরি করছিল তুরস্ক। কখনও শট লক্ষ্য রাখতে পারছিলেন না ফরোয়ার্ডরা, কখনও একটুর জন্য পা ছোঁয়াতে পারছিলেন না, কখন শট নিচ্ছিলেন গোলরক্ষক বরাবর। দেমিরাল, আর্দা গিলের, গুল ও গিলের হাতছাড়া করেন একের পর এক সুযোগ!
৮৯তম মিনিটে সমতা ফেরানোর খুব ভালো সুযোগ হাতছাড়া করেন চান উজুন। বিপজ্জনক জায়গা থেকেও তিনি শট নেন অনেকটা গোলরক্ষক বরাবর।
যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে আরও একটা সুযোগ আসে দেমিরালের সামনে। দুই ডিফেন্ডারের কড়া পাহারার মাঝে থেকেও তাদের উপরে লাফিয়ে হেড করেন তিনি। কিন্তু এটাও লক্ষ্যে থাকেনি, দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায় বল!
চোখে জল ও একরাশ হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে তুরস্ক। প্রথম ম্যাচে বাজে হারের পর পাওয়া দারুণ জয়ে উচ্ছ্বাসে তখন ভাসছিল প্যারাগুয়ে।

একের পর এক আক্রমণ। ম্যাচজুরে বেশিরভাগ সময় বল ঘোরাফেরা করল প্যারাগুয়ের গোলপোস্টের পাশেপাশে। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের একের পর এক গোল মিসের মহড়ায় আর সমতা ফেরাতে পারল না তুরস্ক। ম্যাচের ৬৪ সেকেন্ডে মাতিয়াস গোলারজার ডি-বক্সের বাইরে থেকে করা গোলটিই গড়ে দিল ম্যাচের ব্যবধান। ১০ জনের প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল তারকাসমৃদ্ধ তুরস্কের।
আজ শনিবার সান ফ্রান্সিসকোর বে অ্যারেনায় তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে।
শুরুর গোলের পর দারুণ জমে ওঠে লড়াই। গোলের জন্য মরিয়া তুরস্ককে সে সময় সুযোগ তৈরি করতে দিচ্ছিল না প্যারাগুয়ে।
৩৫তম মিনিটে আসে সুযোগ। হাকান চালহানোলুর ফ্রি কিকে মেয়ার্ত মুলদুরের হেড ক্রসবারে লেগে পোস্ট ছুঁয়ে মাঠে ফেরে!
৩৭তম মিনিটে প্যারাগুয়ের হুয়ান হোসে কাসেরাসের গতিময় শট ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি তুরস্ক গোলরক্ষক।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন। এই ম্যাচটি জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। মাঠে মুখ ঢেকে কথা বলতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেছেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন। ফিফার নতুন এই আইনে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লাল কার্ড দেখলেন প্যারাগুয়ের এই মিডফিল্ডার।
এক জন বেশি থাকার সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে প্যারাগুয়েকে বেশ চেপে ধরে তুরস্ক। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ইউরোপের দেশটি। সুযোগও আসতে থাকে।
৫৮তম মিনিটে একটুর জন্য শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি চালহানোলু।
পরের মিনিটে মেরিথ দেমিরালের শট হেড করে গোলরক্ষককে দিতে গিয়ে প্রায় নিজেদের জালেই পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন প্যারাগুয়ের একজন। বেরিয়ে এসে বল ধরতে গিয়ে তালগোল পাকান গোলরক্ষক, ওই সুযোগে শট নেন ওরালান্দো গিল। কিন্তু জটলার মধ্যে জালের দেখা পাননি তিনি।
৬১তম মিনিটে হুলিও এন্সিসকোর দারুণ গতিতে কাট করে ভেতরে ঢুকে যান। পায়ের কারিকুরিতে চমৎকার সুযোগ তৈরি করলেও শট লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি প্যারাগুয়ের এই ফরোয়ার্ড।
পরের মিনিটে গিলের চমৎকার ক্রসে সুযোগ পান দেনিস গুল। কিন্তু বদলি নামা তুরস্কের তরুণ ফরোয়ার্ডের হেডে ছিল না জোর।
শেষের দিকে যেন প্রতি মিনিটেই সুযোগ তৈরি করছিল তুরস্ক। কখনও শট লক্ষ্য রাখতে পারছিলেন না ফরোয়ার্ডরা, কখনও একটুর জন্য পা ছোঁয়াতে পারছিলেন না, কখন শট নিচ্ছিলেন গোলরক্ষক বরাবর। দেমিরাল, আর্দা গিলের, গুল ও গিলের হাতছাড়া করেন একের পর এক সুযোগ!
৮৯তম মিনিটে সমতা ফেরানোর খুব ভালো সুযোগ হাতছাড়া করেন চান উজুন। বিপজ্জনক জায়গা থেকেও তিনি শট নেন অনেকটা গোলরক্ষক বরাবর।
যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে আরও একটা সুযোগ আসে দেমিরালের সামনে। দুই ডিফেন্ডারের কড়া পাহারার মাঝে থেকেও তাদের উপরে লাফিয়ে হেড করেন তিনি। কিন্তু এটাও লক্ষ্যে থাকেনি, দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায় বল!
চোখে জল ও একরাশ হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে তুরস্ক। প্রথম ম্যাচে বাজে হারের পর পাওয়া দারুণ জয়ে উচ্ছ্বাসে তখন ভাসছিল প্যারাগুয়ে।