আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। টসের সময় দুই দলের অধিনায়কের মুখেই ‘নতুন ম্যাচ’ হিসেবে ম্যাচটিকে নেওয়ার কথা শোনা গেলেও, শেষ পর্যন্ত মাঠের খেলায় নিজেদের পুরোনো ও দাপুটে সাফল্যের ধারা বজায় রেখে জয় তুলে নিয়েছে হারমানপ্রীত কৌরের দল। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালের ওঠার লড়াইয়ে ভারতের কাছে হেরে গেল নিগার সুলতানার দল।
প্রথমে ব্যাটিং করা ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে করে ১৪৯ রান। বাংলাদেশের ফিল্ডারের ক্যাচ মিসের মিছিলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফিফটি করে ভারতকে বড় সংগ্রহই এনে দেন শেফালি বার্মা। এরপর রান তাড়ায় উইকেটে থিতু হয়েও কার্যকর জুটি গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত সব ওভার খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানে থামে নিগার সুলতানার দল।
২০১৮ সালে নারী টি–টুয়েন্টি এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ৮ বছরেও আর কোনো আসরে ফাইনালে যাওয়া হলো না বাংলাদেশের।
বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি বাংলাদেশ। প্রথম ২ ওভারে আসে ১০ রান। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেও বাউন্ডারি এসেছে।
দলীয় ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৮ বলে ১৪ রান করা জুয়াইয়রিয়া ক্যাচ তুলে দেন শ্রী চরনির বলে। স্কোরবোর্ডে ৯ রান যোগ হতেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার (২৬ বলে ২১)।
দুই ওপেনার আউট হয়ে যাওয়ার পর নিগার সুলতানা ও সোবাহানার ব্যাটে এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। এই জুটি টিকে ৩১ রান। দীপ্তি শর্মার বলে বোল্ড হয়ে যাওয়া সোবহানার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ১৯ রান।
দলের বিপদে ত্রাতা হতে পারেননি অধিনায়ক নিগারও। মিডল অর্ডারের এই ব্যাটার করেন ১৭ বলে ১৯ রান। ১৮ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকা স্বর্ণা আক্তার দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন।
বাকিরাও করতে পারে নাই কিছুই। পুরো এশিয়া কাপে ব্যাটিং ব্যর্থতা সেমিফাইনালে এসেও কাটাতে পারেনি বাংলাদেশ।
এর আগে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। শেফালি ভার্মা ছাড়া ভারতের আর কোনো ব্যাটার বড় বাধা হয়ে দাঁড়াননি। কিন্তু ভুরি ভুরি ফিল্ডিং মিসের সুযোগ নিয়ে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায়।
গুনে গুনে চারবার শেফালিকে জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা।তিনবার তাঁর ক্যাচ ফেলেছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা, একবার করতে পারেনি রানআউট।
শেফালি ভার্মা ৪০ বলে ৭ চার আর ৩ ছক্কায় করেন ৬৪ রান। এছাড়া প্রতিকা রাওয়াল ২৪ বলে ২০, রিচা ঘোষ ১৬ বলে ২৪ আর অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌর ২৮ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের সুলতানা খাতুন ২টি, মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার এবং রাবেয়া খান নেন ১টি করে উইকেট।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। টসের সময় দুই দলের অধিনায়কের মুখেই ‘নতুন ম্যাচ’ হিসেবে ম্যাচটিকে নেওয়ার কথা শোনা গেলেও, শেষ পর্যন্ত মাঠের খেলায় নিজেদের পুরোনো ও দাপুটে সাফল্যের ধারা বজায় রেখে জয় তুলে নিয়েছে হারমানপ্রীত কৌরের দল। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালের ওঠার লড়াইয়ে ভারতের কাছে হেরে গেল নিগার সুলতানার দল।
প্রথমে ব্যাটিং করা ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে করে ১৪৯ রান। বাংলাদেশের ফিল্ডারের ক্যাচ মিসের মিছিলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফিফটি করে ভারতকে বড় সংগ্রহই এনে দেন শেফালি বার্মা। এরপর রান তাড়ায় উইকেটে থিতু হয়েও কার্যকর জুটি গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত সব ওভার খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানে থামে নিগার সুলতানার দল।
২০১৮ সালে নারী টি–টুয়েন্টি এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ৮ বছরেও আর কোনো আসরে ফাইনালে যাওয়া হলো না বাংলাদেশের।
বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি বাংলাদেশ। প্রথম ২ ওভারে আসে ১০ রান। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেও বাউন্ডারি এসেছে।
দলীয় ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৮ বলে ১৪ রান করা জুয়াইয়রিয়া ক্যাচ তুলে দেন শ্রী চরনির বলে। স্কোরবোর্ডে ৯ রান যোগ হতেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার (২৬ বলে ২১)।
দুই ওপেনার আউট হয়ে যাওয়ার পর নিগার সুলতানা ও সোবাহানার ব্যাটে এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। এই জুটি টিকে ৩১ রান। দীপ্তি শর্মার বলে বোল্ড হয়ে যাওয়া সোবহানার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ১৯ রান।
দলের বিপদে ত্রাতা হতে পারেননি অধিনায়ক নিগারও। মিডল অর্ডারের এই ব্যাটার করেন ১৭ বলে ১৯ রান। ১৮ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকা স্বর্ণা আক্তার দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন।
বাকিরাও করতে পারে নাই কিছুই। পুরো এশিয়া কাপে ব্যাটিং ব্যর্থতা সেমিফাইনালে এসেও কাটাতে পারেনি বাংলাদেশ।
এর আগে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। শেফালি ভার্মা ছাড়া ভারতের আর কোনো ব্যাটার বড় বাধা হয়ে দাঁড়াননি। কিন্তু ভুরি ভুরি ফিল্ডিং মিসের সুযোগ নিয়ে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায়।
গুনে গুনে চারবার শেফালিকে জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা।তিনবার তাঁর ক্যাচ ফেলেছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা, একবার করতে পারেনি রানআউট।
শেফালি ভার্মা ৪০ বলে ৭ চার আর ৩ ছক্কায় করেন ৬৪ রান। এছাড়া প্রতিকা রাওয়াল ২৪ বলে ২০, রিচা ঘোষ ১৬ বলে ২৪ আর অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌর ২৮ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের সুলতানা খাতুন ২টি, মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার এবং রাবেয়া খান নেন ১টি করে উইকেট।