• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> খেলা

এগিয়ে গিয়েও ফের হারের মুখ দেখলো মেসির মায়ামি

আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১৯: ৪২
logo

এগিয়ে গিয়েও ফের হারের মুখ দেখলো মেসির মায়ামি

আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১৯: ৪২
Photo

নিজেদের নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়াম যেন অভিশাপ হয়ে এসেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামির জন্য। চতুর্থ ম্যাচে নেমেও তারা জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে দারুণ এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্টে ভিন্ন কিছুরই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর অবিশ্বাস্যভাবে ওরল্যান্ডো সিটির কাছে ৪-৩ গোলে হেরেছে ইন্টার মায়ামি।

মেসি কেবল একটি গোলই করেননি, অ্যাসিস্ট করেছেন বাকি দুই গোলেও। সবমিলিয়ে তার জন্য ম্যাচটা যেভাবে শেষ হতে পারত, হয়েছে উল্টোটা। তার ওপর প্রতিপক্ষ ওরল্যান্ডো এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে ১৫ দলের মধ্যে ১৪তম অবস্থানে থাকা দল। তাদের কাছে হারের পর কাঠগড়ায় মায়ামির নড়বড়ে ডিফেন্স এবং অভিশাপ হয়ে চেপে বসা নু স্টেডিয়াম। অথচ ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই দাপট দেখানো শুরু করে স্বাগতিক মায়ামি। যা টিকেছিল পুরো ম্যাচজুড়ে। ৬৪ শতাংশ পজেশন, পাশাপাশি ২৬টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছেন মেসি-সুয়ারেজরা।

বিপরীতে ১৩ শটের মধ্যে ৯টি লক্ষ্যে রাখতে পারা ওরল্যান্ডো টানা চার গোল করে সব এলোমেলো করে দিয়েছে। এমনকি জয়নির্ধারণী সর্বশেষ গোলটি হয় ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটে লিড নেয় মায়ামি। ফ্রি রোলে মেসি হয়ে বল পান তেলাস্কো সেগোভিয়া, তার কোনাকুনি ক্রসে হেড দিয়ে বল জালে জড়ান ইয়ান ফ্রে।

২৫ মিনিটে আবারও অ্যাসিস্ট আর্জেন্টাইন মহাতারকার। দারুণ বোঝাপড়ায় ডি বক্সে ঢ়ুকে প্রতিপক্ষের একাধিক ফুটবলারের মাঝে পাস বাড়ান মেসি, গোলমুখে টোকা দেওয়ার কাজটা সেরেছেন সেগোভিয়া। মিনিট আটেক পর এবার সরাসরি স্কোরশিটে নাম তুললেন মেসি। যেখানে তার চিরাচরিত ক্লাসিকেরই দেখা মিলল। বক্সের মাথায় দ্রæতই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হালকা জোর দিয়ে বাঁকানো শট নেন এলএমটেন। যা পোস্ট ঘেঁষে জাল কাঁপায়।

ঘরের মাঠে মায়ামির জয়খরা কাটানোর মিশনে চমৎকার অগ্রগতিই বলা চলে এটিকে। প্রথমার্ধেই আরও দুয়েকটি গোল হতে পারত তাদের। কিন্তু সেই স্বস্তির ঘোর কাটতে শুরু করে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার ষষ্ঠ মিনিট থেকে। ৩৯ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-১ করেন মার্টিন ওজেদা। পরের দুটি গোলও তিনি করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় এবং এর ১০ মিনিট পর ওরল্যান্ডো পেনাল্টি পেলে স্পটকিকে গোল করে সমতা টানেন মায়ামির সঙ্গে। আর ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে টাইরিস স্পাইসার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে স্বাগতিকদের হার নিশ্চিত করেন।

নিজেদের নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়াম যেন অভিশাপ হয়ে এসেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামির জন্য। চতুর্থ ম্যাচে নেমেও তারা জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে দারুণ এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্টে ভিন্ন কিছুরই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর অবিশ্বাস্যভাবে ওরল্যান্ডো সিটির কাছে ৪-৩ গোলে হেরেছে ইন্টার মায়ামি। মেসি কেবল একটি গোলই করেননি, অ্যাসিস্ট করেছেন বাকি দুই গোলেও। সবমিলিয়ে তার জন্য ম্যাচটা যেভাবে শেষ হতে পারত, হয়েছে উল্টোটা। তার ওপর প্রতিপক্ষ ওরল্যান্ডো এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে ১৫ দলের মধ্যে ১৪তম অবস্থানে থাকা দল। তাদের কাছে হারের পর কাঠগড়ায় মায়ামির নড়বড়ে ডিফেন্স এবং অভিশাপ হয়ে চেপে বসা নু স্টেডিয়াম।

অথচ ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই দাপট দেখানো শুরু করে স্বাগতিক মায়ামি। যা টিকেছিল পুরো ম্যাচজুড়ে। ৬৪ শতাংশ পজেশন, পাশাপাশি ২৬টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছেন মেসি-সুয়ারেজরা। বিপরীতে ১৩ শটের মধ্যে ৯টি লক্ষ্যে রাখতে পারা ওরল্যান্ডো টানা চার গোল করে সব এলোমেলো করে দিয়েছে। এমনকি জয়নির্ধারণী সর্বশেষ গোলটি হয় ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটে লিড নেয় মায়ামি। ফ্রি রোলে মেসি হয়ে বল পান তেলাস্কো সেগোভিয়া, তার কোনাকুনি ক্রসে হেড দিয়ে বল জালে জড়ান ইয়ান ফ্রে।

২৫ মিনিটে আবারও অ্যাসিস্ট আর্জেন্টাইন মহাতারকার। দারুণ বোঝাপড়ায় ডি বক্সে ঢ়ুকে প্রতিপক্ষের একাধিক ফুটবলারের মাঝে পাস বাড়ান মেসি, গোলমুখে টোকা দেওয়ার কাজটা সেরেছেন সেগোভিয়া। মিনিট আটেক পর এবার সরাসরি স্কোরশিটে নাম তুললেন মেসি। যেখানে তার চিরাচরিত ক্লাসিকেরই দেখা মিলল। বক্সের মাথায় দ্রæতই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হালকা জোর দিয়ে বাঁকানো শট নেন এলএমটেন। যা পোস্ট ঘেঁষে জাল কাঁপায়।

ঘরের মাঠে মায়ামির জয়খরা কাটানোর মিশনে চমৎকার অগ্রগতিই বলা চলে এটিকে। প্রথমার্ধেই আরও দুয়েকটি গোল হতে পারত তাদের। কিন্তু সেই স্বস্তির ঘোর কাটতে শুরু করে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার ষষ্ঠ মিনিট থেকে। ৩৯ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-১ করেন মার্টিন ওজেদা। পরের দুটি গোলও তিনি করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় এবং এর ১০ মিনিট পর ওরল্যান্ডো পেনাল্টি পেলে স্পটকিকে গোল করে সমতা টানেন মায়ামির সঙ্গে। আর ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে টাইরিস স্পাইসার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে স্বাগতিকদের হার নিশ্চিত করেন।

Thumbnail image

নিজেদের নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়াম যেন অভিশাপ হয়ে এসেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামির জন্য। চতুর্থ ম্যাচে নেমেও তারা জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে দারুণ এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্টে ভিন্ন কিছুরই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর অবিশ্বাস্যভাবে ওরল্যান্ডো সিটির কাছে ৪-৩ গোলে হেরেছে ইন্টার মায়ামি।

মেসি কেবল একটি গোলই করেননি, অ্যাসিস্ট করেছেন বাকি দুই গোলেও। সবমিলিয়ে তার জন্য ম্যাচটা যেভাবে শেষ হতে পারত, হয়েছে উল্টোটা। তার ওপর প্রতিপক্ষ ওরল্যান্ডো এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে ১৫ দলের মধ্যে ১৪তম অবস্থানে থাকা দল। তাদের কাছে হারের পর কাঠগড়ায় মায়ামির নড়বড়ে ডিফেন্স এবং অভিশাপ হয়ে চেপে বসা নু স্টেডিয়াম। অথচ ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই দাপট দেখানো শুরু করে স্বাগতিক মায়ামি। যা টিকেছিল পুরো ম্যাচজুড়ে। ৬৪ শতাংশ পজেশন, পাশাপাশি ২৬টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছেন মেসি-সুয়ারেজরা।

বিপরীতে ১৩ শটের মধ্যে ৯টি লক্ষ্যে রাখতে পারা ওরল্যান্ডো টানা চার গোল করে সব এলোমেলো করে দিয়েছে। এমনকি জয়নির্ধারণী সর্বশেষ গোলটি হয় ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটে লিড নেয় মায়ামি। ফ্রি রোলে মেসি হয়ে বল পান তেলাস্কো সেগোভিয়া, তার কোনাকুনি ক্রসে হেড দিয়ে বল জালে জড়ান ইয়ান ফ্রে।

২৫ মিনিটে আবারও অ্যাসিস্ট আর্জেন্টাইন মহাতারকার। দারুণ বোঝাপড়ায় ডি বক্সে ঢ়ুকে প্রতিপক্ষের একাধিক ফুটবলারের মাঝে পাস বাড়ান মেসি, গোলমুখে টোকা দেওয়ার কাজটা সেরেছেন সেগোভিয়া। মিনিট আটেক পর এবার সরাসরি স্কোরশিটে নাম তুললেন মেসি। যেখানে তার চিরাচরিত ক্লাসিকেরই দেখা মিলল। বক্সের মাথায় দ্রæতই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হালকা জোর দিয়ে বাঁকানো শট নেন এলএমটেন। যা পোস্ট ঘেঁষে জাল কাঁপায়।

ঘরের মাঠে মায়ামির জয়খরা কাটানোর মিশনে চমৎকার অগ্রগতিই বলা চলে এটিকে। প্রথমার্ধেই আরও দুয়েকটি গোল হতে পারত তাদের। কিন্তু সেই স্বস্তির ঘোর কাটতে শুরু করে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার ষষ্ঠ মিনিট থেকে। ৩৯ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-১ করেন মার্টিন ওজেদা। পরের দুটি গোলও তিনি করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় এবং এর ১০ মিনিট পর ওরল্যান্ডো পেনাল্টি পেলে স্পটকিকে গোল করে সমতা টানেন মায়ামির সঙ্গে। আর ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে টাইরিস স্পাইসার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে স্বাগতিকদের হার নিশ্চিত করেন।

নিজেদের নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়াম যেন অভিশাপ হয়ে এসেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামির জন্য। চতুর্থ ম্যাচে নেমেও তারা জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে দারুণ এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্টে ভিন্ন কিছুরই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর অবিশ্বাস্যভাবে ওরল্যান্ডো সিটির কাছে ৪-৩ গোলে হেরেছে ইন্টার মায়ামি। মেসি কেবল একটি গোলই করেননি, অ্যাসিস্ট করেছেন বাকি দুই গোলেও। সবমিলিয়ে তার জন্য ম্যাচটা যেভাবে শেষ হতে পারত, হয়েছে উল্টোটা। তার ওপর প্রতিপক্ষ ওরল্যান্ডো এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে ১৫ দলের মধ্যে ১৪তম অবস্থানে থাকা দল। তাদের কাছে হারের পর কাঠগড়ায় মায়ামির নড়বড়ে ডিফেন্স এবং অভিশাপ হয়ে চেপে বসা নু স্টেডিয়াম।

অথচ ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই দাপট দেখানো শুরু করে স্বাগতিক মায়ামি। যা টিকেছিল পুরো ম্যাচজুড়ে। ৬৪ শতাংশ পজেশন, পাশাপাশি ২৬টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছেন মেসি-সুয়ারেজরা। বিপরীতে ১৩ শটের মধ্যে ৯টি লক্ষ্যে রাখতে পারা ওরল্যান্ডো টানা চার গোল করে সব এলোমেলো করে দিয়েছে। এমনকি জয়নির্ধারণী সর্বশেষ গোলটি হয় ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটে লিড নেয় মায়ামি। ফ্রি রোলে মেসি হয়ে বল পান তেলাস্কো সেগোভিয়া, তার কোনাকুনি ক্রসে হেড দিয়ে বল জালে জড়ান ইয়ান ফ্রে।

২৫ মিনিটে আবারও অ্যাসিস্ট আর্জেন্টাইন মহাতারকার। দারুণ বোঝাপড়ায় ডি বক্সে ঢ়ুকে প্রতিপক্ষের একাধিক ফুটবলারের মাঝে পাস বাড়ান মেসি, গোলমুখে টোকা দেওয়ার কাজটা সেরেছেন সেগোভিয়া। মিনিট আটেক পর এবার সরাসরি স্কোরশিটে নাম তুললেন মেসি। যেখানে তার চিরাচরিত ক্লাসিকেরই দেখা মিলল। বক্সের মাথায় দ্রæতই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হালকা জোর দিয়ে বাঁকানো শট নেন এলএমটেন। যা পোস্ট ঘেঁষে জাল কাঁপায়।

ঘরের মাঠে মায়ামির জয়খরা কাটানোর মিশনে চমৎকার অগ্রগতিই বলা চলে এটিকে। প্রথমার্ধেই আরও দুয়েকটি গোল হতে পারত তাদের। কিন্তু সেই স্বস্তির ঘোর কাটতে শুরু করে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার ষষ্ঠ মিনিট থেকে। ৩৯ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-১ করেন মার্টিন ওজেদা। পরের দুটি গোলও তিনি করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় এবং এর ১০ মিনিট পর ওরল্যান্ডো পেনাল্টি পেলে স্পটকিকে গোল করে সমতা টানেন মায়ামির সঙ্গে। আর ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে টাইরিস স্পাইসার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে স্বাগতিকদের হার নিশ্চিত করেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

এগিয়ে গিয়েও ফের হারের মুখ দেখলো মেসির মায়ামি

২

আইপিএলে অচেনা বুমরা, ৮ ম্যাচে মাত্র ২ উইকেট, কেন এমন বিপর্যয়?

৩

চতুর্থ মেয়াদে ফিফা সভাপতির পদে লড়বেন ইনফান্তিনো

৪

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন কাল

৫

শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

সম্পর্কিত

আইপিএলে অচেনা বুমরা, ৮ ম্যাচে মাত্র ২ উইকেট, কেন এমন বিপর্যয়?

আইপিএলে অচেনা বুমরা, ৮ ম্যাচে মাত্র ২ উইকেট, কেন এমন বিপর্যয়?

২ দিন আগে
চতুর্থ মেয়াদে ফিফা সভাপতির পদে লড়বেন ইনফান্তিনো

চতুর্থ মেয়াদে ফিফা সভাপতির পদে লড়বেন ইনফান্তিনো

৩ দিন আগে
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন কাল

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন কাল

৩ দিন আগে
শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

৪ দিন আগে