সভাপতি অমল চন্দ দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক পিংকু চন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ শুক্রবার নগরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন অমল চন্দ দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক পিংকু চন্দ।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নগরের ২৭টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা সম্মেলনে যোগ দেন। জাতীয় সংগীত ও ধর্মীয় মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় দিনব্যাপী এই আয়োজন।
প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কুমিল্লা বরাবরই সম্প্রীতির শহর হিসেবে পরিচিত, এই ধারা ধরে রাখতে পূজা উদযাপন কমিটির ভ‚মিকা অপরিসীম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। নতুন নেতৃত্বের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, তারা সকলকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পূজা আয়োজন করবেন। তরুণদের সম্পৃক্ত করে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে হবে।

প্রধান বক্তা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন, একটি সুসংগঠিত কমিটি পারে একটি মহানগরীর ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবেশকে সুন্দর রাখতে। কুমিল্লা মহানগর কমিটির ঐতিহ্য রয়েছে, নতুন নেতৃত্ব সেই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সহ-সভাপতি শ্রী ডি এন চ্যাটার্জী, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সহ-সম্পাদক শ্রী রবীন্দ্রনাথ বসু, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সাংগঠনিক সম্পাদকমএ্যাড. কিশোর কুমার বসু রায় চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল পাল, শ্রীকাইল ডিগ্রী কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য্য ও স্বর্ণ কুটির ডেভেলপার্স লি. এর চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর এর উপদেষ্টা শ্রী প্রদীপ নন্দী ও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শ্রী নারায়ণ চন্দ্র সরকার, স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতা, বিভিন্ন মন্দিরের প্রতিনিধি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিপুল সংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ শুক্রবার নগরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন অমল চন্দ দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক পিংকু চন্দ।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নগরের ২৭টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা সম্মেলনে যোগ দেন। জাতীয় সংগীত ও ধর্মীয় মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় দিনব্যাপী এই আয়োজন।
প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কুমিল্লা বরাবরই সম্প্রীতির শহর হিসেবে পরিচিত, এই ধারা ধরে রাখতে পূজা উদযাপন কমিটির ভ‚মিকা অপরিসীম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। নতুন নেতৃত্বের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, তারা সকলকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পূজা আয়োজন করবেন। তরুণদের সম্পৃক্ত করে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে হবে।

প্রধান বক্তা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন, একটি সুসংগঠিত কমিটি পারে একটি মহানগরীর ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবেশকে সুন্দর রাখতে। কুমিল্লা মহানগর কমিটির ঐতিহ্য রয়েছে, নতুন নেতৃত্ব সেই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সহ-সভাপতি শ্রী ডি এন চ্যাটার্জী, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সহ-সম্পাদক শ্রী রবীন্দ্রনাথ বসু, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সাংগঠনিক সম্পাদকমএ্যাড. কিশোর কুমার বসু রায় চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল পাল, শ্রীকাইল ডিগ্রী কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য্য ও স্বর্ণ কুটির ডেভেলপার্স লি. এর চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর এর উপদেষ্টা শ্রী প্রদীপ নন্দী ও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শ্রী নারায়ণ চন্দ্র সরকার, স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতা, বিভিন্ন মন্দিরের প্রতিনিধি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিপুল সংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।