সাজিদুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গবেষণা প্রকল্পের অনুদান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের দুই শিক্ষক। তাঁরা হলেন- অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।
ইউজিসির রিসার্চ গ্র্যান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ডিভিশন থেকে ইউজিসির আরজিএ বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত প্রকাশিত পৃথক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠির তথ্যমতে, অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামানের 'বিলুপ্তপ্রায় পালকির গানে লোকায়ত জীবনের মর্মকথা : খুলনা জেলার পাইকগাছা থানায় পালকির গান অনুসন্ধান' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান অনুমোদন করা হয়েছে। একইভাবে সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের 'সুন্দরবনের গাথা ও কথায় অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পেও ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
ইউজিসির চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গবেষণা কার্যক্রম এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে এবং নির্ধারিত শর্তাবলি অনুসরণ করে গবেষণা প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
গবেষণা কার্যক্রমে এ অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে গবেষণার ক্ষেত্রে এ ধরনের অনুদান আমাদের আরও আগ্রহী ও উদ্যমী করে তোলে। গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও সমাজ-সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়। আমার 'সুন্দরবনের গাথা ও কথায় অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়৷ ইউজিসির এই সহায়তা গবেষণার কাজকে আরও গতিশীল করবে বলে আমি মনে করি। আমাকে গবেষণা প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ায় ইউজিসিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।'
এনিয়ে অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, 'ইউজিসি থেকে প্রাপ্ত এ অনুদান আমার গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। আমি মনে করি, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষকদের গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, গবেষণাও তাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজের অংশ। আমি আশা করি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও শিক্ষক ভবিষ্যতে এ ধরনের সুযোগ পাবেন এবং গবেষণায় আরও মনোযোগী হবেন। এ উদ্যোগের জন্য ইউজিসিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।'
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর গবেষককদের মৌলিক গবেষণাকর্মে সহায়তা প্রদান করে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গবেষণা প্রকল্পের অনুদান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের দুই শিক্ষক। তাঁরা হলেন- অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।
ইউজিসির রিসার্চ গ্র্যান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ডিভিশন থেকে ইউজিসির আরজিএ বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত প্রকাশিত পৃথক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠির তথ্যমতে, অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামানের 'বিলুপ্তপ্রায় পালকির গানে লোকায়ত জীবনের মর্মকথা : খুলনা জেলার পাইকগাছা থানায় পালকির গান অনুসন্ধান' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান অনুমোদন করা হয়েছে। একইভাবে সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের 'সুন্দরবনের গাথা ও কথায় অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পেও ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
ইউজিসির চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গবেষণা কার্যক্রম এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে এবং নির্ধারিত শর্তাবলি অনুসরণ করে গবেষণা প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
গবেষণা কার্যক্রমে এ অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে গবেষণার ক্ষেত্রে এ ধরনের অনুদান আমাদের আরও আগ্রহী ও উদ্যমী করে তোলে। গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও সমাজ-সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়। আমার 'সুন্দরবনের গাথা ও কথায় অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়৷ ইউজিসির এই সহায়তা গবেষণার কাজকে আরও গতিশীল করবে বলে আমি মনে করি। আমাকে গবেষণা প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ায় ইউজিসিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।'
এনিয়ে অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, 'ইউজিসি থেকে প্রাপ্ত এ অনুদান আমার গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। আমি মনে করি, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষকদের গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, গবেষণাও তাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজের অংশ। আমি আশা করি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও শিক্ষক ভবিষ্যতে এ ধরনের সুযোগ পাবেন এবং গবেষণায় আরও মনোযোগী হবেন। এ উদ্যোগের জন্য ইউজিসিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।'
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর গবেষককদের মৌলিক গবেষণাকর্মে সহায়তা প্রদান করে।