নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেনকে স্বপদে বহাল ও বকেয়াসহ বেতন-ভাতা চালু করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) ও মহাপরিচালক অতিরিক্ত দায়িত্ব অধ্যাপক বিএম আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে ওই নির্দেশনা দেওয়া হয়। আজ সোমবার এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, কুমিল্লা নগরের কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেনকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পট-পরিবর্তনজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৩ অক্টোবর থেকে কতিপয় স্বার্থান্বেষী শিক্ষকের ষড়যন্ত্রের ফলে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়। ওই শিক্ষককে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সূত্রোক্ত স্মারকে জারিকৃত পত্র অনুযায়ী জোরপূর্বক পদত্যাগকৃত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ইএফটিতে নাম অন্তর্ভুক্তকরণ ও বকেয়াসহ বেতন ভাতা চালুকরণ এবং বেতন ভাতা চালুকরণে অসহযোগিতা বা বাধা প্রদান করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এরই পরিপ্র্রেক্ষিতে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি চালুর সিদ্ধান্তের আলোকে বর্ণিত প্রধান শিক্ষক এর ইএফটি তে নাম অর্ন্তভুক্তি, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ও এমপিও হতে প্রাপ্ত বকেয়াসহ বেতন ভাতা প্রদান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কৃর্তক জারিকৃত পত্রের প্রেক্ষিতে কার্যক্রম গ্রহণ না করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এমতাবস্থায়, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেনের বেতন-ভাতাদি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত পত্রের আলোকে বর্ণিত প্রধান শিক্ষক-কে স্বপদে বহালসহ ইএফটিতে নাম অন্তর্ভুক্তকরণ, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ও এমপিও হতে প্রাপ্ত বকেয়াসহ বেতন-ভাতাদি প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পি এ টু মহাপরিচালক।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমি যোগদান করেছি। কিছু খণ্ডকালীন শিক্ষক এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।

কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেনকে স্বপদে বহাল ও বকেয়াসহ বেতন-ভাতা চালু করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) ও মহাপরিচালক অতিরিক্ত দায়িত্ব অধ্যাপক বিএম আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে ওই নির্দেশনা দেওয়া হয়। আজ সোমবার এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, কুমিল্লা নগরের কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেনকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পট-পরিবর্তনজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৩ অক্টোবর থেকে কতিপয় স্বার্থান্বেষী শিক্ষকের ষড়যন্ত্রের ফলে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়। ওই শিক্ষককে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সূত্রোক্ত স্মারকে জারিকৃত পত্র অনুযায়ী জোরপূর্বক পদত্যাগকৃত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ইএফটিতে নাম অন্তর্ভুক্তকরণ ও বকেয়াসহ বেতন ভাতা চালুকরণ এবং বেতন ভাতা চালুকরণে অসহযোগিতা বা বাধা প্রদান করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এরই পরিপ্র্রেক্ষিতে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি চালুর সিদ্ধান্তের আলোকে বর্ণিত প্রধান শিক্ষক এর ইএফটি তে নাম অর্ন্তভুক্তি, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ও এমপিও হতে প্রাপ্ত বকেয়াসহ বেতন ভাতা প্রদান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কৃর্তক জারিকৃত পত্রের প্রেক্ষিতে কার্যক্রম গ্রহণ না করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এমতাবস্থায়, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেনের বেতন-ভাতাদি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত পত্রের আলোকে বর্ণিত প্রধান শিক্ষক-কে স্বপদে বহালসহ ইএফটিতে নাম অন্তর্ভুক্তকরণ, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ও এমপিও হতে প্রাপ্ত বকেয়াসহ বেতন-ভাতাদি প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পি এ টু মহাপরিচালক।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমি যোগদান করেছি। কিছু খণ্ডকালীন শিক্ষক এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।