কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পছন্দের ব্যক্তিকে পরিচালক করতে এবার চিকিৎসক মোহাম্মদ মাসুম হাছান এক অভিনব কৌশল করেছেন। তিনি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদকে নিয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালের পঞ্চম তলার শৌচাগার পরিদর্শন করতে যান।
এ সময় হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহানও ছিলেন। শৌচাগার অপরিষ্কার দেখে মন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে হারপিক আনার কথা বলেন। মন্ত্রী ক্ষোভটা প্রকাশ করেন ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের উপর। কিন্তু মন্ত্রীর সঙ্গে থাকা বিতর্কিত চিকিৎসক নেতা ও হাসপাতালের ঠিকাদারি কাজ ভাগাভাগি করা ব্যক্তি মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে কিছুই বলা হয়নি। চিকিৎসক মাসুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা উপকমিটির সভাপতি। গত ১৩ জুন থেকে মাসুম হাছান হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে।
হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভাষ্য, মাসুম হাছান তাঁর পছন্দের ব্যক্তিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও উপপরিচালক করতে চান। এ জন্য তিনি একের পর এক কৌশল অবলম্বন করছেন। ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহানকে সরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ সরবরাহ করেন। মাসুম হাছান বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাচিপ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ডা. আবদুল বাকী আনিছের ছত্রচ্ছায়ায় ছিলেন। ডা. শাহজাহানকে সরাতে ডা. মাসুম হাছান একের পর এক ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।
এর আগে গত ১ জুন নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করা হয়। ২০২৪ সালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠে। ওই সময়ে সোয়া দুই কোটি টাকা ভাগাভাগি করেন মাসুম হাছান। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়। এরপর মাসুমের ভাবমূর্তির কারণে ড্যাবের কমিটি স্থগিত করা হয়। মন্ত্রণালয় তদন্ত করে। ওই প্রতিবেদনে কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মেলে। মোহাম্মদ মাসুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মির্জ্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলামকে সরাতে একের পর এক নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছেন। ওই প্রক্রিয়ায় ধাক্কা খাওয়ায় একের পর এক ড্যাব নেতাদের নানাভাবে হয়রানি করছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাসানের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মাসুম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজী বিভাগের চলতি দায়িত্বে বর্তমান অধ্যাপক।
জানতে চাইলে ডা. মো. শাহজাহান বলেন, আমি ১৯৮৮ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হই। তখন থেকে আমি প্রথম ছাত্রদল করা শুরু করি। আমার নেতা ছিল ডিলন এবং আমির। ১৯৯১ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলে সর্বপ্রথম ছাত্রলীগ-ছাত্রদল মারামারিতে আমার রুমটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আমরা ৪ জন ছাত্রদলের ছিলাম বলে রুম পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এমবিবিএস পাশ ও ইন্টার্নী শেষ করে কুমিল্লা চলে আসি ১৯৯৯ সালে। তখন ক্লিনিকে কাজ করি। ২০০০ এবং ২০০২ সালে আমি বিএমএ নির্বাচন করি ড্যাবের প্যানেল থেকে ডা. ইকবাল আনোয়ার, ডা. দিপু পরিষদে সেন্ট্রাল কাউন্সিলর মেম্বার পদে এবং পরপর ২ বার নির্বাচিত হই।
২০০৩ সালে ২২তম বিসিএসে যোগদান করি। ২০০৫ সালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারীতে পদায়িত হই। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে আমি ১ম বার ওএসডি হই। তারপর সিস্টেম করে ১ বছর সদরে চাকরি করে ট্রেনিং পদে এনআইকেডিইউ তে পদায়িত হই, কিন্তু আমাকে যোগদানে বাধা প্রদান করা হয়। পরে সিস্টেম করে ১ মাস ২১ দিন পর যোগ দান করি। ট্রেনিং অবস্থায় ৩বার আমাকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হয়। প্রতিবারই সিস্টেম করে ট্রেনিং এর জন্য বিভিন্ন জনের সহায়তায় ট্রেনিং শেষ করি। ট্রেনিং শেষ করার ৬ দিনের দিন আমাকে আবারও ওএসডি করা হয়।
২০১৩ সালে আমি খোশবাস সাবসেন্টারে ওএসডি থেকে পদায়িত হই। ওখান থেকে আমাকে জুড়াছড়ি, রাঙামাটি বদলি করা হয়। সেখানে কোন স্থল যোগাযোগ নাই। সকালে ১টা ট্রলার এবং রাতে একটা ট্রলার।
সেখান থেকে আবারও সিস্টেম করে লাকসাম আসি। ২০১৭ সালে লাকসাম থেকে আবারও আমাকে খাগড়াছড়ি বদলি করা হয়। পরে সিস্টেম করে কুমিল্লা ম্যাটসে এ বদলি হই। আপনারা যারা গঅঞঝ সম্পর্কে জানেন না তাদের বলছি এটা হলো বিরোধীদলের ডাক্তারদের জন্য জীবন্ত ভাগাড়। এখান থেকে আমি প্রথম নিজ যোগ্যতায় সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি পাই। আমার তখন নিপসমে ঢাকাতে পদায়িত হই। পরিচালক বায়জিদ খোরশিদ রিয়াজ স্যার আমাকে ওখানে যোগদান করতে দেন নাই আমি উঅই করি বলে। দীর্ঘ ৪মাস মন্তনালয়ে ঘুরাঘুরি করে, সিস্টেম করে আবারও ম্যাটসে এ সংযুক্তিতে পদায়িত হই। এখান থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি সালে নিজ যোগ্যতায় আমি উপপরিচালক পদে পদোন্নতি পাই এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করি। আপনারা জানেন পরিচালক, উপপরিচালক এগুলো প্রশাসনিক পদ। যে সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তার ইচ্ছায় বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করতে বাধ্য। আর আমাদের কুমিল্লার আগের এমপির কথাতো সবার জানা। ওই সময়ের একটা ছবি নিয়ে আমাকে ট্যাগ দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করে আমাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ডাক্তার বিভিন্ন সময় আমাকে ব্ল্যাক মেইল করার হুমকি দেয়।ঐ ছবিটা উনার কাছে ২০২৪ সাল থেকেই উনি সযতনে রেখে দিয়েছেন এবং মাঝে মাঝে নিজে অথবা অন্য কাউকে দিয়ে অথবা সাম্বাদিককে টাকা পয়সা দিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজে লাগান। আমি বলতে চাই আমি আমার নিজ যোগ্যতায় পরিচালক হবো। তবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হওয়ার কোনো ইচ্ছা বা খায়েস আমার নাই। আমি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রদল করি, ড্যাব করি , বিএনপি করি, আমার পুরো পরিবার বিএনপি করে আমার বাবা বরুড়া উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির উপদেষ্টা। আমার পদোন্নতি হোক বা না হোক আমি ড্যাব বিএনপি করি, এটা আমার রক্তে মিশে আছে। থাকবেই ইনশাল্লাহ।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পছন্দের ব্যক্তিকে পরিচালক করতে এবার চিকিৎসক মোহাম্মদ মাসুম হাছান এক অভিনব কৌশল করেছেন। তিনি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদকে নিয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালের পঞ্চম তলার শৌচাগার পরিদর্শন করতে যান।
এ সময় হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহানও ছিলেন। শৌচাগার অপরিষ্কার দেখে মন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে হারপিক আনার কথা বলেন। মন্ত্রী ক্ষোভটা প্রকাশ করেন ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের উপর। কিন্তু মন্ত্রীর সঙ্গে থাকা বিতর্কিত চিকিৎসক নেতা ও হাসপাতালের ঠিকাদারি কাজ ভাগাভাগি করা ব্যক্তি মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে কিছুই বলা হয়নি। চিকিৎসক মাসুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা উপকমিটির সভাপতি। গত ১৩ জুন থেকে মাসুম হাছান হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে।
হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভাষ্য, মাসুম হাছান তাঁর পছন্দের ব্যক্তিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও উপপরিচালক করতে চান। এ জন্য তিনি একের পর এক কৌশল অবলম্বন করছেন। ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহানকে সরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ সরবরাহ করেন। মাসুম হাছান বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাচিপ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ডা. আবদুল বাকী আনিছের ছত্রচ্ছায়ায় ছিলেন। ডা. শাহজাহানকে সরাতে ডা. মাসুম হাছান একের পর এক ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।
এর আগে গত ১ জুন নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করা হয়। ২০২৪ সালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠে। ওই সময়ে সোয়া দুই কোটি টাকা ভাগাভাগি করেন মাসুম হাছান। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়। এরপর মাসুমের ভাবমূর্তির কারণে ড্যাবের কমিটি স্থগিত করা হয়। মন্ত্রণালয় তদন্ত করে। ওই প্রতিবেদনে কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মেলে। মোহাম্মদ মাসুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মির্জ্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলামকে সরাতে একের পর এক নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছেন। ওই প্রক্রিয়ায় ধাক্কা খাওয়ায় একের পর এক ড্যাব নেতাদের নানাভাবে হয়রানি করছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাসানের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মাসুম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজী বিভাগের চলতি দায়িত্বে বর্তমান অধ্যাপক।
জানতে চাইলে ডা. মো. শাহজাহান বলেন, আমি ১৯৮৮ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হই। তখন থেকে আমি প্রথম ছাত্রদল করা শুরু করি। আমার নেতা ছিল ডিলন এবং আমির। ১৯৯১ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলে সর্বপ্রথম ছাত্রলীগ-ছাত্রদল মারামারিতে আমার রুমটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আমরা ৪ জন ছাত্রদলের ছিলাম বলে রুম পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এমবিবিএস পাশ ও ইন্টার্নী শেষ করে কুমিল্লা চলে আসি ১৯৯৯ সালে। তখন ক্লিনিকে কাজ করি। ২০০০ এবং ২০০২ সালে আমি বিএমএ নির্বাচন করি ড্যাবের প্যানেল থেকে ডা. ইকবাল আনোয়ার, ডা. দিপু পরিষদে সেন্ট্রাল কাউন্সিলর মেম্বার পদে এবং পরপর ২ বার নির্বাচিত হই।
২০০৩ সালে ২২তম বিসিএসে যোগদান করি। ২০০৫ সালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারীতে পদায়িত হই। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে আমি ১ম বার ওএসডি হই। তারপর সিস্টেম করে ১ বছর সদরে চাকরি করে ট্রেনিং পদে এনআইকেডিইউ তে পদায়িত হই, কিন্তু আমাকে যোগদানে বাধা প্রদান করা হয়। পরে সিস্টেম করে ১ মাস ২১ দিন পর যোগ দান করি। ট্রেনিং অবস্থায় ৩বার আমাকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হয়। প্রতিবারই সিস্টেম করে ট্রেনিং এর জন্য বিভিন্ন জনের সহায়তায় ট্রেনিং শেষ করি। ট্রেনিং শেষ করার ৬ দিনের দিন আমাকে আবারও ওএসডি করা হয়।
২০১৩ সালে আমি খোশবাস সাবসেন্টারে ওএসডি থেকে পদায়িত হই। ওখান থেকে আমাকে জুড়াছড়ি, রাঙামাটি বদলি করা হয়। সেখানে কোন স্থল যোগাযোগ নাই। সকালে ১টা ট্রলার এবং রাতে একটা ট্রলার।
সেখান থেকে আবারও সিস্টেম করে লাকসাম আসি। ২০১৭ সালে লাকসাম থেকে আবারও আমাকে খাগড়াছড়ি বদলি করা হয়। পরে সিস্টেম করে কুমিল্লা ম্যাটসে এ বদলি হই। আপনারা যারা গঅঞঝ সম্পর্কে জানেন না তাদের বলছি এটা হলো বিরোধীদলের ডাক্তারদের জন্য জীবন্ত ভাগাড়। এখান থেকে আমি প্রথম নিজ যোগ্যতায় সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি পাই। আমার তখন নিপসমে ঢাকাতে পদায়িত হই। পরিচালক বায়জিদ খোরশিদ রিয়াজ স্যার আমাকে ওখানে যোগদান করতে দেন নাই আমি উঅই করি বলে। দীর্ঘ ৪মাস মন্তনালয়ে ঘুরাঘুরি করে, সিস্টেম করে আবারও ম্যাটসে এ সংযুক্তিতে পদায়িত হই। এখান থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি সালে নিজ যোগ্যতায় আমি উপপরিচালক পদে পদোন্নতি পাই এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করি। আপনারা জানেন পরিচালক, উপপরিচালক এগুলো প্রশাসনিক পদ। যে সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তার ইচ্ছায় বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করতে বাধ্য। আর আমাদের কুমিল্লার আগের এমপির কথাতো সবার জানা। ওই সময়ের একটা ছবি নিয়ে আমাকে ট্যাগ দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করে আমাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ডাক্তার বিভিন্ন সময় আমাকে ব্ল্যাক মেইল করার হুমকি দেয়।ঐ ছবিটা উনার কাছে ২০২৪ সাল থেকেই উনি সযতনে রেখে দিয়েছেন এবং মাঝে মাঝে নিজে অথবা অন্য কাউকে দিয়ে অথবা সাম্বাদিককে টাকা পয়সা দিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজে লাগান। আমি বলতে চাই আমি আমার নিজ যোগ্যতায় পরিচালক হবো। তবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হওয়ার কোনো ইচ্ছা বা খায়েস আমার নাই। আমি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রদল করি, ড্যাব করি , বিএনপি করি, আমার পুরো পরিবার বিএনপি করে আমার বাবা বরুড়া উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির উপদেষ্টা। আমার পদোন্নতি হোক বা না হোক আমি ড্যাব বিএনপি করি, এটা আমার রক্তে মিশে আছে। থাকবেই ইনশাল্লাহ।