থানায় মামলা পলাতক ধর্ষক
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে একটি মহল। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে খুঁজছে পুলিশ।
গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের পৈরাংকুল গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের মুদি দোকানের পেছনে পরিত্যক্ত জায়গায় এ ঘটনা ঘটে ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ইউছুফপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পৈরংকুল কোনাহাটি এলাকার প্রয়াত মফিজ আলীর ছেলে অটোরিকশা চালক মো. ফারুক হোসেন (৫০), ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা সাতটার দিকে একই এলাকার আব্দুল কাইয়ুমের মুদি দোকানের পেছনে এক বাক প্রতিবন্ধী নারীকে (৪০) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল জোর চেষ্টা চালায়। বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হয়ে গেলে পরবর্তীতে ভিক্টিম নারীর ভাই মো. হান্নান মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার দুই দিন পর ১ সেপ্টেম্বর রাতে মো. ফারুক হোসেনকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দেবীদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ফারুক হোসেনের সংসারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান জানান, অভিযুক্ত ফারুকের বিরুদ্ধে আগেও একাধিকবার এমন ঘটনার অভিযোগ উঠেছিল। এবার প্রতিবন্ধী এক নারীর সঙ্গে এমন জঘন্য ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ঘটনাটি একটি প্রভাবশালী মহল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে ব্যর্থ হয়ে ধর্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে মহলটি।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করতে ভিক্টিম পরিবার থানায় আসার সংবাদে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন পালিয়ে গেছে। তবে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে একটি মহল। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে খুঁজছে পুলিশ।
গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের পৈরাংকুল গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের মুদি দোকানের পেছনে পরিত্যক্ত জায়গায় এ ঘটনা ঘটে ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ইউছুফপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পৈরংকুল কোনাহাটি এলাকার প্রয়াত মফিজ আলীর ছেলে অটোরিকশা চালক মো. ফারুক হোসেন (৫০), ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা সাতটার দিকে একই এলাকার আব্দুল কাইয়ুমের মুদি দোকানের পেছনে এক বাক প্রতিবন্ধী নারীকে (৪০) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল জোর চেষ্টা চালায়। বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হয়ে গেলে পরবর্তীতে ভিক্টিম নারীর ভাই মো. হান্নান মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার দুই দিন পর ১ সেপ্টেম্বর রাতে মো. ফারুক হোসেনকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দেবীদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ফারুক হোসেনের সংসারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান জানান, অভিযুক্ত ফারুকের বিরুদ্ধে আগেও একাধিকবার এমন ঘটনার অভিযোগ উঠেছিল। এবার প্রতিবন্ধী এক নারীর সঙ্গে এমন জঘন্য ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ঘটনাটি একটি প্রভাবশালী মহল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে ব্যর্থ হয়ে ধর্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে মহলটি।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করতে ভিক্টিম পরিবার থানায় আসার সংবাদে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন পালিয়ে গেছে। তবে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।