নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের রেলস্টেশন সড়কের রেলওয়ে উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের অংশে সড়ক ভেঙে গেছে। সেখানে খানাখন্দে ভরা সড়কে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে। পিচও ওঠে গেছে। ধর্মপুর জামে মসজিদ মোড় থেকে বাদশা মিয়ার বাজার পর্যন্ত এই সড়ক। এ সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট গর্তও আছে।
ডায়াবেটিক হাসপাতালের সামনের সড়কে আছে গর্ত। ডায়াবেটিক হাসপাতালে প্রবেশের ফটকের পর এক পাশে কয়েকটি গর্ত। রাজগঞ্জ দুধ বাজার সড়কেও খানাখন্দ। সেখানে বাজার করে যানবাহন নিয়ে আসতে বেগ পেতে হয়। কেবল রেলস্টেশন, ডায়াবেটিক ও দুধ বাজার সড়ক নয়, কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন সড়কে ছোট বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এইসব সড়ক শুরুতে সংস্কার করলে ভোগান্তি কম হয়। কিন্তু কুমিল্লা সিটি করপোরেশন যথাসময়ে সড়ক সংস্কার করে না। এতে করে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে।
সরেজমিনে বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুমিল্লা রেলস্টেশন সড়কটি ভালো মানের সড়ক ছিল। পানি নামার পথ না থাকায় ওই সড়কে পানি জমতে জমতে আস্তে আস্তে ভেঙে ও দেবে গেছে। এই সড়কে ভারি যানবাহন চলাচল করে। রাজগঞ্জ এলাকায়ও একই অবস্থা।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য , সড়কের ছোট গর্তের কাজ কেউ করতে চায় না। বড় হলে সংস্কার করে। গাড়ি দিয়ে মাল আনতে বেগ পেতে হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, এ বছর প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। এখনও হচ্ছে। ওই কারণে এবার কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো সংস্কারের জন্য ৫০ লাখ টাকার দরপত্র করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি কমলেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, এবার অতি বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কে পানি জমেছিল। ওই কারণে বেশি গর্ত হয়েছে। আমরা গর্তগুলো ভরাট করব। তার উপর কার্পেটিং করব। পুলিশ লাইন, রেসকোর্স ও কান্দিরপাড় সড়কে কিছু সংস্কার কাজ হচ্ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বৃষ্টি কমলেই পুরোদমে সংস্কার কাজ শুরু হবে। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সর্বদাই সচেষ্ট আছি। ভোগান্তি হয় এমন কিছু থাকবে না।

কুমিল্লা নগরের রেলস্টেশন সড়কের রেলওয়ে উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের অংশে সড়ক ভেঙে গেছে। সেখানে খানাখন্দে ভরা সড়কে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে। পিচও ওঠে গেছে। ধর্মপুর জামে মসজিদ মোড় থেকে বাদশা মিয়ার বাজার পর্যন্ত এই সড়ক। এ সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট গর্তও আছে।
ডায়াবেটিক হাসপাতালের সামনের সড়কে আছে গর্ত। ডায়াবেটিক হাসপাতালে প্রবেশের ফটকের পর এক পাশে কয়েকটি গর্ত। রাজগঞ্জ দুধ বাজার সড়কেও খানাখন্দ। সেখানে বাজার করে যানবাহন নিয়ে আসতে বেগ পেতে হয়। কেবল রেলস্টেশন, ডায়াবেটিক ও দুধ বাজার সড়ক নয়, কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন সড়কে ছোট বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এইসব সড়ক শুরুতে সংস্কার করলে ভোগান্তি কম হয়। কিন্তু কুমিল্লা সিটি করপোরেশন যথাসময়ে সড়ক সংস্কার করে না। এতে করে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে।
সরেজমিনে বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুমিল্লা রেলস্টেশন সড়কটি ভালো মানের সড়ক ছিল। পানি নামার পথ না থাকায় ওই সড়কে পানি জমতে জমতে আস্তে আস্তে ভেঙে ও দেবে গেছে। এই সড়কে ভারি যানবাহন চলাচল করে। রাজগঞ্জ এলাকায়ও একই অবস্থা।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য , সড়কের ছোট গর্তের কাজ কেউ করতে চায় না। বড় হলে সংস্কার করে। গাড়ি দিয়ে মাল আনতে বেগ পেতে হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, এ বছর প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। এখনও হচ্ছে। ওই কারণে এবার কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো সংস্কারের জন্য ৫০ লাখ টাকার দরপত্র করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি কমলেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, এবার অতি বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কে পানি জমেছিল। ওই কারণে বেশি গর্ত হয়েছে। আমরা গর্তগুলো ভরাট করব। তার উপর কার্পেটিং করব। পুলিশ লাইন, রেসকোর্স ও কান্দিরপাড় সড়কে কিছু সংস্কার কাজ হচ্ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বৃষ্টি কমলেই পুরোদমে সংস্কার কাজ শুরু হবে। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সর্বদাই সচেষ্ট আছি। ভোগান্তি হয় এমন কিছু থাকবে না।