দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে এক মাদক কারবারির বাড়ি গুড়িয়ে দিয়ে গোটা পরিবারকে গ্রামছাড়া করেছে এলাকাবাসী। গত রোববার দুপুর ১২টায় উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নোয়াবগঞ্জ (কোটনা) কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার দিন এলাকাবাসী এক জোট হয়ে মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল সহকারে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরে থাকা ৮ টি খাট, চৌকি, ৪টি ফ্রিজ, ২ সেট সোফা, টিভি, রান্নাঘর, মাটির চুলা, বাথরুম, টয়লেট, মোটর সাইকেলসহ বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করে দেয়।
ঘটনার পর থেকে বাড়ির গৃহকর্তা ফতেহাবাদ পীর সাহেব বাড়ি মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা কাজী আব্দুস সালাম (৮২) সপরিবারে অন্যত্র পালিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা যায়।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে ওই গ্রামে যেয়ে দেখা যায়, বাড়ি-ঘর ও আসবাবসামগ্রী বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ওই বাড়িতে নেই লোক সমাগম। স্থানীয়রা কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছিলেন না।
নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, আন্ত:জেলা মাদক কারবারি কাজী এনামুল হক (৩৩) দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা, মদ প্রকাশ্যে বিক্রয় করে আসছিলেন। কাজী এনামুল হক একাধিকবার মাদক ব্যবসা ও নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার এবং জেল খাটেন। তিনি জামিনে এসে পুরদমে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। গত রমজান মাসে এবং কোরবানি ঈদের সময় গ্রামবাসী দুই দফায় কাজী এনামুল ও তার অপর দুই ভাইকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অনুরোধ জানান। তারপরও আরো দু’দফা গ্রামবাসী ৩ মাস করে ৬ মাস সময় দিলেও তারা মাদক ব্যবসা অব্যাহত রাখেন।
গত রোববার সকালে তার বাড়ির সামনে থেকে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ও গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপার্দ করেন। আটক মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের মো. রিপন হোসেন (২৮) ও সাগর(২৪) নামে দুই যুবক কাজী এনামুল হকের কাছ থেকে ইয়াবা ক্রয় করেন এবং বিকাশে টাকা প্রদান করেন বলে জানায়। এ সংবাদে এলাকার সহস্রাধিক জনতা মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল দিয়ে কাজী এনামুলদের বাড়ি ভাঙচুর করে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এনামুল হক একজন নিয়মিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা ও একটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা রয়েছে। ঘরবাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে জানান, ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি।

দেবীদ্বারে এক মাদক কারবারির বাড়ি গুড়িয়ে দিয়ে গোটা পরিবারকে গ্রামছাড়া করেছে এলাকাবাসী। গত রোববার দুপুর ১২টায় উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নোয়াবগঞ্জ (কোটনা) কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার দিন এলাকাবাসী এক জোট হয়ে মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল সহকারে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরে থাকা ৮ টি খাট, চৌকি, ৪টি ফ্রিজ, ২ সেট সোফা, টিভি, রান্নাঘর, মাটির চুলা, বাথরুম, টয়লেট, মোটর সাইকেলসহ বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করে দেয়।
ঘটনার পর থেকে বাড়ির গৃহকর্তা ফতেহাবাদ পীর সাহেব বাড়ি মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা কাজী আব্দুস সালাম (৮২) সপরিবারে অন্যত্র পালিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা যায়।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে ওই গ্রামে যেয়ে দেখা যায়, বাড়ি-ঘর ও আসবাবসামগ্রী বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ওই বাড়িতে নেই লোক সমাগম। স্থানীয়রা কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছিলেন না।
নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, আন্ত:জেলা মাদক কারবারি কাজী এনামুল হক (৩৩) দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা, মদ প্রকাশ্যে বিক্রয় করে আসছিলেন। কাজী এনামুল হক একাধিকবার মাদক ব্যবসা ও নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার এবং জেল খাটেন। তিনি জামিনে এসে পুরদমে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। গত রমজান মাসে এবং কোরবানি ঈদের সময় গ্রামবাসী দুই দফায় কাজী এনামুল ও তার অপর দুই ভাইকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অনুরোধ জানান। তারপরও আরো দু’দফা গ্রামবাসী ৩ মাস করে ৬ মাস সময় দিলেও তারা মাদক ব্যবসা অব্যাহত রাখেন।
গত রোববার সকালে তার বাড়ির সামনে থেকে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ও গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপার্দ করেন। আটক মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের মো. রিপন হোসেন (২৮) ও সাগর(২৪) নামে দুই যুবক কাজী এনামুল হকের কাছ থেকে ইয়াবা ক্রয় করেন এবং বিকাশে টাকা প্রদান করেন বলে জানায়। এ সংবাদে এলাকার সহস্রাধিক জনতা মাদক বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল দিয়ে কাজী এনামুলদের বাড়ি ভাঙচুর করে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এনামুল হক একজন নিয়মিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা ও একটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা রয়েছে। ঘরবাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে জানান, ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি।