নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যস্ত পেশাগত জীবনের একঘেঁয়েমি ভেঙে স্বাস্থ্য সচেতনতা, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি এবং দেশীয় ঐতিহ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত ভবনের ১০১ হল রুমের আইনজীবীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী বার্ষিক ফলাহার উৎসব। দেশীয় ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ উৎসব প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, আন্তরিকতা এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর হয়ে ওঠে।
‘ফল খান দেশি, বল পাবেন বেশি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ বুধবার দুপুর ২টায় কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নিচতলায় আয়োজন করা হয় এ ফলাহার উৎসবের। আদালতের ব্যস্ত কার্যক্রমের মাঝেও আইনজীবীদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়।
উৎসবস্থলে দেশীয় মৌসুমি ফলের বাহারি সমারোহ উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। খই, দধি, চিড়ামুড়ি সহ রসালো আম, সুস্বাদু কাঁঠাল, লিচু, জাম, আনারস, পেয়ারা, কলা ও অন্যান্য মৌসুমি ফলের সমাহারে সাজানো হয় আকর্ষণীয় ফলের টেবিল। রঙিন ও স্বাস্থ্যসম্মত এসব ফল শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায়নি, বরং দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ও গুরুত্ব সম্পর্কেও নতুন করে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
আয়োজকরা জানান, বর্তমানে ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি মানুষের ঝোঁক বাড়লেও দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অপরিসীম। দেশীয় ফল ভিটামিন, খনিজ লবণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম উৎস। তাই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে নিয়মিত দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন- সিনিয়র আইনজীবী মো. মজিদ খাঁন, আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া, জাহিদ হোসেন, সানজিদা হক শিপা, তাপস চন্দ্র সরকার, মো. ফয়সল সুলতান, আরাফাত হোসেন সবুজ, মো. জহিরুল ইসলামসহ শতাধিক আইনজীবী।
অংশগ্রহণকারী আইনজীবীরা বলেন, আদালতের ব্যস্ত কর্মপরিবেশে এমন আয়োজন সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। একই সঙ্গে দেশীয় ফলের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ফলাহার উৎসবকে ঘিরে পুরো পরিবেশে ছিল আন্তরিকতা, বন্ধুত্বপূর্ণ আবহ এবং আনন্দের ছোঁয়া। সহকর্মীরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, মতবিনিময় এবং ফল ভাগাভাগির মাধ্যমে এক অনন্য সৌহার্দ্যের নজির স্থাপন করেন। আদালত প্রাঙ্গণের আনুষ্ঠানিক পরিবেশ এদিন যেন রূপ নেয় এক প্রাণবন্ত সামাজিক ও মানবিক মিলনমেলায়।
আয়োজকদের মতে, কেবল পেশাগত দায়িত্ব পালনই নয়, সুস্থ জীবনধারা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং মানবিক সম্পর্কের বিকাশেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। দেশীয় ফলের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ব্যস্ত পেশাগত জীবনের একঘেঁয়েমি ভেঙে স্বাস্থ্য সচেতনতা, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি এবং দেশীয় ঐতিহ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত ভবনের ১০১ হল রুমের আইনজীবীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী বার্ষিক ফলাহার উৎসব। দেশীয় ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ উৎসব প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, আন্তরিকতা এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর হয়ে ওঠে।
‘ফল খান দেশি, বল পাবেন বেশি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ বুধবার দুপুর ২টায় কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নিচতলায় আয়োজন করা হয় এ ফলাহার উৎসবের। আদালতের ব্যস্ত কার্যক্রমের মাঝেও আইনজীবীদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়।
উৎসবস্থলে দেশীয় মৌসুমি ফলের বাহারি সমারোহ উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। খই, দধি, চিড়ামুড়ি সহ রসালো আম, সুস্বাদু কাঁঠাল, লিচু, জাম, আনারস, পেয়ারা, কলা ও অন্যান্য মৌসুমি ফলের সমাহারে সাজানো হয় আকর্ষণীয় ফলের টেবিল। রঙিন ও স্বাস্থ্যসম্মত এসব ফল শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায়নি, বরং দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ও গুরুত্ব সম্পর্কেও নতুন করে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
আয়োজকরা জানান, বর্তমানে ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি মানুষের ঝোঁক বাড়লেও দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অপরিসীম। দেশীয় ফল ভিটামিন, খনিজ লবণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম উৎস। তাই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে নিয়মিত দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন- সিনিয়র আইনজীবী মো. মজিদ খাঁন, আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া, জাহিদ হোসেন, সানজিদা হক শিপা, তাপস চন্দ্র সরকার, মো. ফয়সল সুলতান, আরাফাত হোসেন সবুজ, মো. জহিরুল ইসলামসহ শতাধিক আইনজীবী।
অংশগ্রহণকারী আইনজীবীরা বলেন, আদালতের ব্যস্ত কর্মপরিবেশে এমন আয়োজন সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। একই সঙ্গে দেশীয় ফলের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ফলাহার উৎসবকে ঘিরে পুরো পরিবেশে ছিল আন্তরিকতা, বন্ধুত্বপূর্ণ আবহ এবং আনন্দের ছোঁয়া। সহকর্মীরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, মতবিনিময় এবং ফল ভাগাভাগির মাধ্যমে এক অনন্য সৌহার্দ্যের নজির স্থাপন করেন। আদালত প্রাঙ্গণের আনুষ্ঠানিক পরিবেশ এদিন যেন রূপ নেয় এক প্রাণবন্ত সামাজিক ও মানবিক মিলনমেলায়।
আয়োজকদের মতে, কেবল পেশাগত দায়িত্ব পালনই নয়, সুস্থ জীবনধারা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং মানবিক সম্পর্কের বিকাশেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। দেশীয় ফলের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।