নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ি থেকে সিএনজি অটোরিকশা করে ফেনীর বাসায় যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪ বছরের এক স্কুল শিক্ষার্থী। গত সোমবার রাতে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে গণধর্ষণের শিকার স্কুল শিক্ষার্থীর মায়ের ফোন পেয়ে থানা পুলিশ আজ বুধবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক রিয়াজ মোল্লা (২৬) ও একই গ্রামের ফয়েজ আহমেদ (২৬)। এঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে ওই স্কুল শিক্ষার্থী উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের শুভপুর গ্রামের তার খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিকশা করে রওনা দেন। একপর্যায়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি একই ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে পৌঁছালে চালক তার অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে অন্য একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠিয়ে দেয়। পরে সিএনজি অটোরিকশা চালক রিয়াজ মোল্লা একটু সামনে জাকিরের মোড় নামকস্থানে গিয়ে তার বন্ধু পরিচয়ে মামলার অপর আসামি ফয়েজ আহমেদকে সিএনজি অটোরিকশায় উঠায়। এক পর্যায়ে তারা ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে ফেনীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে চৌদ্দগ্রামের পদুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘোরায়। পরে একইদিন রাত ৮টায় আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদ ওই ছাত্রীকে তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ফয়েজ আহমদ, রিয়াজ মোল্লা এবং তাদের অপর সহযোগী আকরাম স্কুল শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরেরদিন মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসী খবর পেয়ে ভিকটিম স্কুল শিক্ষার্থীর জবানবন্দির ভিত্তিতে তাকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্য পাঠিয়ে দেয়। পরে স্কুল শিক্ষার্থী ফেনীর বাসায় ঘটনাটি তার মাকে জানালে মাসহ ঘটনাস্থালে এসে পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদকে আটক করে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এঘটনায় ভিকটিমের থানায় ধর্ষণ মামলা করেছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হবে।

নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ি থেকে সিএনজি অটোরিকশা করে ফেনীর বাসায় যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪ বছরের এক স্কুল শিক্ষার্থী। গত সোমবার রাতে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে গণধর্ষণের শিকার স্কুল শিক্ষার্থীর মায়ের ফোন পেয়ে থানা পুলিশ আজ বুধবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক রিয়াজ মোল্লা (২৬) ও একই গ্রামের ফয়েজ আহমেদ (২৬)। এঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে ওই স্কুল শিক্ষার্থী উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের শুভপুর গ্রামের তার খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিকশা করে রওনা দেন। একপর্যায়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি একই ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে পৌঁছালে চালক তার অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে অন্য একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠিয়ে দেয়। পরে সিএনজি অটোরিকশা চালক রিয়াজ মোল্লা একটু সামনে জাকিরের মোড় নামকস্থানে গিয়ে তার বন্ধু পরিচয়ে মামলার অপর আসামি ফয়েজ আহমেদকে সিএনজি অটোরিকশায় উঠায়। এক পর্যায়ে তারা ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে ফেনীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে চৌদ্দগ্রামের পদুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘোরায়। পরে একইদিন রাত ৮টায় আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদ ওই ছাত্রীকে তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ফয়েজ আহমদ, রিয়াজ মোল্লা এবং তাদের অপর সহযোগী আকরাম স্কুল শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরেরদিন মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসী খবর পেয়ে ভিকটিম স্কুল শিক্ষার্থীর জবানবন্দির ভিত্তিতে তাকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্য পাঠিয়ে দেয়। পরে স্কুল শিক্ষার্থী ফেনীর বাসায় ঘটনাটি তার মাকে জানালে মাসহ ঘটনাস্থালে এসে পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদকে আটক করে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এঘটনায় ভিকটিমের থানায় ধর্ষণ মামলা করেছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হবে।